ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যালায়েন্সে নতুন নেতৃত্ব, আগস্টেই গণতান্ত্রিক উপবিধি প্রণয়নের ঘোষণা: প্রবাসীদের অংশগ্রহণে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংগঠন গঠনের প্রত্যয়; চেয়ারম্যান নির্বাচিত আজম চৌধুরী
শোককে শক্তিতে রূপান্তরের অঙ্গীকারে নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধু স্মরণে প্রবাসীদের আলোর মিছিল: আগস্টের প্রথম প্রহরে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, কালো ব্যাজ ও শোক র্যালি; বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয়
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মুখ খুললেন তসলিমা, গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য
নিউ ইয়র্কে ছাত্রলীগের দুদলের মারামারি, গ্রেপ্তার ২
বনের নৈসর্গিক পরিবেশে বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতির অনন্য মিলনমেলা: নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো চতুর্থ রকল্যান্ড রিট্রিট ও বইমেলা ২০২৬
পূর্ণিমার আলোয় রকওয়ে বিচে ফিরছে বহুল প্রতীক্ষিত জোছনা উৎসব: কয়েক বছর পর ৩১ জুলাই প্রবাসী বাঙালিদের মিলনমেলায় নাচ, গান, কবিতা, ঘুড়ি উৎসব ও তারকাদের অংশগ্রহণ
‘ইতিহাস মুছে ফেলা এত সহজ নয়, বাংলাদেশ একাত্তরেই ফিরবে’: যুক্তরাষ্ট্র থেকে ড. জাফর ইকবাল
নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশের জয়জয়কার: সেরা অভিনেতা শাকিব খান, সেরা অভিনেত্রী বুবলী, সেরা পরিচালক হৃদি হক; আজীবন সম্মাননা পেলেন কিংবদন্তি আহমেদ শরীফ
নিউইয়র্কে প্রথমবারের মতো আয়োজিত আন্তর্জাতিক নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক নতুন ইতিহাস রচনা করেছে। চার দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য চলচ্চিত্র উৎসব শুধু প্রবাসী দর্শকদেরই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাংলা চলচ্চিত্রের সম্ভাবনা ও সৃজনশীলতাকে নতুন করে তুলে ধরেছে।
জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত উৎসবের সমাপনী দিনে জমকালো রেড কার্পেট, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং তারকাবহুল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ঘোষণা করা হয় ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের সেরা চলচ্চিত্র, নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের নাম।
এবারের উৎসবে ‘প্রিয়তমা’ চলচ্চিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। ‘দেয়ালের দেশ’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী নির্বাচিত হন শবনম বুবলী।
আর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচিত চলচ্চিত্র ‘১৯৭১ সেই সব দিন’ নির্মাণের জন্য সেরা পরিচালক হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেন হৃদি হক। উৎসবের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত ছিল বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা আহমেদ শরীফের হাতে আজীবন সম্মাননা (Lifetime Achievement Award) তুলে দেওয়া। দীর্ঘ কয়েক দশকের অভিনয়জীবনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হলে উপস্থিত দর্শকরা দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দিত করেন। প্রিয়জন ফিল্মস ও লেমন স্টুডিওর যৌথ উদ্যোগে এবং আমেরিকান বাংলাদেশি প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই উৎসবের অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল অল কাউন্টি হোম কেয়ার। আয়োজনে নেতৃত্ব দেন অলিভ আহমেদ, লিটু এনাম, পিকলু চৌধুরী ও তানভীর সানি। উৎসবের প্রথম তিন দিনে বাংলাদেশ ও উত্তর আমেরিকার নির্মাতাদের স্বল্পদৈর্ঘ্য
চলচ্চিত্র, তথ্যচিত্র এবং পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। প্রবাসী দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, ভিনদেশে বসবাস করলেও বাংলা সিনেমার প্রতি তাদের ভালোবাসা ও আগ্রহ আজও সমান অটুট। সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক জায়েদ খান, কাজী মারুফ, ইমন, সজল, চিত্রনায়িকা বিন্দু এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রতীক হাসান। প্রিয় শিল্পীদের কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন শত শত প্রবাসী দর্শক। এবারের উৎসবে আরও যাঁরা বিভিন্ন বিভাগে সম্মাননা অর্জন করেছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন— সেরা পার্শ্ব অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী (তুফান), সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী সানজিদা প্রীতি (১৯৭১ সেই সব দিন), শ্রেষ্ঠ ওয়েব ফিল্ম ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ এবং এর পরিচালক শিহাব শাহীন, সেরা ওয়েব অভিনেতা মামুনুন
ইমন (মায়া), সেরা ওয়েব অভিনেত্রী আফসান আরা বিন্দু (উনিশ ২০), শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী কাজী আরিশা (গ্রীন কার্ড) ও নৈঋতা হাসিন রৌদ্রময়ী (জংলী)। সংগীত বিভাগে সেরা গায়ক নির্বাচিত হন বালাম (প্রিয়তমা) ও প্রীতম হাসান (তুফান), সেরা গায়িকা অবন্তি সিঁথি (সুড়ঙ্গ), সেরা গীতিকার আসিফ ইকবাল ও সোমেশ্বর অলি, সেরা সুরকার প্রিন্স মাহমুদ এবং সেরা সংগীত পরিচালক ইমন সাহা। এছাড়া সেরা কাহিনিকার ড. ইনামুল হক, সেরা চিত্রনাট্যকার নাজিম উদ দৌলা ও রায়হান রাফী, সেরা চিত্রগ্রাহক সুমন সরকার ও সাহেল রনি, সেরা সম্পাদক সিমিত রায় অন্তর ও কামরুজ্জামান রনি, সেরা শব্দগ্রাহক রিপন নাথ সম্মাননা লাভ করেন। উৎসবে শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয় Lost এবং শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্যচিত্র নির্বাচিত
