ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘সংসার চলে না, চিকিৎসা বন্ধ’— ব্যাংক একীভূতকরণের জাঁতাকলে পিষ্ট ৩ কোটি মানুষের ভবিষ্যৎ
শাহবাগে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ৪: প্রশ্নবিদ্ধ নতুন নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য
স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা
রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
এবার ফেনীতে নিজ বাড়ির সামনে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে, গলা-হাত বিচ্ছিন্ন করে হত্যা
সেই মিন্নির কারাজীবনের অজানা অধ্যায় সামনে এলো
কুমিল্লায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন শেষে ফেরার পথে গুলিবর্ষণ, রক্তাক্ত ৭ জন
পুরান ঢাকায় গণশৌচাগার দখল করে স্বেচ্ছাসেবক দলের কার্যালয়
পুরান ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে একটি নির্মাণাধীন পাবলিক টয়লেট (গণশৌচাগার) দখল করে কার্যালয় খুলেছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দল।
ধোলাইখাল জলাধার সংস্কার প্রকল্পের আওতায় ২২ কোটি ৮৬ লাখ টাকায় ওই দুটি টয়লেট নির্মাণ করেছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
এর মধ্যে জলাধারের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে নির্মিত টয়লেট ভবনের সামনে “ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দল ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড প্রধান কার্যালয়” লেখা দুটি ব্যানার ঝুলছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কার্যালয়ের ভেতরে রয়েছে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী প্রচারের ব্যানার। সেখানে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. সুমন হোসেন ও সদস্যসচিব মো. পায়েল শেখের ছবিও দেখা যায়।
ধোলাইখাল জলাধার দীর্ঘদিন ধরে দখল ও দূষণের কারণে কার্যত ময়লার ভাগাড়ে পরিণত
হয়। জলাধারটি পুনরুদ্ধার ও আধুনিক জনপরিসরে রূপান্তরের লক্ষ্যে ২০২৩ সালে “ঢাকা সিটি নেইবারহুড আপগ্রেডিং প্রকল্প”-এর আওতায় সংস্কারকাজ শুরু করে ডিএসসিসি। তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস প্রকল্পটি উদ্বোধনের সময় ধোলাইখালকে হাতিরঝিলের চেয়েও দৃষ্টিনন্দন নগর-অবকাশকেন্দ্রে পরিণত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরিকল্পনায় ছিল হাঁটার পথ, সাইকেল ট্র্যাক, সবুজায়ন, উন্মুক্ত মঞ্চ, ঝরনা, শিশুদের খেলার স্থান ও খাবারের ব্যবস্থা। প্রকল্পটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে চারু এন্টারপ্রাইজ ও মাসুদ হাইটেক এন্টারপ্রাইজ। প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৭২ শতাংশ কাজ শেষ দেখিয়ে ঠিকাদারদের ১৪ কোটি ৬ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়। পরে ২২শে এপ্রিল পর্যন্ত অগ্রগতি ৮১.৫৫ শতাংশ দেখানো হয় এবং ৩১শে মের মধ্যে ৯০ শতাংশ কাজ শেষ করার
পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এ সময় আরও ২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বিল দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পের অনেক কাজ এখনো বাকি। এরই মধ্যে প্রকল্পটির নকশাগত ত্রুটি সংশোধনের জন্য ডিএসসিসি অতিরিক্ত প্রায় ৬ কোটি টাকার নতুন একটি প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। তবে সেই কাজ এখনো শুরু হয়নি। জলাধার ঘিরে তিন পাশের দেয়ালের কাজও পুরোপুরি শেষ হয়নি। প্রধান প্রবেশদ্বারের নির্মাণও অসম্পূর্ণ। বাকি রয়েছে প্রায় ৬০০ মিটার সড়কের কাজ। পরিকল্পনায় থাকা ২০টি বেঞ্চ এখনো স্থাপন করা হয়নি। কাজ শুরু হয়নি সবুজায়নের। প্রকল্পের দুটি পাবলিক টয়লেটের মধ্যে একটি ব্যবহারের উপযোগী হলেও দক্ষিণ-পশ্চিম পাশের টয়লেটটির অবকাঠামোগত নির্মাণ শেষ হওয়ার পরও ফিনিশিংয়ের কাজ বাকি রয়েছে। বর্তমানে এই
স্থাপনাটিই রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান চারু এন্টারপ্রাইজের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান বলেন, “টয়লেটটির মূল অবকাঠামোগত কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু ফিনিশিংয়ের কাজ বাকি। ৫ই আগস্টের পর থেকে সেখানে স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যানার টানিয়ে কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে আমরা বাকি কাজ শেষ করতে পারছি না।” ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা রিয়াজুল কবির অবশ্য বিষয়টিকে সাময়িক ব্যবহার হিসেবে দাবি করেন। তিনি বলেন, “ডিজাইনে কিছু কারিগরি ত্রুটির কারণে টয়লেটটির কাজ একসময় বন্ধ ছিল। ওই সময়ে কোরবানির ঈদের পশুর হাট বসেছিল। তখন স্থানীয়ভাবে কিছু লোক সেখানে বসেছিল। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। দ্বিতীয় প্যাকেজের কাজ শুরু হলেই তারা জায়গাটি ছেড়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন।” প্রকল্প
