ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘কুমির কীভাবে বাংলাদেশি, ভারতীয়কে আলাদা করবে?’
উদ্ধার হওয়া সেই লাশ বৃষ্টির, লিমনের লাশ দেশে আসবে ৪ মে
আমি একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা: সংসদে জামায়াত নেতা তাহের
জুলাই স্তম্ভ ময়লার ভাগাড়ে পরিণত, ক্ষোভ জানালেন ফারুকী
বীর মুক্তিযোদ্ধা ইনুকে সান্ত্বনাসূচক কথা বলায় দুই পুলিশ সদস্যের সাজা
চুক্তি অনুযায়ী ৩৬ হাজার কোটিতে ১৪টি বোয়িং কিনলেও বাড়েনি যুক্তরাষ্ট্রে গার্মেন্টস অর্ডারের পরিমাণ
সংসদের জন্য বাজারদরের চেয়ে ৬-৮ গুণ বেশি দামে পণ্য ক্রয়কে দুর্নীতি মানতে নারাজ হুইপ আশরাফ
‘৫০০ টাকা আয় করে ১২০০ টাকা খরচে বিচার চাইতে হয়’
'একজন শ্রমিক থানায় অভিযোগ করতে গেলেই লিখতে খরচ হয় ৩০০ টাকা, থানায় জমা দিতে লাগে আরও ৩০০ টাকা, আইনি সহায়তা নিতে গিয়ে খরচ হয় ৬০০ টাকা। অথচ একজন শ্রমিকের দৈনিক আয় মাত্র ৫০০ টাকা। তাহলে আমরা কীভাবে বিচার পাব, কীভাবে দাঁড়াব?'-এই আক্ষেপের মধ্য দিয়ে নিজের ও সহকর্মীদের বাস্তবতা তুলে ধরেন পটিয়ার দর্জি শ্রমিক ও শারীরিকভাবে কর্মক্ষম মিজানুর রহমান।
শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহান মে দিবস উপলক্ষে পটিয়া মে দিবস উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মিজানুর রহমান বলেন, ‘শ্রমিকরা শুধু কম মজুরির সঙ্গেই লড়াই করে না, বরং ন্যায্য অধিকার আদায়ের পথেও তাদেরকে নানা বাধা পেরোতে
হয়। থানায় অভিযোগ করা থেকে শুরু করে আইনি সহায়তা পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে অর্থ খরচের চাপ শ্রমিকদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যারা দিন এনে দিন খাই, তাদের পক্ষে এই খরচ বহন করা প্রায় অসম্ভব। ফলে অনেকেই অন্যায়ের শিকার হয়েও নীরবে সহ্য করে যায়। শ্রমিকদের জন্য সহজ ও স্বল্প খরচে আইনি সহায়তা নিশ্চিত না হলে ন্যায়বিচার শুধুমাত্র কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে।’ তার মতে, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর উচিত শ্রমিকবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া। পটিয়া মে দিবস উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে এবং সংগঠক আবদুর রহমান রুবেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় দক্ষিণ জেলা সিপিবির সভাপতি অধ্যাপক কানাই লাল দাশ,
অ্যাডভোকেট শওকত আলী, সিহাব উদ্দিন সাইফু, কৃষিবিদ শ্যামল বিশ্বাস এবং উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব মদিনা বেগমসহ অনেকে অংশ নেন। বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারা শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে একটি লাল পতাকা মিছিল পটিয়া সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
হয়। থানায় অভিযোগ করা থেকে শুরু করে আইনি সহায়তা পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে অর্থ খরচের চাপ শ্রমিকদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যারা দিন এনে দিন খাই, তাদের পক্ষে এই খরচ বহন করা প্রায় অসম্ভব। ফলে অনেকেই অন্যায়ের শিকার হয়েও নীরবে সহ্য করে যায়। শ্রমিকদের জন্য সহজ ও স্বল্প খরচে আইনি সহায়তা নিশ্চিত না হলে ন্যায়বিচার শুধুমাত্র কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে।’ তার মতে, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর উচিত শ্রমিকবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া। পটিয়া মে দিবস উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে এবং সংগঠক আবদুর রহমান রুবেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় দক্ষিণ জেলা সিপিবির সভাপতি অধ্যাপক কানাই লাল দাশ,
অ্যাডভোকেট শওকত আলী, সিহাব উদ্দিন সাইফু, কৃষিবিদ শ্যামল বিশ্বাস এবং উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব মদিনা বেগমসহ অনেকে অংশ নেন। বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারা শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে একটি লাল পতাকা মিছিল পটিয়া সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।



