ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মেসির রেকর্ড গড়া গোলটি অবৈধ ছিল, বললেন সাবেক গোলরক্ষক
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ২-০ গোলে জেতার ম্যাচে লিওনেল মেসি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড গড়েছেন। তবে ডেনমার্কের সাবেক গোলরক্ষক পিটার স্মাইকেলের মতে, মেসির ওই গোলটি বাতিল করা উচিত ছিল।
ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আর্জেন্টিনার এক দ্রুত আক্রমণ থেকে বাম পায়ের চমৎকার শটে গোল করেন মেসি। এই গোলের মাধ্যমে তিনি জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ভেঙে দেন।
অবশ্য এই গোলের ঠিক ৫ মিনিট আগেই মেসি একটি পেনাল্টি মিস করেছিলেন। ডি-বক্সের ভেতরে লাউতারো মার্তিনেস ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু ৩৯ বছর বয়সী মেসি শটটি পোস্টের বাইরে মারেন।
পেনাল্টি মিসের ধাক্কা সামলে মেসি দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ান এবং ৫ মিনিট পর গোল করে রেকর্ড
নিজের নামে করেন। এরপর ম্যাচের শেষ সময়ে (ইনজুরি টাইম) তিনি আরও একটি গোল করে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা ১৮-তে নিয়ে যান। তবে স্মাইকেলের দাবি, প্রথম গোলটির আক্রমণের শুরুতে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় ফাউল করেছিলেন। ফক্স স্পোর্টসের হয়ে বিশ্বকাপ বিশ্লেষণ করতে এসে স্মাইকেল জানান, অস্ট্রিয়ার মিডফিল্ডার হাভার শ্লাগারকে লতি মেরে ফেলে দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার আলেক্সিস মাক আলিস্তার। স্মাইকেল বলেন, ‘ওটা নির্ঘাত ফ্রি-কিক ছিল। মাক আলিস্তার খেলোয়াড়টিকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছেন। রেফারির উচিত ছিল ফ্রি-কিক দেওয়া এবং ভিএআর (VAR)-এর মাধ্যমে গোলটি বাতিল করা। এটি রেফারির একটি মস্ত বড় ভুল।’ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই গোলরক্ষক আরও যোগ করেন, ‘আর এই কারণেই আমার এত খারাপ লাগছে।’ তবে যত সমালোচনাই হোক না
কেন, ম্যাচের শেষ দিকে মেসির করা দ্বিতীয় গোলটি তাকে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনে একদম নিরাপদে বসিয়ে দিয়েছে। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক এখন ক্লোসা, রোনালদো নাজারিও এবং গার্ড মুলারকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবার ওপরে। রেকর্ডের এই আনন্দের দিনে মেসির নামের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডও জুড়ে গেছে। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিসের মাধ্যমে বিশ্বকাপে মোট ৩টি পেনাল্টি মিস করলেন তিনি, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্য সর্বোচ্চ।
নিজের নামে করেন। এরপর ম্যাচের শেষ সময়ে (ইনজুরি টাইম) তিনি আরও একটি গোল করে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা ১৮-তে নিয়ে যান। তবে স্মাইকেলের দাবি, প্রথম গোলটির আক্রমণের শুরুতে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় ফাউল করেছিলেন। ফক্স স্পোর্টসের হয়ে বিশ্বকাপ বিশ্লেষণ করতে এসে স্মাইকেল জানান, অস্ট্রিয়ার মিডফিল্ডার হাভার শ্লাগারকে লতি মেরে ফেলে দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার আলেক্সিস মাক আলিস্তার। স্মাইকেল বলেন, ‘ওটা নির্ঘাত ফ্রি-কিক ছিল। মাক আলিস্তার খেলোয়াড়টিকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছেন। রেফারির উচিত ছিল ফ্রি-কিক দেওয়া এবং ভিএআর (VAR)-এর মাধ্যমে গোলটি বাতিল করা। এটি রেফারির একটি মস্ত বড় ভুল।’ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই গোলরক্ষক আরও যোগ করেন, ‘আর এই কারণেই আমার এত খারাপ লাগছে।’ তবে যত সমালোচনাই হোক না
কেন, ম্যাচের শেষ দিকে মেসির করা দ্বিতীয় গোলটি তাকে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনে একদম নিরাপদে বসিয়ে দিয়েছে। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক এখন ক্লোসা, রোনালদো নাজারিও এবং গার্ড মুলারকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবার ওপরে। রেকর্ডের এই আনন্দের দিনে মেসির নামের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডও জুড়ে গেছে। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিসের মাধ্যমে বিশ্বকাপে মোট ৩টি পেনাল্টি মিস করলেন তিনি, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্য সর্বোচ্চ।



