ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘সংসার চলে না, চিকিৎসা বন্ধ’— ব্যাংক একীভূতকরণের জাঁতাকলে পিষ্ট ৩ কোটি মানুষের ভবিষ্যৎ
পুরান ঢাকায় গণশৌচাগার দখল করে স্বেচ্ছাসেবক দলের কার্যালয়
শাহবাগে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ৪: প্রশ্নবিদ্ধ নতুন নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য
স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা
রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
এবার ফেনীতে নিজ বাড়ির সামনে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে, গলা-হাত বিচ্ছিন্ন করে হত্যা
সেই মিন্নির কারাজীবনের অজানা অধ্যায় সামনে এলো
চার তরুণকে টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে উদ্ধার
কক্সবাজারের টেকনাফে গহীন পাহাড়ে র্যাব ও পুলিশের যৌথ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত ফেনীর চার তরুণকে উদ্ধার করা হয়েছে।
তারা হলেন- ফেনী জেলার দাগনভূঞা থানার আব্দুল করিমের ছেলে এমাম হোসেন জিসান (২৩), মো. নিজাম উদ্দিনের ছেলে মো. এমাম হোসেন (১৮), পৌরসভার মো. সেলিমের ছেলে তহিদুল ইসলাম তামিম (১৯) ও হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানার জজ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া প্রকাশ হোসাইন (২২)।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কক্সবাজার র্যাব ১৫-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এতে বলা হয়, গত ২৬ জুন রাতে ফেনী থেকে কক্সবাজার টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় এসে হঠাৎ নিখোঁজ
হন এমাম হোসেন জিসান এবং তহিদুল ইসলাম তামিম নামের দুই তরুণ। পরিবারের আবেদনে ২৮ জুন ফেনীর দাগনভূঞা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনার গভীরতা অনুধাবন করে র্যাব-১৫, সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের গোয়েন্দা ও আভিযানিক দল মাঠে নামে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে গোয়েন্দা তথ্যের বিশ্লেষণের পর র্যাব-১৫, সিপিসি-১ এবং টেকনাফ থানা পুলিশ একযোগে অপহরণকারীদের পাহাড়ি আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে ৪ জনকে উদ্ধার করা হয়। অপহরণকারী চক্রটি তাদের গহীন পাহাড়ের আস্তানায় হাত-পা বেঁধে আটকে রেখেছিল। এরপর পরিবারের কাছে ফোন করে জনপ্রতি ৫ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় ভিকটিমদের ওপর চালানো হতো মধ্যযুগীয় বর্বর শারীরিক
নির্যাতন। উদ্ধার না হলে যেকোনো সময় তাদের জীবনহানির আশঙ্কা ছিল।
হন এমাম হোসেন জিসান এবং তহিদুল ইসলাম তামিম নামের দুই তরুণ। পরিবারের আবেদনে ২৮ জুন ফেনীর দাগনভূঞা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনার গভীরতা অনুধাবন করে র্যাব-১৫, সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের গোয়েন্দা ও আভিযানিক দল মাঠে নামে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে গোয়েন্দা তথ্যের বিশ্লেষণের পর র্যাব-১৫, সিপিসি-১ এবং টেকনাফ থানা পুলিশ একযোগে অপহরণকারীদের পাহাড়ি আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে ৪ জনকে উদ্ধার করা হয়। অপহরণকারী চক্রটি তাদের গহীন পাহাড়ের আস্তানায় হাত-পা বেঁধে আটকে রেখেছিল। এরপর পরিবারের কাছে ফোন করে জনপ্রতি ৫ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় ভিকটিমদের ওপর চালানো হতো মধ্যযুগীয় বর্বর শারীরিক
নির্যাতন। উদ্ধার না হলে যেকোনো সময় তাদের জীবনহানির আশঙ্কা ছিল।



