ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯
ওমানকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের, পাশে দাঁড়াল ইরান
হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার বিষয়ে ওমান যদি ইরানের পক্ষ নেয়, তবে দেশটির ওপর হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ওমানকে অবশ্যই ‘ভদ্র আচরণ’ করতে হবে। তা না করলে তাদের ‘উড়িয়ে দেওয়া হবে’।
ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বুধবার হোয়াইট হাউসে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বসেন ট্রাম্প। সেখানে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, ইরান এবং ওমান যৌথভাবে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করবে। এমন কোনো বিষয় তিনি মেনে নেবেন কি না। জবাব দেওয়ার সময় ট্রাম্প ‘উড়িয়ে দেওয়া হবে’ শব্দটি ব্যবহার করেন।
ট্রাম্প বলেন, নিয়ন্ত্রণের কোনো বিষয় মেনে নেওয়া হবে না। প্রণালিটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এটি আন্তর্জাতিক জলসীমা, ওমানকেও সবার মতো ভদ্র আচরণ করতে হবে। তা
না হলে তাদের উড়িয়ে দেওয়া হবে। তারা এটি ভালো করেই জানে। ওমান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত। ট্রাম্প ইরানের পরিবর্তে ভুলবশত ওমানকে ঘিরে হুমকি দিয়েছেন কি না- তা জানতে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এএফপি। তবে তাৎক্ষণিক সাড়া পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পের ওই ব্রিফিংয়ের একটি ভিডিও ক্লিপ ও অনুলিপি প্রকাশ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। সেখানেও তাঁর বক্তব্যে কোনো ধরনের সংশোধন করা হয়নি। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের সময় ওমান নিজেও হামলার শিকার হয়েছে। বর্তমানে তারা যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা করছে। এদিকে ট্রাম্পের হুমকির পর ওমানের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ‘বন্ধুপ্রতিম ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ ওমানের প্রতি পূর্ণ
সংহতি প্রকাশ করছি।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের আক্রমণাত্মক বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে বাঘাই আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কে অরাজকতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করার যে চেষ্টা চলছে, এই মন্তব্য সেটিরই লক্ষণ।
না হলে তাদের উড়িয়ে দেওয়া হবে। তারা এটি ভালো করেই জানে। ওমান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত। ট্রাম্প ইরানের পরিবর্তে ভুলবশত ওমানকে ঘিরে হুমকি দিয়েছেন কি না- তা জানতে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এএফপি। তবে তাৎক্ষণিক সাড়া পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পের ওই ব্রিফিংয়ের একটি ভিডিও ক্লিপ ও অনুলিপি প্রকাশ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। সেখানেও তাঁর বক্তব্যে কোনো ধরনের সংশোধন করা হয়নি। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের সময় ওমান নিজেও হামলার শিকার হয়েছে। বর্তমানে তারা যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা করছে। এদিকে ট্রাম্পের হুমকির পর ওমানের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ‘বন্ধুপ্রতিম ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ ওমানের প্রতি পূর্ণ
সংহতি প্রকাশ করছি।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের আক্রমণাত্মক বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে বাঘাই আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কে অরাজকতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করার যে চেষ্টা চলছে, এই মন্তব্য সেটিরই লক্ষণ।



