ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়ল পৌনে ৩ কোটি টাকার সড়ক, বাঁশ-বালুর বস্তায় ঠেকা!
আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয়, মিত্র, আমরা একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি: এমপি নাছির চৌধুরী
শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা, হাতেনাতে ধৃত জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাতে ছাড়
৪ দিনেও উদ্ধার হয়নি কক্সবাজার মহাসড়কে বাস থামিয়ে লুটে নেওয়া ৫৭ লাখ টাকা
প্রভাষক পরিচয়ে এইচএসসির উত্তরপত্র দেখেন অফিস সহকারী
অস্ত্রের মুখে প্রবাসীর স্ত্রী থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি ও নিপীড়ন, যুবদলের আহ্বায়ক গ্রেপ্তার
সমিতির ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পলাতক জামায়াত আমির গ্রেপ্তার
‘শেখ হাসিনা থেকে ১০ লাখ টাকা পাওয়া’ আহসান জুলাই যোদ্ধা নন- দাবি বিএনপি নেতার, জামায়াত নেতার ভাষ্য, ‘সারজিসও ছাত্রলীগ করত’
কক্সবাজারের চকরিয়ায় আহসান হাবিবের ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক দাবি করেছেন, আহসান হাবিব প্রকৃত ‘জুলাই যোদ্ধা’ নন এবং তার নাম সরকারি গেজেট থেকে বাদ দেওয়া উচিত।
তবে এ বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক।
গতকাল ৫ই আগস্ট, বুধবার বিকেলে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এনামুল হক এ মন্তব্য করেন।
বক্তব্যে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা রক্ত দিয়েছেন, জীবন দিয়েছেন এবং শেখ হাসিনার সরকারের পতনে ভূমিকা রেখেছেন, তারাই প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা।
এ সময় আহসান হাবিবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, সরকারি
গেজেটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও তিনি আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন না। এ কারণে সরকারের কাছে তার নাম গেজেট থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান তিনি। এনামুল হক আরও দাবি করেন, আহসান হাবিব নিহত হওয়ার পর তৎকালীন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা হেলালের নেতৃত্বে তার পরিবারের সদস্যরা গণভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ১০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেন। তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিএনপি নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান জামায়াতে ইসলামীর নেতা আবদুল্লাহ আল ফারুক। তিনি দাবি করেন, আহসান হাবিব জুলাই আন্দোলনের
শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগের গুলিতে নিহত হন। নিজের বক্তব্যের পক্ষে তিনি আহসান হাবিবের জুলাই আন্দোলন চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কয়েকটি পোস্টের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেন। ফেসবুক পোস্টে আবদুল্লাহ আল ফারুক লেখেন, আহসান হাবিব শুরু থেকেই জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং কক্সবাজারের রাজপথে নিহত হন। তিনি আরও বলেন, অতীত রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও পরবর্তী সময়ে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব—এ প্রসঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের উদাহরণ টেনে তিনি মন্তব্য করেন, একজন নিহত ব্যক্তিকে নিয়ে অযাচিত মন্তব্য আহত করে। তিনি আরও বলেন, আহসান হাবিব ও ওয়াসিম আকরাম চকরিয়া-পেকুয়ার মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ই
জুলাই কক্সবাজার শহরে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন আহসান হাবিব। তার মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পরিবারের হাতে ১০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান তার কবর জিয়ারত করেন। এ বিষয়ে সরকারি গেজেটে আহসান হাবিবের অন্তর্ভুক্তি বা তা বাতিলের দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
গেজেটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও তিনি আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন না। এ কারণে সরকারের কাছে তার নাম গেজেট থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান তিনি। এনামুল হক আরও দাবি করেন, আহসান হাবিব নিহত হওয়ার পর তৎকালীন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা হেলালের নেতৃত্বে তার পরিবারের সদস্যরা গণভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ১০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেন। তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিএনপি নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান জামায়াতে ইসলামীর নেতা আবদুল্লাহ আল ফারুক। তিনি দাবি করেন, আহসান হাবিব জুলাই আন্দোলনের
শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগের গুলিতে নিহত হন। নিজের বক্তব্যের পক্ষে তিনি আহসান হাবিবের জুলাই আন্দোলন চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কয়েকটি পোস্টের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেন। ফেসবুক পোস্টে আবদুল্লাহ আল ফারুক লেখেন, আহসান হাবিব শুরু থেকেই জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং কক্সবাজারের রাজপথে নিহত হন। তিনি আরও বলেন, অতীত রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও পরবর্তী সময়ে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব—এ প্রসঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের উদাহরণ টেনে তিনি মন্তব্য করেন, একজন নিহত ব্যক্তিকে নিয়ে অযাচিত মন্তব্য আহত করে। তিনি আরও বলেন, আহসান হাবিব ও ওয়াসিম আকরাম চকরিয়া-পেকুয়ার মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ই
জুলাই কক্সবাজার শহরে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন আহসান হাবিব। তার মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পরিবারের হাতে ১০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান তার কবর জিয়ারত করেন। এ বিষয়ে সরকারি গেজেটে আহসান হাবিবের অন্তর্ভুক্তি বা তা বাতিলের দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।



