ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এমপিপুত্র যুবদল নেতা আটক
হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে সংসদে উত্তেজনা
মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
নতুন বেতন কাঠামোতে আরও যেসব সুবিধা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
কয়লা খনির ময়লা পানিতে জীবনের রঙিন স্বপ্ন
৫ বছর আগেই ‘জাস্টিস ফর হাদি’ গ্রুপ: হাদি কিলিং মিশিন কি পুরনো ‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’?
যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা? আবারও বদলে গেল পুলিশের পোশাক
ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার সেই শিবির নেতা ২ দিনের রিমান্ডে
ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে করা মামলায় কারাগারে যাওয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদ্য বহিষ্কৃত নেতা জিসান মিয়া প্রধানের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার দুপুরে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন এই আদেশ দেন। কুমিল্লা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রোববার আদালতে শিবির নেতা জিসানের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে তদন্তকারী সংস্থা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ১১ জুন রাতে দাউদকান্দি সদর থেকে ‘আত্মগোপনে’ চলে যান ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি
জিসান মিয়া প্রধান। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছেন দাবি করে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরদিন শুক্রবার রাত ৯টার দিকে জেলার লাকসাম জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারী বাদী হয়ে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ওই নারী উল্লেখ করেন, গত ৫-৬ মাস আগে শিবির নেতা জিসানের সঙ্গে ফেসবুকে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে দুজনে মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। ওই নারীর ভাষ্য, গত ২০ মে শিবির নেতা জিসান
তার দাউদকান্দির ভাড়া বাসায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়লে জিসান ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করেন। ওই নারী সুস্থ হয়ে উঠে জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। গত শুক্রবার উভয়ের বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে সেই বিয়ে এড়াতেই ‘নিখোঁজের নাটক’ সাজান শিবির নেতা জিসান। এদিকে পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে ভর্তির পর গত রোববার জিসানের শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করতে চার সদস্যবিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মেডিকেল বোর্ড তাকে সুস্থ বলে প্রতিবেদন জমা দিলে গত মঙ্গলবার ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরে বিকেলে জিসানকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে তিনি কারাগারেই আছেন। জিসানের আইনজীবী মনির হোসেন
পাটোয়ারী বলেন, মামলার অভিযোগই সঠিক নয়। তাই আমরা আসামির রিমান্ডের বিরোধিতা করেছি। তার দাবি, মামলার প্রথম অভিযোগের তারিখের সঙ্গে দ্বিতীয় অভিযোগের তারিখ আংশিক পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় মামলার অভিযোগ সাজানো। জেলা ডিবির ওসি শামসুল আলম শাহ বলেন, মামলাটি বেশ আলোচিত। তাই অধিক গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত চলছে। আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার মোবাইল ফোন উদ্ধারসহ আরও বেশ কিছু তথ্য বের হতে পারে।
জিসান মিয়া প্রধান। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছেন দাবি করে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরদিন শুক্রবার রাত ৯টার দিকে জেলার লাকসাম জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারী বাদী হয়ে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ওই নারী উল্লেখ করেন, গত ৫-৬ মাস আগে শিবির নেতা জিসানের সঙ্গে ফেসবুকে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে দুজনে মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। ওই নারীর ভাষ্য, গত ২০ মে শিবির নেতা জিসান
তার দাউদকান্দির ভাড়া বাসায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়লে জিসান ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করেন। ওই নারী সুস্থ হয়ে উঠে জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। গত শুক্রবার উভয়ের বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে সেই বিয়ে এড়াতেই ‘নিখোঁজের নাটক’ সাজান শিবির নেতা জিসান। এদিকে পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে ভর্তির পর গত রোববার জিসানের শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করতে চার সদস্যবিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মেডিকেল বোর্ড তাকে সুস্থ বলে প্রতিবেদন জমা দিলে গত মঙ্গলবার ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরে বিকেলে জিসানকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে তিনি কারাগারেই আছেন। জিসানের আইনজীবী মনির হোসেন
পাটোয়ারী বলেন, মামলার অভিযোগই সঠিক নয়। তাই আমরা আসামির রিমান্ডের বিরোধিতা করেছি। তার দাবি, মামলার প্রথম অভিযোগের তারিখের সঙ্গে দ্বিতীয় অভিযোগের তারিখ আংশিক পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় মামলার অভিযোগ সাজানো। জেলা ডিবির ওসি শামসুল আলম শাহ বলেন, মামলাটি বেশ আলোচিত। তাই অধিক গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত চলছে। আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার মোবাইল ফোন উদ্ধারসহ আরও বেশ কিছু তথ্য বের হতে পারে।



