ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতীয় পেঁয়াজের সাথে প্রতিযোগিতায় ন্যায্যমূল্য না পেয়ে দিশেহারা কৃষক, ক্ষোভে পেঁয়াজ ফেলে দিচ্ছেন রাস্তায়-ডোবায়
দেশটা দিনে অচল থাকে, রাইতে হারিকেন: স্মরণকালের সর্বোচ্চ লোডশেডিং দেখল বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার নিজস্ব অর্থায়নের সিদ্ধান্ত: সংশয়ের পদ্মা সেতুতে চার বছরে আয় ৩৩৯২ কোটি টাকা
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিলে অংশ নেয়ায় ছাত্রলীগ কর্মী মাহাবুব ঢ়াড়ী-কে পিটিয়ে হত্যা
‘মাজারবিদ্বেষীদের’ সঙ্গে নিয়ে শেষ দিনে ‘মাজারে ডিসিগিরি’ করে গেলেন সারওয়ার আলম
৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ—সংগ্রাম, ঐতিহ্য ও আগামীর অঙ্গীকার
হামে রেকর্ডসংখ্যক মৃত্যুতেও সরকারের সাফল্য দেখছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী
জুনে সারাদেশে ৩৩৩ নারী-কন্যাশিশু নির্যাতিত: শীর্ষে ধর্ষণ ও ধর্ষণ-সংশ্লিষ্ট সহিংসতা
চলতি বছরের জুন মাসে দেশে নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনায় অন্তত ৩৩৩ জন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে কন্যাশিশুর সংখ্যাই তুলনামূলক বেশি। মাসজুড়ে সবচেয়ে বেশি ঘটেছে ধর্ষণ ও ধর্ষণ-সংশ্লিষ্ট সহিংসতার ঘটনা।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদ প্রকাশিত মাসিক পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে এসেছে। দেশের ১৫টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসে মোট ৩৩৩ জন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ১৭৭ জন কন্যাশিশু এবং ১৫৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক নারী।
মাসটিতে ১০০টি ধর্ষণ ও ধর্ষণ-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ৭২ জন কন্যাশিশু এবং ২৮ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৪ জন, যাদের মধ্যে
১২ জন কন্যাশিশু। ধর্ষণের পর সাতজন কন্যাশিশুকে হত্যা করা হয়েছে। একই সময়ে ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছে একজন কন্যাশিশু। এ ছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ৩৪ জনকে, যার মধ্যে ৩১ জনই কন্যাশিশু। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বিভিন্ন কারণে নিহত হয়েছেন ৫৪ জন নারী ও কন্যাশিশু। তাদের মধ্যে ৪৫ জন নারী এবং ৯ জন কন্যাশিশু। এ ছাড়া ৩৩ জনের রহস্যজনক মৃত্যু এবং ১২ জনের আত্মহত্যার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া জুন মাসে যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন ৪৩ জন। এর মধ্যে যৌন নিপীড়নের শিকার ১১ জন এবং উত্ত্যক্তের শিকার ২৯ জন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৯ জন, পণ-সংক্রান্ত সহিংসতার শিকার পাঁচজন, এসিড ও অগ্নিদগ্ধের শিকার তিনজন এবং
নারী ও কন্যাশিশু পাচারের শিকার হয়েছেন দুজন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বলেছে, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বিদ্যমান আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা এবং সামাজিক প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ আরো জোরদার করা জরুরি।
১২ জন কন্যাশিশু। ধর্ষণের পর সাতজন কন্যাশিশুকে হত্যা করা হয়েছে। একই সময়ে ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছে একজন কন্যাশিশু। এ ছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ৩৪ জনকে, যার মধ্যে ৩১ জনই কন্যাশিশু। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বিভিন্ন কারণে নিহত হয়েছেন ৫৪ জন নারী ও কন্যাশিশু। তাদের মধ্যে ৪৫ জন নারী এবং ৯ জন কন্যাশিশু। এ ছাড়া ৩৩ জনের রহস্যজনক মৃত্যু এবং ১২ জনের আত্মহত্যার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া জুন মাসে যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন ৪৩ জন। এর মধ্যে যৌন নিপীড়নের শিকার ১১ জন এবং উত্ত্যক্তের শিকার ২৯ জন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৯ জন, পণ-সংক্রান্ত সহিংসতার শিকার পাঁচজন, এসিড ও অগ্নিদগ্ধের শিকার তিনজন এবং
নারী ও কন্যাশিশু পাচারের শিকার হয়েছেন দুজন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বলেছে, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বিদ্যমান আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা এবং সামাজিক প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ আরো জোরদার করা জরুরি।



