ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পুকুর থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, পানিতে ডোবার লক্ষণ মেলেনি
রংপুরে চার খুন: ‘পুলিশ ভুল সুইচ চাপায় পানিতে সব ধুয়ে যায়, কোনো ষড়যন্ত্র নেই’—ডিবি
মাদারীপুরে পরিত্যক্ত ঘরে বিকট শব্দে ফাটল বোমা, এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক
বরিশালে লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন: দিনে-রাতে ১০-১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন
মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখিয়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ কিশোর
‘প্রকাশ করায় আমাকে মেরে ফেলতে পারে’
ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষিকার ধর্ষণ মামলা
শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা, হাতেনাতে ধৃত জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাতে ছাড়
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় এক সালিশে জামায়াত কর্মী হেলাল উদ্দিনকে ৫০ বেত্রাঘাত এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনার একটি ভিডিও বুধবার (৫ই আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৪ঠা আগস্ট বিকেলে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অনুরোধে একটি গ্রাম্য সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে উপস্থিত ব্যক্তিদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্তকে বেত্রাঘাত ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে শিশুটি পাশের একটি দোকান থেকে মসলা কিনে বাড়ি ফিরছিল। তার সঙ্গে ছিল ছোট বোন।
এ সময় হেলাল উদ্দিন শিশুটিকে দোকানে ডেকে নিয়ে যান এবং ছোট বোনকে বাইরে বসিয়ে রাখেন।
পরে দোকানের পেছনে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ ও ধর্ষণচেষ্টা করা হয়। শিশুটি চিৎকার করে বাইরে বেরিয়ে এলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন স্থানীয় জামায়াত-শিবির নেতারা। তাদের প্রভাবে সালিশদাররা দাবি করেন, ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তবে শিশুটির ছোটবোনের সাক্ষ্যতে ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে নিতে না পারলেও ‘অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ’ দাবি করা হয়। এর ভিত্তিতে উপস্থিত ব্যক্তিদের সম্মতিতে অভিযুক্তকে ৫০ বেত্রাঘাত এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে জামায়াত কর্মী হেলাল উদ্দিন দাবি করেন, তিনি এ ধরনের কোনো কাজ করেননি। তার দাবি, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাহলে ছোট বোনকে বাইরে বসিয়ে রেখে ভুক্তভোগী শিশুটিকে দোকানের পেছনে নিয়ে গেলেন
কেন? এমন প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি হেলাল। এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, ঘটনাটি নিয়ে থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরে দোকানের পেছনে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ ও ধর্ষণচেষ্টা করা হয়। শিশুটি চিৎকার করে বাইরে বেরিয়ে এলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন স্থানীয় জামায়াত-শিবির নেতারা। তাদের প্রভাবে সালিশদাররা দাবি করেন, ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তবে শিশুটির ছোটবোনের সাক্ষ্যতে ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে নিতে না পারলেও ‘অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ’ দাবি করা হয়। এর ভিত্তিতে উপস্থিত ব্যক্তিদের সম্মতিতে অভিযুক্তকে ৫০ বেত্রাঘাত এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে জামায়াত কর্মী হেলাল উদ্দিন দাবি করেন, তিনি এ ধরনের কোনো কাজ করেননি। তার দাবি, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাহলে ছোট বোনকে বাইরে বসিয়ে রেখে ভুক্তভোগী শিশুটিকে দোকানের পেছনে নিয়ে গেলেন
কেন? এমন প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি হেলাল। এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, ঘটনাটি নিয়ে থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



