ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঐতিহাসিক চুক্তিতে ইরানের বিজয়
পাকিস্তানের চা, আতিথেয়তা ও বিয়ের ঐতিহ্যের প্রেমে মার্কিন কূটনীতিক
এক আপেল, দুই রঙ! নিউজিল্যান্ডে বিরল আপেল দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়
এক ঝড়েই শেষ বিশ্বের ৭% বিরল বানর
ইউএসের অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল ৩ ইরানি ট্যাঙ্কার
মার্কিন-ইরান চুক্তি: লেবাননের ভাগ্যে কী আছে?
পাকিস্তানের পরমাণু শক্তির বাহাদুরি: শিক্ষা-স্বাস্থ্যে বেহাল দশা, প্রতিরক্ষা বাজেটে পিষ্ট নাগরিকরা
একাত্তেরর লজ্জাজনক পরাজয়ের পর আবারও বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানি সাবমেরিন
দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশক পর আবারও বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ জলরাশিতে নিজেদের রণতরী ও সাবমেরিন মোতায়েনের বড়সড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে পাকিস্তান। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর এই প্রথম বঙ্গোপসাগরে স্থায়ীভাবে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখতে চাইছে দেশটি।
চীনের তৈরি অত্যাধুনিক ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’ সাবমেরিন নৌবাহিনীতে যুক্ত করার মাধ্যমে এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ইসলামাবাদ।
সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে যাত্রাবিরতিকালে দেশটির প্রভাবশালী দৈনিক ‘দ্য মর্নিং’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানি নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কমোডর ওমর ফারুক।
গত ৭ই জুন প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে কমোডর ওমর ফারুক জানান, চীনের তৈরি ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’ সাবমেরিনটি ইতিমধ্যে পাকিস্তান নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন করা হয়েছে।
তিনি এটিকে এই অঞ্চলের জলসীমার জন্য একটি ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। শুধু একটি নয়, এই সিরিজের আরও ৭টি অত্যাধুনিক সাবমেরিন শিগগিরই পাকিস্তানের নৌবহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে। কমোডর ফারুক স্পষ্ট করেই বলেছেন, “এই সিরিজের আটটি সাবমেরিন মূলত বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের নিয়মিত ও শক্তিশালী উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা দেবে।” ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের আগ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে নিয়মিত পাকিস্তানি সাবমেরিন মোতায়েন থাকত। সে সময়ও পাকিস্তানের একটি সাবমেরিনের নাম ছিল ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে এই সাবমেরিনটি ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘আইএনএস খুকরি’কে ডুবিয়ে দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে ঐতিহাসিক পরাজয়ের পর বঙ্গোপসাগর থেকে পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। এরপর থেকে গত ৫৫ বছর
ধরে তাদের নৌ-তৎপরতা মূলত উত্তর আরব সাগরেই সীমাবদ্ধ ছিল। কৌশলগতভাবে বঙ্গোপসাগরে ঐতিহ্যগতভাবেই ভারত একক এবং শক্তিশালী ভৌগোলিক সুবিধা ভোগ করে আসছে। বিশাখাপত্তনমে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় নৌ কমান্ড এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সামরিক অবস্থানের কারণে এই অঞ্চলে অন্য কোনো শক্তির প্রবেশ সহজ ছিল না। বিশেষ করে ভারত ও বাংলাদেশের পণ্য ও জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য এই রুটটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলঙ্কা বেষ্টিত এই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে পাকিস্তানের এই আকস্মিক প্রবেশে নতুন করে সামরিক ও কূটনৈতিক স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বঙ্গোপসাগর কোনো একক দেশের নিজস্ব সম্পত্তি নয়। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, উপকূলীয় দেশগুলো তাদের উপকূল থেকে মাত্র
১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত পূর্ণ সার্বভৌমত্ব এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন (EEZ) দাবি করতে পারে। এর বাইরের বিশাল অংশটি আন্তর্জাতিক জলসীমা বা ‘মুক্ত সমুদ্র’, যেখানে বিদেশি যেকোনো সামরিক জাহাজ বা সাবমেরিন সম্পূর্ণ অবাধে চলাচল করতে পারে। পাকিস্তান মূলত আন্তর্জাতিক আইনের এই সুযোগটি নিয়েই বঙ্গোপসাগরে চীনের তৈরি সাবমেরিন দিয়ে ভারতকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে।
তিনি এটিকে এই অঞ্চলের জলসীমার জন্য একটি ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। শুধু একটি নয়, এই সিরিজের আরও ৭টি অত্যাধুনিক সাবমেরিন শিগগিরই পাকিস্তানের নৌবহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে। কমোডর ফারুক স্পষ্ট করেই বলেছেন, “এই সিরিজের আটটি সাবমেরিন মূলত বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের নিয়মিত ও শক্তিশালী উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা দেবে।” ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের আগ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে নিয়মিত পাকিস্তানি সাবমেরিন মোতায়েন থাকত। সে সময়ও পাকিস্তানের একটি সাবমেরিনের নাম ছিল ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে এই সাবমেরিনটি ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘আইএনএস খুকরি’কে ডুবিয়ে দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে ঐতিহাসিক পরাজয়ের পর বঙ্গোপসাগর থেকে পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। এরপর থেকে গত ৫৫ বছর
ধরে তাদের নৌ-তৎপরতা মূলত উত্তর আরব সাগরেই সীমাবদ্ধ ছিল। কৌশলগতভাবে বঙ্গোপসাগরে ঐতিহ্যগতভাবেই ভারত একক এবং শক্তিশালী ভৌগোলিক সুবিধা ভোগ করে আসছে। বিশাখাপত্তনমে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় নৌ কমান্ড এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সামরিক অবস্থানের কারণে এই অঞ্চলে অন্য কোনো শক্তির প্রবেশ সহজ ছিল না। বিশেষ করে ভারত ও বাংলাদেশের পণ্য ও জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য এই রুটটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলঙ্কা বেষ্টিত এই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে পাকিস্তানের এই আকস্মিক প্রবেশে নতুন করে সামরিক ও কূটনৈতিক স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বঙ্গোপসাগর কোনো একক দেশের নিজস্ব সম্পত্তি নয়। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, উপকূলীয় দেশগুলো তাদের উপকূল থেকে মাত্র
১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত পূর্ণ সার্বভৌমত্ব এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন (EEZ) দাবি করতে পারে। এর বাইরের বিশাল অংশটি আন্তর্জাতিক জলসীমা বা ‘মুক্ত সমুদ্র’, যেখানে বিদেশি যেকোনো সামরিক জাহাজ বা সাবমেরিন সম্পূর্ণ অবাধে চলাচল করতে পারে। পাকিস্তান মূলত আন্তর্জাতিক আইনের এই সুযোগটি নিয়েই বঙ্গোপসাগরে চীনের তৈরি সাবমেরিন দিয়ে ভারতকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে।



