ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুমিল্লায় আটকের সাড়ে ১২ ঘণ্টা পর ছাড়া পেলেন সেই বিএনপি নেতা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন নিজামীপুত্র
যশোরে যুবলীগের ব্যানারে মিছিলের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৯
বরিশালে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল, পেয়েছেন স্থানীয়দের সমর্থন
জামিন পেলেন নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী
জামিন পেলেন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার ইমি
কামরুল ইসলামের ‘সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা’ নিয়ে ট্রাইব্যুনালের প্রশ্ন
ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তিন জেলায় তুলকালাম: সড়ক অবরোধ, ককটেল নিক্ষেপ ও ১৪৪ ধারা
বিএনপির ছাত্র সংগঠন- ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে নোয়াখালী, কক্সবাজার ও রাঙামাটি। ‘পকেট কমিটি’ ও ‘ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ণ না করার’ অভিযোগে সড়ক অবরোধ, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে বিভিন্ন এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাঙামাটিতে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।
৪ঠা মে, সোমবার দুপুরে নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর টাউন হল মোড় ও প্রেসক্লাব এলাকায় পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভ চলাকালে হঠাৎ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইটের আঘাতে কয়েকজন পথচারী আহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
বিক্ষুব্ধ নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম ও জেল-জুলুম সহ্য করলেও নতুন
কমিটিতে তাদের ঠাঁই হয়নি। প্রতিবাদে নবগঠিত কমিটির ১০ জন নেতা সংবাদ সম্মেলন করে একযোগে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা অবিলম্বে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। কক্সবাজারেও পরিস্থিতি থমথমে। সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের অনুসারী হওয়ায় অনেক ত্যাগী নেতাকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ৩রা মে, রোববার সন্ধ্যায় শহরের শহীদ সরণি মোড়ে টায়ার জ্বালিয়ে ‘সিলং-এর কমিটি–মানি না মনবো না’ বলে স্লোগান দিয়ে সড়ক অবরোধ করেন পদবঞ্চিতরা। সবচেয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে পাহাড়ী জেলা রাঙামাটিতে। ২রা মে, শনিবার মধ্যরাতে ঘোষিত কমিটিকে কেন্দ্র করে ৪ঠা মে, সোমবার দুপুরে ‘চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’ বলে স্লোগানে স্লোগানে সভাপতি গ্রুপ ও পদবঞ্চিত গ্রুপের
মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শহরের বনরূপা ও কাঁঠালতলী এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হলে জেলা প্রশাসন শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
কমিটিতে তাদের ঠাঁই হয়নি। প্রতিবাদে নবগঠিত কমিটির ১০ জন নেতা সংবাদ সম্মেলন করে একযোগে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা অবিলম্বে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। কক্সবাজারেও পরিস্থিতি থমথমে। সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের অনুসারী হওয়ায় অনেক ত্যাগী নেতাকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ৩রা মে, রোববার সন্ধ্যায় শহরের শহীদ সরণি মোড়ে টায়ার জ্বালিয়ে ‘সিলং-এর কমিটি–মানি না মনবো না’ বলে স্লোগান দিয়ে সড়ক অবরোধ করেন পদবঞ্চিতরা। সবচেয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে পাহাড়ী জেলা রাঙামাটিতে। ২রা মে, শনিবার মধ্যরাতে ঘোষিত কমিটিকে কেন্দ্র করে ৪ঠা মে, সোমবার দুপুরে ‘চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’ বলে স্লোগানে স্লোগানে সভাপতি গ্রুপ ও পদবঞ্চিত গ্রুপের
মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শহরের বনরূপা ও কাঁঠালতলী এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হলে জেলা প্রশাসন শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।