পরিচালক রাজিব খাদেম বলেন, “আমাদের এস্টেট বিভাগ থেকে বিষয়টি লিখিতভাবে সম্পত্তি বিভাগকে জানানো হয়েছে। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।” টয়লেট দখল করা প্রসঙ্গে সূত্রাপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাজিম বলেন, “এখানে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও মাদক বেচাকেনা হতো। বর্তমানে আমাদের কার্যালয় না থাকায় দলের পরামর্শে আপাতত এখানে বসছি। প্রকল্পের কাজ শুরু হলে ছেড়ে দেব।”
হয়। জলাধারটি পুনরুদ্ধার ও আধুনিক জনপরিসরে রূপান্তরের লক্ষ্যে ২০২৩ সালে “ঢাকা সিটি নেইবারহুড আপগ্রেডিং প্রকল্প”-এর আওতায় সংস্কারকাজ শুরু করে ডিএসসিসি। তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস প্রকল্পটি উদ্বোধনের সময় ধোলাইখালকে হাতিরঝিলের চেয়েও দৃষ্টিনন্দন নগর-অবকাশকেন্দ্রে পরিণত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরিকল্পনায় ছিল হাঁটার পথ, সাইকেল ট্র্যাক, সবুজায়ন, উন্মুক্ত মঞ্চ, ঝরনা, শিশুদের খেলার স্থান ও খাবারের ব্যবস্থা। প্রকল্পটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে চারু এন্টারপ্রাইজ ও মাসুদ হাইটেক এন্টারপ্রাইজ। প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৭২ শতাংশ কাজ শেষ দেখিয়ে ঠিকাদারদের ১৪ কোটি ৬ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়। পরে ২২শে এপ্রিল পর্যন্ত অগ্রগতি ৮১.৫৫ শতাংশ দেখানো হয় এবং ৩১শে মের মধ্যে ৯০ শতাংশ কাজ শেষ করার
পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এ সময় আরও ২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বিল দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পের অনেক কাজ এখনো বাকি। এরই মধ্যে প্রকল্পটির নকশাগত ত্রুটি সংশোধনের জন্য ডিএসসিসি অতিরিক্ত প্রায় ৬ কোটি টাকার নতুন একটি প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। তবে সেই কাজ এখনো শুরু হয়নি। জলাধার ঘিরে তিন পাশের দেয়ালের কাজও পুরোপুরি শেষ হয়নি। প্রধান প্রবেশদ্বারের নির্মাণও অসম্পূর্ণ। বাকি রয়েছে প্রায় ৬০০ মিটার সড়কের কাজ। পরিকল্পনায় থাকা ২০টি বেঞ্চ এখনো স্থাপন করা হয়নি। কাজ শুরু হয়নি সবুজায়নের। প্রকল্পের দুটি পাবলিক টয়লেটের মধ্যে একটি ব্যবহারের উপযোগী হলেও দক্ষিণ-পশ্চিম পাশের টয়লেটটির অবকাঠামোগত নির্মাণ শেষ হওয়ার পরও ফিনিশিংয়ের কাজ বাকি রয়েছে। বর্তমানে এই
স্থাপনাটিই রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান চারু এন্টারপ্রাইজের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান বলেন, “টয়লেটটির মূল অবকাঠামোগত কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু ফিনিশিংয়ের কাজ বাকি। ৫ই আগস্টের পর থেকে সেখানে স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যানার টানিয়ে কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে আমরা বাকি কাজ শেষ করতে পারছি না।” ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা রিয়াজুল কবির অবশ্য বিষয়টিকে সাময়িক ব্যবহার হিসেবে দাবি করেন। তিনি বলেন, “ডিজাইনে কিছু কারিগরি ত্রুটির কারণে টয়লেটটির কাজ একসময় বন্ধ ছিল। ওই সময়ে কোরবানির ঈদের পশুর হাট বসেছিল। তখন স্থানীয়ভাবে কিছু লোক সেখানে বসেছিল। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। দ্বিতীয় প্যাকেজের কাজ শুরু হলেই তারা জায়গাটি ছেড়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন।” প্রকল্প
পরিচালক রাজিব খাদেম বলেন, “আমাদের এস্টেট বিভাগ থেকে বিষয়টি লিখিতভাবে সম্পত্তি বিভাগকে জানানো হয়েছে। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।” টয়লেট দখল করা প্রসঙ্গে সূত্রাপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাজিম বলেন, “এখানে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও মাদক বেচাকেনা হতো। বর্তমানে আমাদের কার্যালয় না থাকায় দলের পরামর্শে আপাতত এখানে বসছি। প্রকল্পের কাজ শুরু হলে ছেড়ে দেব।”



