ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘গুম’ থাকা আয়েশা ৭ বছর পর ফিরলেন জীবিত!
নীরবতাও অপরাধ: ইউনূসের অরাজকতা আর দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রে নীরব থাকা আনু মুহাম্মদ গংও অপরাধী
১৯৬৫-র যুদ্ধ থেকে তারেক রহমানের বর্তমান নীতি: জিয়া-ভারত সম্পর্কের ঐতিহাসিক ব্যবচ্ছেদ
হাম থেকে বেঁচে ফিরলেও শিশুদের মস্তিষ্কের ভয়ঙ্কর ঝুঁকি, আসছে বছরগুলোয় এসএসপিই’র শঙ্কা
দেশের জন্য সতর্কবার্তা
৪ লাখ ৬৮ হাজার পদ শূন্য, নিয়োগ হচ্ছে না যেসব কারণে
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে আরও এক ধাপ এগোল সরকার
‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: হাম-রুবেলার হাত ধরে ফিরে এলো চার দশক আগে বিলুপ্ত গুটি বসন্ত, শিক্ষকের মৃত্যু
এ যেন ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’। ইউনূস সরকারের হঠকারিতা, অবহেলা ও অব্যবস্থাপনার মাশুল দিচ্ছে বাংলাদেশ। টিকা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ায় হামে সারাদেশে শিশু মৃত্যু বাড়তে বাড়তে ৩০০’র ঘর পেরিয়ে গেছে। হাম, রুবেলাসহ সংক্রামক ব্যধির আক্রান্তের হার অন্তত অর্ধলক্ষ, ঠিক সেসময় দেখা দিয়েছে আরেক ভয়াবহ রোগ- স্মল পক্স বা গুটি বসন্ত।
যে রোগের মহামারি শুরু হলে একসময় গ্রামের পর গ্রাম উজাড় হয়ে যেত, সেই রোগকে নির্মূল করা সম্ভব হয়েছিল টিকার মাধ্যমে।
বলা হয়, অন্তত চার দশক আগে গুটি বসন্ত পৃথিবী থেকে নির্মূল হয়ে গেছে। কিন্তু হাম-রুবেলাসহ সংক্রামক রোগগুলোর সাথে হাতে হাত ধরে যেন ফিরে এসেছে সেই ভয়াবহ গুটি বসন্ত।
সম্প্রতি গাইবান্ধায় গুটি বসন্তের উপসর্গ
নিয়ে এক স্কুল শিক্ষকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ওই মৃতের স্ত্রী ও দুই সন্তানের শরীরেও। ঘটনার পর ওই এলাকায় নমুনা সংগ্রহের কাজ চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ। এ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তারা। আজ ৪ঠা এপ্রিল, সোমবার দুপুরে বিষয়টি গাইবান্ধার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) সুপারিন্টেন্ডেন্ট শরীফুজ্জামান বিষয়টি জানান। গত রাত ১টার দিকে নিজ বাড়িতে ওই শিক্ষকের মৃত্যু হয়। ৪৫ বছর বয়সী ওই স্কুল শিক্ষকের নাম ইতিশ চন্দ্র দাস। তিনি সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের খোলাহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং একই এলাকার প্রাণবন্ধু চন্দ্র দাসের ছেলে। ইতিশ খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মৃতের পরিবার
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০শে এপ্রিল ইতিশ চন্দ্র দাসের শরীর জুড়ে পক্সের মতো ক্ষত দেখা দেয়। চার দিন পর বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার গভীর রাতে তিনি মারা যান। এদিকে একই উপসর্গ দেখা দিয়েছে মৃত স্কুল শিক্ষক ইতিশ চন্দ্র দাসের স্ত্রী সুচনা রানী, বড় ছেলে প্রিমল দাস ও ছোট ছেলে অমীত দাসের মধ্যে। ওই শিক্ষকের এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোক এবং একই সঙ্গে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিহতের স্ত্রী অর্চনা রানী জানান, বৃহস্পতিবারের দিকে প্রথমে স্বামীর শরীরে গুটি বসন্ত দেখা দেয়। চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ হলেও পরে আবার জটিল আকার ধারণ করে। শেষে গতকাল রাতে তার মৃত্যু হয়। বড় ছেলে প্রিমল দাস বুধবার ঢাকা
