ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ স্বীকৃতি কুবির
রাবির হলের শূন্য সিটে ওরা কারা? ছাত্রদল পরিচয় দিলেও সভাপতির সন্দেহ ‘শিবির’
শামীম-মাসুদ-তোফাজ্জল হত্যা থেকে হামের টিকা-কাণ্ড: জাবি ছাত্রলীগের ৬ দফায় প্রতিবাদ কর্মসূচি
গান গেয়ে ভাইরাল সেই ঢাবি শিক্ষককে অব্যাহতি
ঢাবির সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে বরখাস্ত ৩ শিক্ষক, অব্যাহতি দুজনের
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের ৭৫০ বর্গফুট পতাকা শোডাউন
৮০% ছেলেই আনফিট তাই ছাত্রীকে লিভ টুগেদারের প্রস্তাব অধ্যাপকের
চবিতে মধ্যরাতে ছাত্রদল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্রদের মারামারিতে প্রক্টর লাঞ্ছিত, সাংবাদিক হেনস্তা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ঘটনার জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলের সামনে দুই দফায় ঘটে যাওয়া এই মারামারির ঘটনায় শাখা ছাত্রদলের এক শীর্ষ নেতাসহ অন্তত দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে খোদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি লাঞ্ছিত এবং কর্মরত সাংবাদিকরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
৩০শে জুন, মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে চবির শাহজালাল হলের সামনে এই চাঞ্চল্যকর সংঘাতের ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, গত ২৯শে জুন (সোমবার) রাতে চবি শহিদ মিনার এলাকায় বড় পর্দায় ব্রাজিল বনাম জাপানের ফুটবল ম্যাচ দেখার আয়োজন করা হয়। সেখানে মার্কেটিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান
ইফতেখার দিশান ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত আসনে বসেন। শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনের দাবি, দিশান ছাত্রীদের আসনে বসে ধুমপান করছিলেন, যা দেখে তিনি বাধা দেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও একপর্যায়ে মারামারি হয়। তবে দিশান ধুমপানের বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেন, সোমবার রাতে কোনো কারণ ছাড়াই মামুন তার সাথে দুর্ব্যবহার ও মারধর করেছিল। সোমবার রাতের ওই ঘটনার জেরে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে শাহজালাল হলের সামনে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। দিশানের নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একদল শিক্ষার্থী ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার পর ওই শিক্ষার্থীরা শাহজালাল হলের ভেতরে আশ্রয় নেন। ঘটনাটি ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে শাহজালাল
হলের সামনে এসে অবস্থান নেন এবং পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হলের ভেতর অবরুদ্ধ হয়ে পড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক শিক্ষার্থী নিজেদের জীবন রক্ষার্থে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক উলফাতুর রহমানকে ফোন করে উদ্ধারের অনুরোধ জানান। উলফাতুর রহমান মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুজনকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। এই ঘটনায় চরম ক্ষিপ্ত হন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। তারা উলফাতুরকে মুঠোফোনে ডেকে এনে হলের সামনেই ঘিরে ধরেন। উলফাতুর রহমানের অভিযোগ,”আমি কোনো অপরাধ করিনি, এক শিক্ষার্থীকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ছাত্রদলের কয়েকজন আমাকে ডেকে এনে গলা চেপে ধরে মারধর করে এবং আমার মোটরসাইকেলের চাবিও ছিনিয়ে নেয়।” মধ্যরাতে ক্যাম্পাসের এই রণক্ষেত্রের খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে দ্রুত
ঘটনাস্থলে ছোটেন চবির প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা। কিন্তু উত্তেজিত ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর চড়াও হন এবং প্রক্টরিয়াল বডিকে লাঞ্ছিত করেন। একই সময়ে ঘটনার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে উপস্থিত কর্মরত সাংবাদিকরাও ছাত্রদলের হাতে হেনস্তার শিকার হন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। মারামারিতে গুরুতর আহত ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে চবি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভাশীষ চৌধুরী জানান,”আল মামুনের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং মাথা ফুলে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।” অন্যদিকে, ছাত্রশক্তি নেতা উলফাতুর রহমানকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে চবি প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী
বলেন,”খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট মতবিরোধ থেকেই দুই পক্ষের হাতাহাতি হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং উভয় পক্ষকে নিয়ে বসা হবে।”
ইফতেখার দিশান ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত আসনে বসেন। শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনের দাবি, দিশান ছাত্রীদের আসনে বসে ধুমপান করছিলেন, যা দেখে তিনি বাধা দেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও একপর্যায়ে মারামারি হয়। তবে দিশান ধুমপানের বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেন, সোমবার রাতে কোনো কারণ ছাড়াই মামুন তার সাথে দুর্ব্যবহার ও মারধর করেছিল। সোমবার রাতের ওই ঘটনার জেরে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে শাহজালাল হলের সামনে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। দিশানের নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একদল শিক্ষার্থী ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার পর ওই শিক্ষার্থীরা শাহজালাল হলের ভেতরে আশ্রয় নেন। ঘটনাটি ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে শাহজালাল
হলের সামনে এসে অবস্থান নেন এবং পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হলের ভেতর অবরুদ্ধ হয়ে পড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক শিক্ষার্থী নিজেদের জীবন রক্ষার্থে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক উলফাতুর রহমানকে ফোন করে উদ্ধারের অনুরোধ জানান। উলফাতুর রহমান মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুজনকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। এই ঘটনায় চরম ক্ষিপ্ত হন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। তারা উলফাতুরকে মুঠোফোনে ডেকে এনে হলের সামনেই ঘিরে ধরেন। উলফাতুর রহমানের অভিযোগ,”আমি কোনো অপরাধ করিনি, এক শিক্ষার্থীকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ছাত্রদলের কয়েকজন আমাকে ডেকে এনে গলা চেপে ধরে মারধর করে এবং আমার মোটরসাইকেলের চাবিও ছিনিয়ে নেয়।” মধ্যরাতে ক্যাম্পাসের এই রণক্ষেত্রের খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে দ্রুত
ঘটনাস্থলে ছোটেন চবির প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা। কিন্তু উত্তেজিত ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর চড়াও হন এবং প্রক্টরিয়াল বডিকে লাঞ্ছিত করেন। একই সময়ে ঘটনার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে উপস্থিত কর্মরত সাংবাদিকরাও ছাত্রদলের হাতে হেনস্তার শিকার হন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। মারামারিতে গুরুতর আহত ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে চবি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভাশীষ চৌধুরী জানান,”আল মামুনের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং মাথা ফুলে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।” অন্যদিকে, ছাত্রশক্তি নেতা উলফাতুর রহমানকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে চবি প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী
বলেন,”খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট মতবিরোধ থেকেই দুই পক্ষের হাতাহাতি হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং উভয় পক্ষকে নিয়ে বসা হবে।”



