ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
চার তরুণকে টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে উদ্ধার
কক্সবাজারের টেকনাফে গহীন পাহাড়ে র্যাব ও পুলিশের যৌথ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত ফেনীর চার তরুণকে উদ্ধার করা হয়েছে।
তারা হলেন- ফেনী জেলার দাগনভূঞা থানার আব্দুল করিমের ছেলে এমাম হোসেন জিসান (২৩), মো. নিজাম উদ্দিনের ছেলে মো. এমাম হোসেন (১৮), পৌরসভার মো. সেলিমের ছেলে তহিদুল ইসলাম তামিম (১৯) ও হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানার জজ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া প্রকাশ হোসাইন (২২)।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কক্সবাজার র্যাব ১৫-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এতে বলা হয়, গত ২৬ জুন রাতে ফেনী থেকে কক্সবাজার টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় এসে হঠাৎ নিখোঁজ
হন এমাম হোসেন জিসান এবং তহিদুল ইসলাম তামিম নামের দুই তরুণ। পরিবারের আবেদনে ২৮ জুন ফেনীর দাগনভূঞা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনার গভীরতা অনুধাবন করে র্যাব-১৫, সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের গোয়েন্দা ও আভিযানিক দল মাঠে নামে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে গোয়েন্দা তথ্যের বিশ্লেষণের পর র্যাব-১৫, সিপিসি-১ এবং টেকনাফ থানা পুলিশ একযোগে অপহরণকারীদের পাহাড়ি আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে ৪ জনকে উদ্ধার করা হয়। অপহরণকারী চক্রটি তাদের গহীন পাহাড়ের আস্তানায় হাত-পা বেঁধে আটকে রেখেছিল। এরপর পরিবারের কাছে ফোন করে জনপ্রতি ৫ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় ভিকটিমদের ওপর চালানো হতো মধ্যযুগীয় বর্বর শারীরিক
নির্যাতন। উদ্ধার না হলে যেকোনো সময় তাদের জীবনহানির আশঙ্কা ছিল।
হন এমাম হোসেন জিসান এবং তহিদুল ইসলাম তামিম নামের দুই তরুণ। পরিবারের আবেদনে ২৮ জুন ফেনীর দাগনভূঞা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনার গভীরতা অনুধাবন করে র্যাব-১৫, সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের গোয়েন্দা ও আভিযানিক দল মাঠে নামে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে গোয়েন্দা তথ্যের বিশ্লেষণের পর র্যাব-১৫, সিপিসি-১ এবং টেকনাফ থানা পুলিশ একযোগে অপহরণকারীদের পাহাড়ি আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে ৪ জনকে উদ্ধার করা হয়। অপহরণকারী চক্রটি তাদের গহীন পাহাড়ের আস্তানায় হাত-পা বেঁধে আটকে রেখেছিল। এরপর পরিবারের কাছে ফোন করে জনপ্রতি ৫ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় ভিকটিমদের ওপর চালানো হতো মধ্যযুগীয় বর্বর শারীরিক
নির্যাতন। উদ্ধার না হলে যেকোনো সময় তাদের জীবনহানির আশঙ্কা ছিল।





