ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ কেন ফুটবল দলের কোচের মতো
যুক্তরাজ্যে তাপপ্রবাহের ‘লাল সতর্কতা’, ৩৯ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে তাপমাত্রা
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার
পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
তৃণমূলের বিদায়ের পর প্রথম বাজেট বিজেপির
সৌদি আরব, আমিরাতে আটক ৯০% ভিক্ষুক, পকেটমার, চোরই পাকিস্তানি নাগরিক
চীন-ভারত কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান, স্থগিত আলোচনা চালুর ওপর জোর
চীন ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা বিভিন্ন কৌশলগত আলোচনা দ্রুত চালুর আহ্বান জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই। তিনি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, অর্থনীতি, আইন প্রয়োগ ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
সোমবার নয়াদিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন ওয়াং ই। ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লি গেছেন তিনি। মঙ্গলবার ভোরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, দুই দেশের একে অপরকে সম্মান করা এবং সংবেদনশীল বিষয়গুলো সতর্কতার সঙ্গে মোকাবিলা করা উচিত।
সীমান্ত বিরোধ যেন সামগ্রিক সম্পর্কে প্রভাব না ফেলে, সেদিকে নজর রাখার আহ্বানও জানান তিনি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যেও এই বৈঠককে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ডোভাল ও ওয়াং ইর মধ্যকার আলোচনা ছিল “গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী”, যেখানে মূল মনোযোগ ছিল ভারত-চীন সম্পর্কের পূর্বানুমানযোগ্যতা ও স্থিতিশীলতার ওপর। তিনি বলেন, দুই পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছে এবং ধীরে ধীরে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের দিকে অগ্রগতি লক্ষ্য করেছে। জয়সওয়াল আরও জানান, বৈঠকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) সংলগ্ন এলাকার সার্বিক পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করেছেন দুই কর্মকর্তা। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ডোভাল বৈঠকে জোর দিয়ে বলেন, স্থিতিশীল, পূর্বানুমানযোগ্য ও গঠনমূলক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক দুই
দেশের মধ্যে আস্থা গড়ে তুলতে এবং পরস্পরের প্রতি আরও ভালো বোঝাপড়া তৈরিতে সহায়ক হবে। এই বৈঠক এমন এক সময়ে হলো, যখন দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৫০টি সরকার পর্যায়ের কৌশলগত আলোচনার বেশিরভাগই দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। এর আগে চলতি মাসে ভারতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জু ফেইহংও বেঙ্গালুরুতে একই উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছিলেন। ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতেও বলা হয়, সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোচ্ছে বলে দুই নেতা মত দিয়েছেন। তবে বাস্তবে এই প্রক্রিয়া এখনো ধীরগতির বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় চালুর মতো বিষয়েও এখনো আলোচনা চলছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, ওয়াং ই বৈঠকে বলেন, চীন ও ভারত বিশ্বের সবচেয়ে
জনবহুল দুটি দেশ এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শক্তি। দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনায় সম্পর্ক ধীরে ধীরে কঠিন সময় পার করে উন্নয়নের পথে ফিরছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, চীন ও ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং অংশীদার, এবং দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সমঝোতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশ্বের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক ইস্যুতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। ওয়াং ই আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগাযোগ পুনরায় শুরু হয়েছে এবং সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত ও স্থিতিশীল রয়েছে। এই অগ্রগতিকে গুরুত্ব দিয়ে সম্পর্ক উন্নয়নে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি। তার
মতে, দুই দেশ একে অপরের উন্নয়নে সহযোগিতা করার পাশাপাশি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর আধুনিকায়নেও যৌথ ভূমিকা রাখতে পারে। বৈঠকে বাণিজ্য, অর্থনীতি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা এবং গণমাধ্যম খাতে কৌশলগত আলোচনা দ্রুত চালুর ওপরও জোর দেন ওয়াং ই। তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা গড়ে তুলে পারস্পরিক আস্থার ভিত্তি আরও মজবুত করতে হবে। ব্রিকস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চীন, ভারত ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের উচিত একসঙ্গে কাজ করে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে আরও ন্যায়সঙ্গত ও ভারসাম্যপূর্ণ করা। চীনের বিবৃতিতে অজিত ডোভালের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, ভারত ও চীন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার, এবং একটি স্থিতিশীল ও গঠনমূলক সম্পর্ক দুই দেশেরই স্বার্থ রক্ষা করে।
তিনি জানান, ভারত কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয় এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যকার সমঝোতা বাস্তবায়নে কাজ করতে চায়। মতপার্থক্য থাকলেও তা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের পক্ষে মত দেন তিনি। চীনের বিবৃতি অনুযায়ী, ডোভাল নতুন চীনকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি হিসেবে ভারতের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেন, পাশাপাশি তাইওয়ান প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন না হওয়ার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। এদিকে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের পরবর্তী বৈঠকের জন্য অজিত ডোভালের বেইজিং সফরের প্রস্তুতি চলছে, যাকে সম্পর্ক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে কূটনৈতিক মহল। এই সফরের মাধ্যমে আগামী সেপ্টেম্বরের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ভারত সফরে আসবেন কি
