ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা শুরু ২২ মে
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার
ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ড: জামিল লিমনের লাশ উদ্ধার, নাহিদা বৃষ্টির মৃত্যু নিশ্চিত
নিউইয়র্কে ৪০তম ফোবানা কনভেনশন উপলক্ষে মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠিত
বৈশ্বিক দাসত্ব ও শোষণ নির্মূলে জোরালো আহ্বান জানালো বাংলাদেশ
সন্দেহভাজন ২ তরুণের পরিকল্পনা নিয়ে আরও যা জানা গেল
নিউ জার্সিতে গ্যাস লাইনে বিস্ফোরণ, দুই কিশোরসহ আহত ৩
যুক্তরাষ্ট্রে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা কমিটির সভায় ইউনুসকে গ্রেফতার দাবি
নিউইয়র্কে আগামী ১৫, ১৬, ১৭ মে অনুষ্ঠিতব্য ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা’ কমিটির মতবিনিময় সভায় সংবিধান লঙ্ঘন, বাংলাদেশকে ধ্বংস, দেশ-বিরোধী গোলামী চুক্তি, মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতিচিহ্ন নিশ্চিহ্ন ও ক্ষমতায় থাকা কালে ব্যক্তিগত সুবিধা নেয়ার মতো গুরুতর অপরাধে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ডঃ মুহাম্মদ ইউনুসকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। ২৫ এপ্রিল শনিবার রাতে নিউইয়র্ক সিটির একটি পার্টি হলে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রবাসে বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত রাখা ও ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা করাহয়। বইমেলাকে আরো সমৃদ্ধ করার অভিপ্রায়ে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দও এ সময় কথা বলেছেন। বইমেলা কমিটির যুগ্ম-সচিব গোপাল সান্যালের উপস্থাপনায়
এবং ‘একাত্তরের প্রহরী ফাউন্ডেশন’র সভাপতি ড: নূরুন নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক ও সংগঠকরা অংশগ্রহণ করেন। বইমেলার আহ্বায়ক ও একাত্তরের প্রহরী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ড: নুরুন নবী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে যে লোকটি এই দেশের চরম ক্ষতি করে গিয়েছেন- তার নাম ড. মুহাম্মদ ইউনুস। এই ইউনুস দেশকে ১০০ বছর পিছিয়ে বিদায় নিয়েছেন। বাংলাদেশ আজ অনেক অজানা চুক্তি, খাদ্য সংকটের মুখোমুখি। বঙ্গবন্ধু বইমেলা অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে তিনি বলেন, একটি কঠিন ক্রান্তিকালে ২০২৫ সালে মাত্র দুই সপ্তাহের প্রচেষ্টায় আমরা একটি সফল বইমেলা করতে পেরেছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় এবারের বইমেলা। ইউনুসের মদদপুষ্টরা যখন নিউইয়র্কের ৩৪ বছরের বইমেলাটিকে
দখল করে নিয়েছিল তখন আমাদের প্রতিবাদ না করে উপায় ছিল না। আমরা সেদিন আমাদের মহান মুক্তিযোদ্ধা, আমাদের নির্যাতিত শিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক-বিজ্ঞানী ড. নূরুন্নবী আরো বলেন, আমাদের সকল সাংস্কৃতিক প্রত্যয় একাত্তরের চেতনার পক্ষে। তার জন্যেই এই বইমেলা। সভায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও মুক্তিযোদ্ধা জিনাত নবী, কবি ফকির ইলিয়াস, সংগঠক ও আবৃত্তিশিল্পী মিথুন আহমেদ, গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক সৈয়দ জাকির আহমেদ রনি, সিনিয়র সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, পিনাকী তালুকদার ও মো: আব্দুল হামিদ, জাতিসংঘের সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি ড. এম. এনামুল হক, জনপ্রিয় উপস্থাপক স্বাধীন মজুমদার, আবৃত্তি শিল্পী মুনমুন সাহা, কবি ফারহানা ইলিয়াস তুলি, সংগঠক ও শিল্পী সুতপা
মন্ডল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক হুসনে আরা, ফাহমিদা ইয়াসমীন এ্যানি, মনিরা আকঞ্জি, রওশন আরা নীপা, কণ্ঠশিল্পী তাহমিনা শহীদ, দীলিপ কুমার মোদক, প্রগ্রেসিভ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাচ্চু, হিরো চৌধুরী, চ্যানেল ১৪ এর লিটু আনাম, সম্মিলিত বর্ষবরণ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা উদযাপন পর্ষদের সদস্য সচিব মুজাহিদ আনসারী, সহ-সভাপতি মুহম্মদ ফজলুর রহমান, ফোবানার চেয়ারম্যান ও বই মেলার যুগ্ম আহ্বায়ক জাকরিয়া চৌধুরী, ইয়াকুব আলী মিঠু, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা-২০২৬ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব স্বীকৃতি বড়–য়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবৃত্তিকার গোপন সাহা, প্রচার সম্পাদক আসলাম খান এবং প্রজ্ঞা নিউজের সম্পাদক ও প্রকাশক উত্তম কুমার সাহা প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, “বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা” শুধু একটি বইমেলা নয়-এটি
