ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯
গ্রিন কার্ড প্রত্যাশীদের সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করা অধিকাংশ অভিবাসীকে আর আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালে দেশ ছাড়তে হবে না বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। সাম্প্রতিক একটি নির্দেশনা নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির পর এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)।
সম্প্রতি ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)-এর একটি ঘোষণাকে ঘিরে উদ্বেগ দেখা দেয়। অনেকের ধারণা হয়েছিল, গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে এবং বিদেশে অবস্থান করতে হবে, যদি না তারা বিশেষ কোনো ব্যতিক্রমের আওতায় পড়েন।
তবে শুক্রবার (২৯ মে) ডিএইচএস জানায়, বিদ্যমান নীতিতে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনা হয়নি। বরং অভিবাসন কর্মকর্তাদের যে দীর্ঘদিনের
ক্ষমতা রয়েছে—প্রয়োজনে কেসভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার—সেই বিষয়টিই নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডিএইচএসের এক মুখপাত্র বলেন, সাম্প্রতিক নির্দেশনা কোনো নতুন বাধ্যতামূলক নিয়ম নয়। অধিকাংশ গ্রিন কার্ড আবেদনকারীকে তাদের আবেদন পর্যালোচনাধীন থাকাকালে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর অবস্থান করা (ওভারস্টে) বা অন্যান্য অভিবাসনসংক্রান্ত জটিলতা থাকলে তা ব্যক্তিগত মামলার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। যদিও কোন পরিস্থিতিতে আবেদনকারীকে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হতে পারে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। গত সপ্তাহের ঘোষণার পর অভিবাসী সম্প্রদায় ও অধিকারকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এমনকি কিছু সরকারি কর্মকর্তার মধ্যেও নির্দেশনার প্রকৃত পরিধি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এ বিষয়ে
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এটি মূলত একটি নিয়মিত প্রশাসনিক বিষয়, অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন নয়। সর্বশেষ ব্যাখ্যার পর পরিস্থিতি অনেকটা পরিষ্কার হলেও, কোন কোন ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে—সে প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ডিএইচএসের বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী, গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করা অধিকাংশ অভিবাসীই তাদের আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন। সূত্র: এনডিটিভি
ক্ষমতা রয়েছে—প্রয়োজনে কেসভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার—সেই বিষয়টিই নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডিএইচএসের এক মুখপাত্র বলেন, সাম্প্রতিক নির্দেশনা কোনো নতুন বাধ্যতামূলক নিয়ম নয়। অধিকাংশ গ্রিন কার্ড আবেদনকারীকে তাদের আবেদন পর্যালোচনাধীন থাকাকালে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর অবস্থান করা (ওভারস্টে) বা অন্যান্য অভিবাসনসংক্রান্ত জটিলতা থাকলে তা ব্যক্তিগত মামলার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। যদিও কোন পরিস্থিতিতে আবেদনকারীকে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হতে পারে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। গত সপ্তাহের ঘোষণার পর অভিবাসী সম্প্রদায় ও অধিকারকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এমনকি কিছু সরকারি কর্মকর্তার মধ্যেও নির্দেশনার প্রকৃত পরিধি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এ বিষয়ে
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এটি মূলত একটি নিয়মিত প্রশাসনিক বিষয়, অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন নয়। সর্বশেষ ব্যাখ্যার পর পরিস্থিতি অনেকটা পরিষ্কার হলেও, কোন কোন ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে—সে প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ডিএইচএসের বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী, গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করা অধিকাংশ অভিবাসীই তাদের আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন। সূত্র: এনডিটিভি