থেকে বাড়িতে এসে সেও আক্রান্ত হয়। ছোট ছেলে অমীত দাসের শরীরেও লক্ষণ দেখা গেছে। এ ব্যাপারে গাইবান্ধার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) সুপারিন্টেন্ডেন্ট শরীফুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত আছি। জানার পর স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা ওই এলাকায় তথ্য ও নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন। তারা মৃতের পরিবারে যারা আক্রান্ত তাদের নমুনা সংগ্রহ করবেন। তিনি জানান, সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা-নীরিক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে। রিপোর্ট পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে ইতিশ চন্দ্র কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বা তার পরিবারের সদ্যস্যরা কোন রোগে আক্রান্ত। এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণ করছি সেটি চিকেন পক্স। এটি ছোঁয়াছে রোগ। এ সময় তিনি আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলেও
জানান।
নিয়ে এক স্কুল শিক্ষকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ওই মৃতের স্ত্রী ও দুই সন্তানের শরীরেও। ঘটনার পর ওই এলাকায় নমুনা সংগ্রহের কাজ চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ। এ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তারা। আজ ৪ঠা এপ্রিল, সোমবার দুপুরে বিষয়টি গাইবান্ধার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) সুপারিন্টেন্ডেন্ট শরীফুজ্জামান বিষয়টি জানান। গত রাত ১টার দিকে নিজ বাড়িতে ওই শিক্ষকের মৃত্যু হয়। ৪৫ বছর বয়সী ওই স্কুল শিক্ষকের নাম ইতিশ চন্দ্র দাস। তিনি সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের খোলাহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং একই এলাকার প্রাণবন্ধু চন্দ্র দাসের ছেলে। ইতিশ খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মৃতের পরিবার
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০শে এপ্রিল ইতিশ চন্দ্র দাসের শরীর জুড়ে পক্সের মতো ক্ষত দেখা দেয়। চার দিন পর বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার গভীর রাতে তিনি মারা যান। এদিকে একই উপসর্গ দেখা দিয়েছে মৃত স্কুল শিক্ষক ইতিশ চন্দ্র দাসের স্ত্রী সুচনা রানী, বড় ছেলে প্রিমল দাস ও ছোট ছেলে অমীত দাসের মধ্যে। ওই শিক্ষকের এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোক এবং একই সঙ্গে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিহতের স্ত্রী অর্চনা রানী জানান, বৃহস্পতিবারের দিকে প্রথমে স্বামীর শরীরে গুটি বসন্ত দেখা দেয়। চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ হলেও পরে আবার জটিল আকার ধারণ করে। শেষে গতকাল রাতে তার মৃত্যু হয়। বড় ছেলে প্রিমল দাস বুধবার ঢাকা
থেকে বাড়িতে এসে সেও আক্রান্ত হয়। ছোট ছেলে অমীত দাসের শরীরেও লক্ষণ দেখা গেছে। এ ব্যাপারে গাইবান্ধার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) সুপারিন্টেন্ডেন্ট শরীফুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত আছি। জানার পর স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা ওই এলাকায় তথ্য ও নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন। তারা মৃতের পরিবারে যারা আক্রান্ত তাদের নমুনা সংগ্রহ করবেন। তিনি জানান, সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা-নীরিক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে। রিপোর্ট পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে ইতিশ চন্দ্র কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বা তার পরিবারের সদ্যস্যরা কোন রোগে আক্রান্ত। এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণ করছি সেটি চিকেন পক্স। এটি ছোঁয়াছে রোগ। এ সময় তিনি আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলেও
জানান।



