ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে আরও এক ধাপ এগোল সরকার
সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম পে স্কেল আংশিক বাস্তবায়নের পথে আরও এক ধাপ এগিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত বাজেটের একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে, যা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর চূড়ান্ত হবে।
জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকার দুটি পদ্ধতি বিবেচনা করছে। একটি হলো তিন ধাপে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা, অন্যটি পরবর্তী দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে বেতন বাড়ানো।
প্রথম প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হতে পারে। পরবর্তী বছরে বাকি অংশ সমন্বয় করা হবে। আর বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা তৃতীয় বছরে
দুই ধাপে কার্যকর করার চিন্তা রয়েছে। মূল্যস্ফীতি, সরকারি রাজস্ব আয় ও সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, নবম পে স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধিতে। বাকি অর্থ ব্যয় হবে পেনশনভোগী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য। আগামী অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হচ্ছে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে ৬ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চলতি
অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। এতে রাজস্ব বাজেট ২৫ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হলেও উন্নয়ন বাজেট প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে। বর্তমান অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য বরাদ্দ ছিল ৮৪ হাজার ১১৪ কোটি টাকা এবং পেনশনভোগীদের জন্য রাখা হয়েছিল ৩৫ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা। এর আগে নবম পে কমিশন চলতি বছর থেকেই আংশিকভাবে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছিল। সে অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দও রেখেছিল। তবে রাজস্ব আহরণ কম হওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় বাস্তবায়ন এক বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়। নবম পে কমিশনের সুপারিশ
অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোতে ২০টি গ্রেড থাকবে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে সরকার প্রায় ১৪ লাখ চাকরিজীবী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য বছরে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে। নতুন পে স্কেল পুরোপুরি কার্যকর হলে এ খাতে সরকারের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ওই সময় প্রথমে মূল বেতন এবং পরের বছর বিভিন্ন ভাতা কার্যকর করা হয়।
দুই ধাপে কার্যকর করার চিন্তা রয়েছে। মূল্যস্ফীতি, সরকারি রাজস্ব আয় ও সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, নবম পে স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধিতে। বাকি অর্থ ব্যয় হবে পেনশনভোগী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য। আগামী অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হচ্ছে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে ৬ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চলতি
অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। এতে রাজস্ব বাজেট ২৫ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হলেও উন্নয়ন বাজেট প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে। বর্তমান অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য বরাদ্দ ছিল ৮৪ হাজার ১১৪ কোটি টাকা এবং পেনশনভোগীদের জন্য রাখা হয়েছিল ৩৫ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা। এর আগে নবম পে কমিশন চলতি বছর থেকেই আংশিকভাবে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছিল। সে অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দও রেখেছিল। তবে রাজস্ব আহরণ কম হওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় বাস্তবায়ন এক বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়। নবম পে কমিশনের সুপারিশ
অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোতে ২০টি গ্রেড থাকবে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে সরকার প্রায় ১৪ লাখ চাকরিজীবী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য বছরে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে। নতুন পে স্কেল পুরোপুরি কার্যকর হলে এ খাতে সরকারের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ওই সময় প্রথমে মূল বেতন এবং পরের বছর বিভিন্ন ভাতা কার্যকর করা হয়।



