ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজস্ব ঘাটতির চাপ তীব্র, বাড়ছে অর্থ ব্যবস্থাপনার সংকট
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কিনা সেটি নির্ধারিত হবে আদালতে: ডা. জাহেদ
সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল নয়, বাদীর আবেদন নথিভুক্ত
জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য আওয়ামী লীগের নতুন করে দেশ গড়ার প্রত্যয়
কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের প্রতিবেদনের জবাবে ওবায়দুল কাদেরের জবাব- গণতন্ত্র ও স্থিতিশীল রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৬ দফা দাবী
বিটিভিতে খরচের বাম্পার ফলন; আয়ের ৩০ গুণ বেশি খরচ
আওয়ামী লীগ ঠেকাতে মরিয়া সরকার; পুলিশ-র্যাব-আর্মির পর এবার যুক্ত হলো বিজিবি
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে দলটিকে ঠেকাতে একের পর এক নিরাপত্তা বাহিনী মাঠে নামাচ্ছে সরকার। পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর পর এবার যুক্ত হলো বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (২২ জুন) বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কক্সবাজার, মাদারীপুর, শেরপুর, গাজীপুর ও মৌলভীবাজার—এই পাঁচ জেলায় ৩০ জুন পর্যন্ত বিজিবির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই পাঁচ জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এর বাইরে অন্য জেলাগুলোতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের ‘স্ট্যান্ডবাই’ রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
আওয়ামী লীগের ২৩ জুনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে গত
কয়েকদিন ধরেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে দলটির নেতাকর্মীদের সভা-সমাবেশ-মিছিল এবং তাদের গ্রেপ্তারের খবর একের পর এক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। বিজিবি মোতায়েনের আগে সোমবার ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুর মহানগর এবং নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছিল সরকার। ওই জেলাগুলোতে সেনা কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ে একটি ‘জরুরি বার্তা’ পাঠানো হয়েছে। বার্তায় সারাদেশের পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন এবং নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবি—চারটি বাহিনীর সম্মিলিত এই মোতায়েন ও সতর্কতা সরকারের উদ্বেগের মাত্রা স্পষ্ট করে দিচ্ছে বলে মনে
করছেন পর্যবেক্ষকরা।
কয়েকদিন ধরেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে দলটির নেতাকর্মীদের সভা-সমাবেশ-মিছিল এবং তাদের গ্রেপ্তারের খবর একের পর এক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। বিজিবি মোতায়েনের আগে সোমবার ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুর মহানগর এবং নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছিল সরকার। ওই জেলাগুলোতে সেনা কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ে একটি ‘জরুরি বার্তা’ পাঠানো হয়েছে। বার্তায় সারাদেশের পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন এবং নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবি—চারটি বাহিনীর সম্মিলিত এই মোতায়েন ও সতর্কতা সরকারের উদ্বেগের মাত্রা স্পষ্ট করে দিচ্ছে বলে মনে
করছেন পর্যবেক্ষকরা।



