ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯
ইরান যুদ্ধে আমাদের জড়ানোই উচিত হয়নি: ট্রাম্প
অতীতের মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপগুলোর বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘জড়ানোই উচিত হয়নি’।
সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, ইরাকে কী ঘটেছিল তা আপনারা দেখছেন। আমরা সেখানে অত্যন্ত বাজে পরিস্থিতি তৈরি করেছিলাম। আমরা যা করেছিলাম তা ছিল চরম বোকামি। সত্যি বলতে, শুরুতেই আমাদের সেখানে যাওয়া উচিত হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ইরানেও আমাদের জড়ানো ঠিক হয়নি, তবে ইরানের সেই সক্ষমতা (পরমাণু অস্ত্র তৈরির) রয়েছে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন বাহিনী যদি হামলা না চালাত, তবে ইরান এতক্ষণে পরমাণু অস্ত্রের মালিক হয়ে যেত এবং তখন পুরো দৃশ্যপটটাই বদলে যেত। তিনি বলেন,
নয় মাস আগে আমরা যদি আমাদের বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর আঘাত না করতাম, তবে আজ তাদের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র সচেতনভাবেই ইরানের সামগ্রিক সামরিক কাঠামোর বড় অংশকে লক্ষ্যবস্তু করা থেকে বিরত ছিল। তিনি বলেন, তাদের সামরিক বাহিনীকে আমরা এক প্রকার ছেড়েই দিয়েছি। কারণ আমাদের মনে হয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী কিছুটা হলেও চরমপন্থা এড়িয়ে চলে। তিনি আরও বলেন, আমরা মূলত (ইরানের) নেতৃত্বের বিভিন্ন পর্যায়কে স্তব্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু তাদের সামরিক বাহিনীকে আমরা স্পর্শ করিনি। এর কারণ হিসেবে ট্রাম্প বলেন, অতীতের যুদ্ধগুলোতে এমন কিছু ভুল করা হয়েছিল যেখানে সব কিছু পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়; আর তার
ফলে এমন একটা দেশের জন্ম হয় যা পরবর্তী ৪০ বছরেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারে না। সূত্র: মিডেল ইস্ট আই
নয় মাস আগে আমরা যদি আমাদের বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর আঘাত না করতাম, তবে আজ তাদের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র সচেতনভাবেই ইরানের সামগ্রিক সামরিক কাঠামোর বড় অংশকে লক্ষ্যবস্তু করা থেকে বিরত ছিল। তিনি বলেন, তাদের সামরিক বাহিনীকে আমরা এক প্রকার ছেড়েই দিয়েছি। কারণ আমাদের মনে হয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী কিছুটা হলেও চরমপন্থা এড়িয়ে চলে। তিনি আরও বলেন, আমরা মূলত (ইরানের) নেতৃত্বের বিভিন্ন পর্যায়কে স্তব্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু তাদের সামরিক বাহিনীকে আমরা স্পর্শ করিনি। এর কারণ হিসেবে ট্রাম্প বলেন, অতীতের যুদ্ধগুলোতে এমন কিছু ভুল করা হয়েছিল যেখানে সব কিছু পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়; আর তার
ফলে এমন একটা দেশের জন্ম হয় যা পরবর্তী ৪০ বছরেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারে না। সূত্র: মিডেল ইস্ট আই