প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য, ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। এবারের বইমেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট অনুবাদক ও কবি ক্যারোলিন রাইট। বইমেলায় দেশের প্রথিতযশা লেখকদের বই, প্রবাসী লেখকদের প্রকাশনা, শিশু-কিশোরদের জন্য বিশেষ আয়োজন, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, কবিতা আবৃত্তি, আলোচনা সভা এবং লেখক-পাঠক সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ থাকবে। সভায় জানানো হয়, এবারের বইমেলায় আধুনিক স্টল ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল বুক কর্নার, নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রদর্শনী এবং শিশুদের জন্য সৃজনশীল কর্মশালার মতো ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা প্রবাসে বাংলা বইমেলাকে নতুন মাত্রা দেবে।
সূচনা বক্তব্যে গোপাল সান্যাল
বলেন, “বঙ্গবন্ধু আমাদের পতাকা, মানচিত্র ও স্বাধীনতার প্রতীক। বাংলা ও বাঙালির অস্তিত্বের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন তিনি।” তিনি আরও বলেন, প্রবাসে বর্ষবরণ আয়োজনে সম্মিলিত মঙ্গল শোভাযাত্রা উদযাপন পর্ষদের উদ্যোগে যে শোভাযাত্রায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সর্বাগ্রে বহন করা হয়, তা দেশ-বিদেশে এক অনন্য উদাহরণ। বক্তারা সম্মিলিত বর্ষবরণ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা উদযাপন পর্ষদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “প্রবাসে এমন ঐতিহ্যবাহী ও চেতনাবাহী আয়োজন আমাদের গর্বিত করে।” বইমেলার যুগ্ম আহ্বায়ক ও একাত্তরের প্রহরী ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট কবি ফকির ইলিয়াস বলেন, আমরা ‘সম্মিলিত বর্ষবরণ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা উদযাপন পর্ষদের’ প্রতিটি সংগঠনের সহযোগিতা চাই। মনে রাখতে হবে, বঙ্গবন্ধুই আমাদের আদর্শ। তাঁর ছায়াতলেই আমাদের
ঐক্যবদ্ধ থেকে সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলকে এগিয়ে নিতে হবে। এছাড়া কয়েকজন বক্তা সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সংবিধান লঙ্ঘন ও জাতির পিতার বাড়ি ৩২ নম্বর ধ্বংসের অভিযোগে অন্তবর্তীকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ব্যবস্থা গ্রহণ ও গ্রেফতারের দাবি জানান। এই বিষয়ে সকলের মতামতের ভিত্তিতে একটি প্রস্তাব পাশ করা হয়। এই আয়োজনের হোস্ট জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু কোন একটি নির্দিষ্ট দলের নয়, তিনি অবশ্যই সকলের। ফলে তাঁর প্রতি দেশে বিদেশে সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে হবে। তিনি আগামী সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য ফোবানা সম্মেলন সার্থক করে তোলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। সবশেষে বক্তারা ঐক্যবদ্ধভাবে “বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬” সফল করতে সকল প্রবাসী বাঙালির সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন এবং এই আয়োজনকে প্রবাসে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক মিলনমেলায় পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এবং ‘একাত্তরের প্রহরী ফাউন্ডেশন’র সভাপতি ড: নূরুন নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক ও সংগঠকরা অংশগ্রহণ করেন। বইমেলার আহ্বায়ক ও একাত্তরের প্রহরী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ড: নুরুন নবী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে যে লোকটি এই দেশের চরম ক্ষতি করে গিয়েছেন- তার নাম ড. মুহাম্মদ ইউনুস। এই ইউনুস দেশকে ১০০ বছর পিছিয়ে বিদায় নিয়েছেন। বাংলাদেশ আজ অনেক অজানা চুক্তি, খাদ্য সংকটের মুখোমুখি। বঙ্গবন্ধু বইমেলা অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে তিনি বলেন, একটি কঠিন ক্রান্তিকালে ২০২৫ সালে মাত্র দুই সপ্তাহের প্রচেষ্টায় আমরা একটি সফল বইমেলা করতে পেরেছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় এবারের বইমেলা। ইউনুসের মদদপুষ্টরা যখন নিউইয়র্কের ৩৪ বছরের বইমেলাটিকে
দখল করে নিয়েছিল তখন আমাদের প্রতিবাদ না করে উপায় ছিল না। আমরা সেদিন আমাদের মহান মুক্তিযোদ্ধা, আমাদের নির্যাতিত শিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক-বিজ্ঞানী ড. নূরুন্নবী আরো বলেন, আমাদের সকল সাংস্কৃতিক প্রত্যয় একাত্তরের চেতনার পক্ষে। তার জন্যেই এই বইমেলা। সভায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও মুক্তিযোদ্ধা জিনাত নবী, কবি ফকির ইলিয়াস, সংগঠক ও আবৃত্তিশিল্পী মিথুন আহমেদ, গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক সৈয়দ জাকির আহমেদ রনি, সিনিয়র সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, পিনাকী তালুকদার ও মো: আব্দুল হামিদ, জাতিসংঘের সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি ড. এম. এনামুল হক, জনপ্রিয় উপস্থাপক স্বাধীন মজুমদার, আবৃত্তি শিল্পী মুনমুন সাহা, কবি ফারহানা ইলিয়াস তুলি, সংগঠক ও শিল্পী সুতপা
