ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা? আবারও বদলে গেল পুলিশের পোশাক
অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ নগরবাসী: আওয়ামী লীগের মিছিল ক্রমশ দীর্ঘতর: বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ
গাঢ় নীল-জলপাই রঙের শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্ট হবে খাকি
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
একসময়ের পানির উৎস, এখন মরণফাঁদ: সাড়ে ৩০০ বছরের ইতিহাস এখন ময়লার ভাগাড়
৫ বছর আগেই ‘জাস্টিস ফর হাদি’ গ্রুপ: হাদি কিলিং মিশিন কি পুরনো ‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’?
একটি সাধারণ ফেসবুক গ্রুপ, অথচ তার ‘গ্রুপ হিস্ট্রি’ ঘাঁটতেই বেরিয়ে এলো চোখ কপালে ওঠার মতো তথ্য। বর্তমানের “Voice of Sadiq Kayem” নামের গ্রুপটি আসলে তৈরি হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে, ১৬ই ডিসেম্বর ২০২১ সালে। আর জন্মের দিনই গ্রুপটির নাম দেওয়া হয়েছিল “Justice for Hadi”।
২০২১ সালে যখন ওসমান হাদি সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত কোনো মুখই ছিলেন না, তখন থেকেই তার নামে জাস্টিস চেয়ে গ্রুপ খোলা এবং পরবর্তীতে দফায় দফায় নাম বদল—সব মিলিয়ে জনমনে এখন তীব্র প্রশ্ন দানা বাঁধছে: ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড কি তবে হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা নয়? এর নেপথ্যে কি ২০২১ সাল থেকেই সুক্ষ্ম কোনো ছক বা
‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’ কাজ করছিল? একই প্ল্যাটফর্ম, বারবার নামবদল! অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২১ সালে যাত্রা শুরু করার পর থেকে গ্রুপটি একে একে বেশ কয়েকটি নাম পরিবর্তন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে: Justice for Hadi (১৬ই ডিসেম্বর ২০২১) ইসলাম শান্তির ধর্ম Dr. Shafiqur Rahman Holy Al-Quran Dr. Md. Shafiqul Islam Masud Fans Justice For Hadi (পুনরায়) Voice of Sadiq Kayem (বর্তমান নাম) বিশ্লেষকদের মতে, এটি কি শুধুই সাধারণ নাম পরিবর্তন, নাকি একই অ্যাডমিন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে নতুন নতুন ইস্যু, জনআবেগ আর ধর্মীয় বয়ান ছড়িয়ে নির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা? কে এই ওসমান হাদি? সাধারণ মানুষের কাছে অপরিচিত হলেও জামায়াত-শিবির ঘরানার মানুষের কাছে ওসমান হাদি ছাত্রজীবন থেকেই
বেশ পরিচিত মুখ ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন তিনি শিবির সংশ্লিষ্ট ‘সাইফুর’স কোচিং’-এর ইংরেজি শিক্ষক ছিলেন। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিচ্ছুদের জন্য তার একটি বইও প্রকাশিত হয়। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি ‘ইউনিভার্সিটি অফ স্কলার্স’-এ ফ্যাকাল্টি হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন। কম টিউশন ফির জন্য পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়টির পেছনে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সাহায্য তহবিলের অর্থায়নের গুঞ্জন রয়েছে। ঘনীভূত হচ্ছে ষড়যন্ত্রের জট গ্রুপটির নামকরণের এই ধারাবাহিকতা দেখে তাজ্জব বনে গেছেন সাইবার বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। শুরু থেকেই এই গ্রুপটি কোনো না কোনোভাবে একটি নির্দিষ্ট কমিউনিটির স্বার্থ বা পারপাস সার্ভ করে আসছিল এবং তাদের সবাইকে একই প্ল্যাটফর্মে ধরে রেখেছিল। যার চূড়ান্ত ও সর্বোচ্চ ব্যবহার দেখা গেছে হাদি হত্যাকাণ্ডের পর। প্রশ্ন
উঠছে, তবে কি হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো দীর্ঘমেয়াদি ব্লুপ্রিন্ট ছিল? নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কি আগে থেকেই পরিকল্পনা সাজিয়ে রাখা হয়েছিল? এই রহস্যময় অ্যাডমিন নেটওয়ার্কের আসল পরিচয় ও উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখতে জোর দাবি উঠেছে সচেতন মহলে।
‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’ কাজ করছিল? একই প্ল্যাটফর্ম, বারবার নামবদল! অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২১ সালে যাত্রা শুরু করার পর থেকে গ্রুপটি একে একে বেশ কয়েকটি নাম পরিবর্তন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে: Justice for Hadi (১৬ই ডিসেম্বর ২০২১) ইসলাম শান্তির ধর্ম Dr. Shafiqur Rahman Holy Al-Quran Dr. Md. Shafiqul Islam Masud Fans Justice For Hadi (পুনরায়) Voice of Sadiq Kayem (বর্তমান নাম) বিশ্লেষকদের মতে, এটি কি শুধুই সাধারণ নাম পরিবর্তন, নাকি একই অ্যাডমিন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে নতুন নতুন ইস্যু, জনআবেগ আর ধর্মীয় বয়ান ছড়িয়ে নির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা? কে এই ওসমান হাদি? সাধারণ মানুষের কাছে অপরিচিত হলেও জামায়াত-শিবির ঘরানার মানুষের কাছে ওসমান হাদি ছাত্রজীবন থেকেই
বেশ পরিচিত মুখ ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন তিনি শিবির সংশ্লিষ্ট ‘সাইফুর’স কোচিং’-এর ইংরেজি শিক্ষক ছিলেন। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিচ্ছুদের জন্য তার একটি বইও প্রকাশিত হয়। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি ‘ইউনিভার্সিটি অফ স্কলার্স’-এ ফ্যাকাল্টি হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন। কম টিউশন ফির জন্য পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়টির পেছনে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সাহায্য তহবিলের অর্থায়নের গুঞ্জন রয়েছে। ঘনীভূত হচ্ছে ষড়যন্ত্রের জট গ্রুপটির নামকরণের এই ধারাবাহিকতা দেখে তাজ্জব বনে গেছেন সাইবার বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। শুরু থেকেই এই গ্রুপটি কোনো না কোনোভাবে একটি নির্দিষ্ট কমিউনিটির স্বার্থ বা পারপাস সার্ভ করে আসছিল এবং তাদের সবাইকে একই প্ল্যাটফর্মে ধরে রেখেছিল। যার চূড়ান্ত ও সর্বোচ্চ ব্যবহার দেখা গেছে হাদি হত্যাকাণ্ডের পর। প্রশ্ন
উঠছে, তবে কি হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো দীর্ঘমেয়াদি ব্লুপ্রিন্ট ছিল? নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কি আগে থেকেই পরিকল্পনা সাজিয়ে রাখা হয়েছিল? এই রহস্যময় অ্যাডমিন নেটওয়ার্কের আসল পরিচয় ও উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখতে জোর দাবি উঠেছে সচেতন মহলে।



