ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
ছয় দেশের ৭০ জন চিহ্নিত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আতিউরসহ ১০ কর্মকর্তা
২১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
বেনজীরকে দেশে আনতে সামনে যেসব বাধা
আলিবাবার বিনিয়োগ বন্ধ, ব্যবসা গোটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে দারাজ বাংলাদেশ
প্রবাসীদের বিক্ষোভের অতীত স্মৃতি স্মরণ করে লন্ডন সফর বাতিল করেন শফিকুল
বেনজীরের ‘ক্যাশিয়ার’ থেকে বিএনপির এমপি — জসিম উদ্দিনের বিস্ময়কর রাজনৈতিক পুনর্জন্ম
একসময়ের পানির উৎস, এখন মরণফাঁদ: সাড়ে ৩০০ বছরের ইতিহাস এখন ময়লার ভাগাড়
দেখে চেনার উপায় নেই যে এটি একসময় চট্টগ্রাম নগরীর ফুসফুস ও অন্যতম প্রধান পানির উৎস ছিল। চারপাশের আধুনিক বহুতল ভবনের ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসেছে প্রায় সাড়ে তিন শ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ‘আসকার দিঘি’।
চট্টগ্রাম নগরের প্রাণকেন্দ্র জামালখান এলাকায় অবস্থিত এই জলাধারটি এখন অবহেলা, দূষণ আর দখলদারিত্বের এক জীবন্ত উদাহরণ।
কচুরিপানার চাদরে ঢাকা পড়েছে ইতিহাস
যে দিঘির স্বচ্ছ পানি একসময় পুরো নগরবাসীর তৃষ্ণা মেটাতো, আজ তার উপরিভাগ ঘন সবুজ কচুরিপানায় ঢেকে গেছে। দূর থেকে দেখলে মনে হবে কোনো পরিত্যক্ত মাঠ, বোঝার উপায় নেই যে এর নিচে লুকিয়ে আছে ৩০০ বছরের পুরোনো এক বিশাল জলাধার। বছরের পর বছর ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং প্রশাসনের উদাসীনতায় দিঘিটি
আজ তার নিজস্ব অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। প্লাস্টিক ও বর্জ্যের রাজত্ব, ব্যবহারের অনুপযোগী পানি স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের অসচেতনতায় ঐতিহাসিক এই দিঘিটি এখন পরিণত হয়েছে গৃহস্থালি বর্জ্যের ডাম্পিং স্টেশনে। প্রতিদিন অবাধে ফেলা হচ্ছে প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন এবং পচনশীল বর্জ্য। দীর্ঘদিন ধরে এসব বর্জ্য জমতে জমতে দিঘির পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। পানির রঙ বদলে কালো হয়ে গেছে এবং ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ, যার ফলে এটি এখন সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী। পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত এই ঐতিহাসিক জলাধারটি উদ্ধার করে সংস্কার না করা হলে, জামালখানের এই ঐতিহ্য চিরতরে হারিয়ে যাবে এবং এলাকার পরিবেশগত বিপর্যয় আরও ত্বরান্বিত হবে।
আজ তার নিজস্ব অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। প্লাস্টিক ও বর্জ্যের রাজত্ব, ব্যবহারের অনুপযোগী পানি স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের অসচেতনতায় ঐতিহাসিক এই দিঘিটি এখন পরিণত হয়েছে গৃহস্থালি বর্জ্যের ডাম্পিং স্টেশনে। প্রতিদিন অবাধে ফেলা হচ্ছে প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন এবং পচনশীল বর্জ্য। দীর্ঘদিন ধরে এসব বর্জ্য জমতে জমতে দিঘির পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। পানির রঙ বদলে কালো হয়ে গেছে এবং ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ, যার ফলে এটি এখন সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী। পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত এই ঐতিহাসিক জলাধারটি উদ্ধার করে সংস্কার না করা হলে, জামালখানের এই ঐতিহ্য চিরতরে হারিয়ে যাবে এবং এলাকার পরিবেশগত বিপর্যয় আরও ত্বরান্বিত হবে।



