দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩১ মে, ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩১ মে, ২০২৬ |
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় ঐতিহাসিক উপকূলীয় শহর টায়ারে একের পর এক অত্যন্ত হিংস্র ও ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। সাধারণত অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এই শহরটির ওপর ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ঢালাও ‘খালি করার’ নির্দেশের পর বেশিরভাগ বাসিন্দাই ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন, যার ফলে পুরো শহরটি এখন প্রায় জনশূন্য ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সর্বশেষ এই হামলায় অন্তত চারটি ভিন্ন স্থানে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে প্রথম হামলাটি ছিল সবচেয়ে মারাত্মক। সেখানে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি একটি আবাসিক ভবনে আঘাত হানে এবং পুরো এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। হামলার পরপরই আকাশজুড়ে ইসরাইলি ড্রোনের বিকট শব্দ চর্তুদিকে আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে তুলেছে। টায়ার শহরের পরিস্থিতি এখন এতটাই ভয়াবহ যে আশ্রয় নেওয়া

বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মধ্যেও প্রতিনিয়ত মৃত্যুর আতঙ্ক কাজ করছে। শহরের একটি সাময়িক আশ্রয় কেন্দ্রের ঠিক পাশে একটি বিশাল কামানের গোলার অংশ বা স্প্লিন্টার এসে পড়লে সেখানে থাকা বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আসা নারী ও শিশুদের কান্নায় পুরো এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। গত ২ মার্চের পর থেকে টায়ার শহরে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ ও নৃশংস হামলা বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এর আগেও শহরটি একাধিকবার আক্রান্ত হলেও রোববারের (৩১ মে) হামলার তীব্রতা ছিল নজিরবিহীন। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী লেবাননের জহরানি নদীর উত্তরের বাসিন্দাসহ সবাইকে এলাকা ছেড়ে পালানোর নির্দেশ দিয়ে ঘোষণা করেছে যে সমগ্র দক্ষিণ লেবানন এখন একটি সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্র। তবে

জীবন বাঁচাতে সাধারণ মানুষের এই উত্তরমুখী যাত্রাও মোটেও নিরাপদ নয়। মূল মহাসড়কগুলোতে এবং টায়ার থেকে সিডন যাওয়ার পথে সাধারণ মানুষের যানবাহনগুলোকে লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালানো হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে লেবাননের মানুষ যেখানেই আশ্রয়ের খোঁজে যাচ্ছে, সেখানেই তাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে মৃত্যু, ধ্বংস আর আকাশ থেকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র। দক্ষিণ লেবাননে এখন সাধারণ বেসামরিক মানুষের জন্য সুরক্ষার সামান্যতম কোনো চিহ্নও অবশিষ্ট নেই। সূত্র: আল-জাজিরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেট: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