মন্ডল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক হুসনে আরা, ফাহমিদা ইয়াসমীন এ্যানি, মনিরা আকঞ্জি, রওশন আরা নীপা, কণ্ঠশিল্পী তাহমিনা শহীদ, দীলিপ কুমার মোদক, প্রগ্রেসিভ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাচ্চু, হিরো চৌধুরী, চ্যানেল ১৪ এর লিটু আনাম, সম্মিলিত বর্ষবরণ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা উদযাপন পর্ষদের সদস্য সচিব মুজাহিদ আনসারী, সহ-সভাপতি মুহম্মদ ফজলুর রহমান, ফোবানার চেয়ারম্যান ও বই মেলার যুগ্ম আহ্বায়ক জাকরিয়া চৌধুরী, ইয়াকুব আলী মিঠু, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা-২০২৬ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব স্বীকৃতি বড়–য়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবৃত্তিকার গোপন সাহা, প্রচার সম্পাদক আসলাম খান এবং প্রজ্ঞা নিউজের সম্পাদক ও প্রকাশক উত্তম কুমার সাহা প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, “বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা” শুধু একটি বইমেলা নয়-এটি
প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য, ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। এবারের বইমেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট অনুবাদক ও কবি ক্যারোলিন রাইট। বইমেলায় দেশের প্রথিতযশা লেখকদের বই, প্রবাসী লেখকদের প্রকাশনা, শিশু-কিশোরদের জন্য বিশেষ আয়োজন, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, কবিতা আবৃত্তি, আলোচনা সভা এবং লেখক-পাঠক সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ থাকবে। সভায় জানানো হয়, এবারের বইমেলায় আধুনিক স্টল ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল বুক কর্নার, নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রদর্শনী এবং শিশুদের জন্য সৃজনশীল কর্মশালার মতো ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা প্রবাসে বাংলা বইমেলাকে নতুন মাত্রা দেবে।
সূচনা বক্তব্যে গোপাল সান্যাল বলেন, “বঙ্গবন্ধু আমাদের পতাকা, মানচিত্র ও স্বাধীনতার প্রতীক। বাংলা ও বাঙালির অস্তিত্বের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন তিনি।” তিনি আরও বলেন, প্রবাসে বর্ষবরণ আয়োজনে সম্মিলিত মঙ্গল শোভাযাত্রা উদযাপন পর্ষদের উদ্যোগে যে শোভাযাত্রায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সর্বাগ্রে বহন করা হয়, তা দেশ-বিদেশে এক অনন্য উদাহরণ। বক্তারা সম্মিলিত বর্ষবরণ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা উদযাপন পর্ষদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “প্রবাসে এমন ঐতিহ্যবাহী ও চেতনাবাহী আয়োজন আমাদের গর্বিত করে।” বইমেলার যুগ্ম আহ্বায়ক ও একাত্তরের প্রহরী ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট কবি ফকির ইলিয়াস বলেন, আমরা ‘সম্মিলিত বর্ষবরণ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা উদযাপন পর্ষদের’ প্রতিটি সংগঠনের সহযোগিতা চাই। মনে রাখতে হবে, বঙ্গবন্ধুই আমাদের আদর্শ। তাঁর ছায়াতলেই আমাদের
ঐক্যবদ্ধ থেকে সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলকে এগিয়ে নিতে হবে। এছাড়া কয়েকজন বক্তা সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সংবিধান লঙ্ঘন ও জাতির পিতার বাড়ি ৩২ নম্বর ধ্বংসের অভিযোগে অন্তবর্তীকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ব্যবস্থা গ্রহণ ও গ্রেফতারের দাবি জানান। এই বিষয়ে সকলের মতামতের ভিত্তিতে একটি প্রস্তাব পাশ করা হয়। এই আয়োজনের হোস্ট জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু কোন একটি নির্দিষ্ট দলের নয়, তিনি অবশ্যই সকলের। ফলে তাঁর প্রতি দেশে বিদেশে সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে হবে। তিনি আগামী সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য ফোবানা সম্মেলন সার্থক করে তোলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। সবশেষে বক্তারা ঐক্যবদ্ধভাবে “বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬” সফল করতে সকল প্রবাসী বাঙালির সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন এবং এই আয়োজনকে প্রবাসে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক মিলনমেলায় পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।



