ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মার্কিন চুক্তি ও স্বার্থরক্ষায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে উচ্চমূল্যে গম আমদানির অনুমোদন
সম্পত্তির বিরোধ থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, উচিৎ শিক্ষা দিতে সবার নামে জুলাই মামলা: আছেন ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ আওয়ামী নেতারাও
“আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আমি সমর্থন করি না”, সাক্ষাৎকারে এম সাখাওয়াত হোসেন
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপির হজম করা কঠিন হবে, অকল্পনীয় অনেক ব্যাপার ঘটতে পারে: সাবির মুস্তাফা
মবসন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে হাসনাতই সেরা: অনুসন্ধানে উঠে এলো মুখোশের আড়ালের চিত্র
বান্দরবানে কেএনএফ ক্যাম্পে সেনা-জেএসএস যৌথ হামলা, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৪ সেনা নিহতের দাবি
সাংবাদিক এনায়েত শাওনকে হুমকি, নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা
এই সংসদ একটি পরাশক্তির মধ্যস্থতায় গড়ে ওঠা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের সংসদ: জমিয়ত নেতা ইউসুফী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সরকার ও বিরোধীদলের ভূমিকায় কোনো পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী।
তার মতে, দৃশ্যমান কোনো পার্থক্য না থাকায় সংসদ এক পাক্ষিক হয়ে গেছে।
গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব বলেছেন।
আবদুর রব ইউসুফী বলেন, বর্তমান সংসদ একটি পরাশক্তির মধ্যস্থতায় গড়ে ওঠা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের সংসদ।
তার এ ধরনের মন্তব্য নতুন সাইবার আইনের প্রেক্ষাপটে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে আশঙ্কা নিয়েও বিবৃতিটি দিয়েছেন তিনি।
মাওলানা ইউসুফী বলেন, সম্প্রতি জাতীয় সংসদে সাইবার আইন নিয়ে আলোচনা হলেও বিরোধী দলের কেউ আইনের মূল বিরোধিতা করেননি। বরং আইনটি যেন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করা হয়—এমন আহ্বানই জানানো হয়েছে।
তার ভাষ্য, যদি
আইনটির অপব্যবহারের আশঙ্কা থেকেই থাকে, তাহলে এর মৌলিক বিরোধিতা না হওয়ার বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দেয়। তিনি আরও বলেন, অতীতে এ ধরনের আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দলগুলো কঠোর অবস্থান নিয়েছে, সংসদে প্রতিবাদ করেছে এবং ওয়াকআউটের মতো কর্মসূচিও পালন করেছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সে ধরনের কোনো দৃশ্যমান প্রতিবাদ দেখা যায়নি। ভবিষ্যতেও যেন কোনো আইন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না হয় সে আশা প্রকাশ করে এই জমিয়ত নেতা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
আইনটির অপব্যবহারের আশঙ্কা থেকেই থাকে, তাহলে এর মৌলিক বিরোধিতা না হওয়ার বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দেয়। তিনি আরও বলেন, অতীতে এ ধরনের আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দলগুলো কঠোর অবস্থান নিয়েছে, সংসদে প্রতিবাদ করেছে এবং ওয়াকআউটের মতো কর্মসূচিও পালন করেছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সে ধরনের কোনো দৃশ্যমান প্রতিবাদ দেখা যায়নি। ভবিষ্যতেও যেন কোনো আইন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না হয় সে আশা প্রকাশ করে এই জমিয়ত নেতা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।