হয় Songs for a Country (একটি দেশের জন্য গান)। বাংলা চলচ্চিত্রের প্রসার ও বিকাশে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় বায়োস্কোপ ফিল্মস, স্টার সিনেপ্লেক্স এবং জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি-কে। আয়োজকদের ভাষ্য, এই উৎসবের লক্ষ্য শুধু চলচ্চিত্র প্রদর্শন নয়; বরং প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রের একটি স্থায়ী সেতুবন্ধন তৈরি করা এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলা চলচ্চিত্রের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করা। প্রথম আয়োজনেই দর্শক, নির্মাতা ও শিল্পীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় আগামী বছর আরও বৃহত্তর পরিসরে আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে উৎসব আয়োজনের ঘোষণা দেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের প্রত্যাশা, নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ভবিষ্যতে বিশ্বজুড়ে বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক আসরে পরিণত হবে।
আর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচিত চলচ্চিত্র ‘১৯৭১ সেই সব দিন’ নির্মাণের জন্য সেরা পরিচালক হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেন হৃদি হক। উৎসবের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত ছিল বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা আহমেদ শরীফের হাতে আজীবন সম্মাননা (Lifetime Achievement Award) তুলে দেওয়া। দীর্ঘ কয়েক দশকের অভিনয়জীবনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হলে উপস্থিত দর্শকরা দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দিত করেন। প্রিয়জন ফিল্মস ও লেমন স্টুডিওর যৌথ উদ্যোগে এবং আমেরিকান বাংলাদেশি প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই উৎসবের অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল অল কাউন্টি হোম কেয়ার। আয়োজনে নেতৃত্ব দেন অলিভ আহমেদ, লিটু এনাম, পিকলু চৌধুরী ও তানভীর সানি। উৎসবের প্রথম তিন দিনে বাংলাদেশ ও উত্তর আমেরিকার নির্মাতাদের স্বল্পদৈর্ঘ্য
চলচ্চিত্র, তথ্যচিত্র এবং পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। প্রবাসী দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, ভিনদেশে বসবাস করলেও বাংলা সিনেমার প্রতি তাদের ভালোবাসা ও আগ্রহ আজও সমান অটুট। সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক জায়েদ খান, কাজী মারুফ, ইমন, সজল, চিত্রনায়িকা বিন্দু এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রতীক হাসান। প্রিয় শিল্পীদের কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন শত শত প্রবাসী দর্শক। এবারের উৎসবে আরও যাঁরা বিভিন্ন বিভাগে সম্মাননা অর্জন করেছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন— সেরা পার্শ্ব অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী (তুফান), সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী সানজিদা প্রীতি (১৯৭১ সেই সব দিন), শ্রেষ্ঠ ওয়েব ফিল্ম ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ এবং এর পরিচালক শিহাব শাহীন, সেরা ওয়েব অভিনেতা মামুনুন
ইমন (মায়া), সেরা ওয়েব অভিনেত্রী আফসান আরা বিন্দু (উনিশ ২০), শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী কাজী আরিশা (গ্রীন কার্ড) ও নৈঋতা হাসিন রৌদ্রময়ী (জংলী)। সংগীত বিভাগে সেরা গায়ক নির্বাচিত হন বালাম (প্রিয়তমা) ও প্রীতম হাসান (তুফান), সেরা গায়িকা অবন্তি সিঁথি (সুড়ঙ্গ), সেরা গীতিকার আসিফ ইকবাল ও সোমেশ্বর অলি, সেরা সুরকার প্রিন্স মাহমুদ এবং সেরা সংগীত পরিচালক ইমন সাহা। এছাড়া সেরা কাহিনিকার ড. ইনামুল হক, সেরা চিত্রনাট্যকার নাজিম উদ দৌলা ও রায়হান রাফী, সেরা চিত্রগ্রাহক সুমন সরকার ও সাহেল রনি, সেরা সম্পাদক সিমিত রায় অন্তর ও কামরুজ্জামান রনি, সেরা শব্দগ্রাহক রিপন নাথ সম্মাননা লাভ করেন। উৎসবে শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয় Lost এবং শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্যচিত্র নির্বাচিত
হয় Songs for a Country (একটি দেশের জন্য গান)। বাংলা চলচ্চিত্রের প্রসার ও বিকাশে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় বায়োস্কোপ ফিল্মস, স্টার সিনেপ্লেক্স এবং জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি-কে। আয়োজকদের ভাষ্য, এই উৎসবের লক্ষ্য শুধু চলচ্চিত্র প্রদর্শন নয়; বরং প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রের একটি স্থায়ী সেতুবন্ধন তৈরি করা এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলা চলচ্চিত্রের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করা। প্রথম আয়োজনেই দর্শক, নির্মাতা ও শিল্পীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় আগামী বছর আরও বৃহত্তর পরিসরে আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে উৎসব আয়োজনের ঘোষণা দেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের প্রত্যাশা, নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ভবিষ্যতে বিশ্বজুড়ে বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক আসরে পরিণত হবে।