না, তার কিছু ইঙ্গিতও পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়ায় নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করা হলেও, সীমান্ত ইস্যুসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো অমীমাংসিত থাকায় এই অগ্রগতির গতি কতটা ত্বরান্বিত হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।
সীমান্ত বিরোধ যেন সামগ্রিক সম্পর্কে প্রভাব না ফেলে, সেদিকে নজর রাখার আহ্বানও জানান তিনি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যেও এই বৈঠককে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ডোভাল ও ওয়াং ইর মধ্যকার আলোচনা ছিল “গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী”, যেখানে মূল মনোযোগ ছিল ভারত-চীন সম্পর্কের পূর্বানুমানযোগ্যতা ও স্থিতিশীলতার ওপর। তিনি বলেন, দুই পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছে এবং ধীরে ধীরে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের দিকে অগ্রগতি লক্ষ্য করেছে। জয়সওয়াল আরও জানান, বৈঠকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) সংলগ্ন এলাকার সার্বিক পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করেছেন দুই কর্মকর্তা। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ডোভাল বৈঠকে জোর দিয়ে বলেন, স্থিতিশীল, পূর্বানুমানযোগ্য ও গঠনমূলক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক দুই
দেশের মধ্যে আস্থা গড়ে তুলতে এবং পরস্পরের প্রতি আরও ভালো বোঝাপড়া তৈরিতে সহায়ক হবে। এই বৈঠক এমন এক সময়ে হলো, যখন দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৫০টি সরকার পর্যায়ের কৌশলগত আলোচনার বেশিরভাগই দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। এর আগে চলতি মাসে ভারতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জু ফেইহংও বেঙ্গালুরুতে একই উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছিলেন। ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতেও বলা হয়, সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোচ্ছে বলে দুই নেতা মত দিয়েছেন। তবে বাস্তবে এই প্রক্রিয়া এখনো ধীরগতির বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় চালুর মতো বিষয়েও এখনো আলোচনা চলছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, ওয়াং ই বৈঠকে বলেন, চীন ও ভারত বিশ্বের সবচেয়ে
জনবহুল দুটি দেশ এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শক্তি। দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনায় সম্পর্ক ধীরে ধীরে কঠিন সময় পার করে উন্নয়নের পথে ফিরছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, চীন ও ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং অংশীদার, এবং দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সমঝোতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশ্বের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক ইস্যুতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। ওয়াং ই আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগাযোগ পুনরায় শুরু হয়েছে এবং সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত ও স্থিতিশীল রয়েছে। এই অগ্রগতিকে গুরুত্ব দিয়ে সম্পর্ক উন্নয়নে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি। তার
মতে, দুই দেশ একে অপরের উন্নয়নে সহযোগিতা করার পাশাপাশি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর আধুনিকায়নেও যৌথ ভূমিকা রাখতে পারে। বৈঠকে বাণিজ্য, অর্থনীতি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা এবং গণমাধ্যম খাতে কৌশলগত আলোচনা দ্রুত চালুর ওপরও জোর দেন ওয়াং ই। তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা গড়ে তুলে পারস্পরিক আস্থার ভিত্তি আরও মজবুত করতে হবে। ব্রিকস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চীন, ভারত ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের উচিত একসঙ্গে কাজ করে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে আরও ন্যায়সঙ্গত ও ভারসাম্যপূর্ণ করা। চীনের বিবৃতিতে অজিত ডোভালের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, ভারত ও চীন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার, এবং একটি স্থিতিশীল ও গঠনমূলক সম্পর্ক দুই দেশেরই স্বার্থ রক্ষা করে।
তিনি জানান, ভারত কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয় এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যকার সমঝোতা বাস্তবায়নে কাজ করতে চায়। মতপার্থক্য থাকলেও তা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের পক্ষে মত দেন তিনি। চীনের বিবৃতি অনুযায়ী, ডোভাল নতুন চীনকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি হিসেবে ভারতের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেন, পাশাপাশি তাইওয়ান প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন না হওয়ার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। এদিকে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের পরবর্তী বৈঠকের জন্য অজিত ডোভালের বেইজিং সফরের প্রস্তুতি চলছে, যাকে সম্পর্ক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে কূটনৈতিক মহল। এই সফরের মাধ্যমে আগামী সেপ্টেম্বরের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ভারত সফরে আসবেন কি
না, তার কিছু ইঙ্গিতও পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়ায় নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করা হলেও, সীমান্ত ইস্যুসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো অমীমাংসিত থাকায় এই অগ্রগতির গতি কতটা ত্বরান্বিত হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।



