ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্ববাজারে বেড়েছে স্বর্ণ-রুপার দাম
আবারও বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম
জ্বালানি আমদানি কমায় তীব্র ঝুঁকিতে অর্থনীতি, রপ্তানি খাতে বহুমুখী চাপ
মাত্র ৯ মাসে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়াল
এপ্রিলের ২৮ দিনে প্রবাসী আয় ২৯১ কোটি ডলার
সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল
এনসিপি নেত্রী মিতুর দুই হলফনামায় ঘাপলা: তিন মাসেই সম্পদ বৃদ্ধি ৫৫%, বেড়েছে সোনাও, উৎস অজানা
তেলের দাম ১৪০ ডলার ছুঁতে পারে
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ ট্রাম্প প্রশাসনের নৌ অবরোধ কৌশলকে প্রকাশ্যে উপহাস করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের চাপ প্রয়োগ নীতি শেষ পর্যন্ত বৈশ্বিক তেলের দাম আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইংরেজিতে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ মার্কিন নীতিকে ‘ভুল পরামর্শনির্ভর’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ইরানের তেল রপ্তানি ঠেকানোর কৌশল বাস্তবে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।
তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ শুরুর প্রথম তিন দিনেও ইরানের কোনো তেলক্ষেত্র বা জ্বালানি অবকাঠামোতে ওয়াশিংটনের পূর্বাভাস অনুযায়ী বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি।
গালিবাফ লিখেছেন, “তিন দিন পেরিয়ে গেছে, কোনো তেলকূপ বিস্ফোরিত হয়নি। চাইলে ৩০ দিনও চালিয়ে যেতে পারে, আমরা সরাসরি সম্প্রচার দেখাতে পারি।”
মার্কিন প্রশাসনের সেই দাবিরও সমালোচনা করেন তিনি,
যেখানে বলা হয়েছিল—ইরানের তেল প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হলে অভ্যন্তরীণ যান্ত্রিক চাপের কারণে অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষভাবে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টকে লক্ষ্য করে গালিবাফ বলেন, “বেসেন্টের মতো ব্যক্তিদের কাছ থেকেই যুক্তরাষ্ট্র এমন আবর্জনাসম পরামর্শ পাচ্ছে, যারা অবরোধ তত্ত্ব দিয়ে তেলের দাম ১২০ ডলারের ওপরে তুলেছে। পরবর্তী গন্তব্য ১৪০ ডলার।” তিনি আরও বলেন, সমস্যা শুধু নীতিতে নয়, বরং নীতিনির্ধারণী মানসিকতায়। এর আগে ফক্স নিউজে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের তেল পরিবহন অবরুদ্ধ হলে পাইপলাইনে অভ্যন্তরীণ চাপ সৃষ্টি হয়ে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে এবং এতে অবকাঠামো স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে গালিবাফ এসব মন্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের
বর্তমান কৌশল ইরানকে দুর্বল করার পরিবর্তে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট আরও বাড়িয়ে তুলছে।
যেখানে বলা হয়েছিল—ইরানের তেল প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হলে অভ্যন্তরীণ যান্ত্রিক চাপের কারণে অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষভাবে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টকে লক্ষ্য করে গালিবাফ বলেন, “বেসেন্টের মতো ব্যক্তিদের কাছ থেকেই যুক্তরাষ্ট্র এমন আবর্জনাসম পরামর্শ পাচ্ছে, যারা অবরোধ তত্ত্ব দিয়ে তেলের দাম ১২০ ডলারের ওপরে তুলেছে। পরবর্তী গন্তব্য ১৪০ ডলার।” তিনি আরও বলেন, সমস্যা শুধু নীতিতে নয়, বরং নীতিনির্ধারণী মানসিকতায়। এর আগে ফক্স নিউজে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের তেল পরিবহন অবরুদ্ধ হলে পাইপলাইনে অভ্যন্তরীণ চাপ সৃষ্টি হয়ে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে এবং এতে অবকাঠামো স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে গালিবাফ এসব মন্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের
বর্তমান কৌশল ইরানকে দুর্বল করার পরিবর্তে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট আরও বাড়িয়ে তুলছে।



