ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা
তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের সম্পর্ক নেই
দুই সপ্তাহ ব্যবধানে নজিরবিহীন দুই দফা দাম বৃদ্ধি: ১২ কেজির এলপিজি এখন ১৯৪০
তেলের দামে নাভিশ্বাস জনজীবন
এবার বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম
বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
চলছে রিহ্যাব নির্বাচন, পরিচালক পদের কেন্দ্রবিন্দুতে তাসনোভা মাহবুব সালাম
জ্বালানি তেলের সংকট: দেশীয় কোম্পানির ট্যাংকারে উপচে পড়ছে পেট্রোল-অকটেন, নিচ্ছে না সরকার
দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিতরণ নিয়ে নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। দেশীয় কোম্পানিগুলোর ট্যাংকারে পেট্রোল ও অকটেন উপচে পড়লেও সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) তা গ্রহণ করছে না। ফলে একদিকে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন, অন্যদিকে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে তেল জমে থাকার দ্বৈত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশে পেট্রোল ও অকটেনের মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশ পূরণ করে স্থানীয় পাঁচটি প্রতিষ্ঠান—যার মধ্যে চারটি বেসরকারি ও একটি সরকারি। প্রতি মাসে দেশে প্রায় ৭৫ হাজার টন পেট্রোল ও অকটেনের প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি, যা মোট চাহিদার ৪০-৪৫ শতাংশ সরবরাহ করে।
অভিযোগ উঠেছে, বিপিসি গত ৮ই
এপ্রিল সুপার পেট্রোকেমিক্যালকে চিঠি দিয়ে তাদের কাছ থেকে তেল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির ট্যাংকারগুলো এখন উপচে পড়ার উপক্রম এবং উৎপাদন কার্যক্রমও হুমকির মুখে পড়েছে। মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, বিভিন্ন পাম্পে ১ থেকে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত লাইন এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাধিক বৈঠক করেছেন। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন এবং জ্বালানি খাতে কোনো অব্যবস্থাপনা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে দেশে অকটেন মজুতের সক্ষমতা ৫৩ হাজার টন হলেও বর্তমানে মজুত রয়েছে প্রায় ৫৫ হাজার টন। এর মধ্যে ১০ই এপ্রিল ৩৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ আসায় বিপিসি আরও চাপে পড়েছে। সুপার পেট্রোকেমিক্যালের প্রধান
নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণব কুমার সাহা ১৬ই এপ্রিল বিপিসির চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ৫ই এপ্রিলের বৈঠকে এপ্রিল মাসে ৩৭ হাজার টন পেট্রোল-অকটেন এবং ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া হয়। কিন্তু ৮ই এপ্রিল থেকে বিতরণ কোম্পানিগুলো তেল নেওয়া বন্ধ করে দেয়। প্রণব কুমার সাহা আরও বলেন, ফেব্রুয়ারিতে একটি জাহাজ আসার পরও বিপিসি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তেল গ্রহণ করেনি, যার ফলে মার্চ মাসে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছিল। আগামী ২০শে এপ্রিল কাঁচামাল নিয়ে আরেকটি জাহাজ আসার কথা, কিন্তু ট্যাংক খালি না হলে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। অন্যদিকে, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহীরুল হাসান বলেন,
অকটেন সংরক্ষণের আর জায়গা নেই। তাই বেসরকারি কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে অল্প অল্প করে তেল নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা—এই তিনটি বিতরণ কোম্পানি দৈনিক গড়ে ১২ হাজার ৭৭৭ টন ডিজেল, ১ হাজার ৪৯৬ টন পেট্রোল এবং ১ হাজার ১৯৩ টন অকটেন সরবরাহ করছে। তবে ২৮শে ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর ৮ মার্চ থেকে সরকার তেল সরবরাহে রেশনিং চালু করে। ঈদের আগে রেশনিং তুলে নেওয়া হলেও সরবরাহ সীমিত রাখার নির্দেশনা এখনও বহাল রয়েছে।
এপ্রিল সুপার পেট্রোকেমিক্যালকে চিঠি দিয়ে তাদের কাছ থেকে তেল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির ট্যাংকারগুলো এখন উপচে পড়ার উপক্রম এবং উৎপাদন কার্যক্রমও হুমকির মুখে পড়েছে। মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, বিভিন্ন পাম্পে ১ থেকে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত লাইন এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাধিক বৈঠক করেছেন। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন এবং জ্বালানি খাতে কোনো অব্যবস্থাপনা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে দেশে অকটেন মজুতের সক্ষমতা ৫৩ হাজার টন হলেও বর্তমানে মজুত রয়েছে প্রায় ৫৫ হাজার টন। এর মধ্যে ১০ই এপ্রিল ৩৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ আসায় বিপিসি আরও চাপে পড়েছে। সুপার পেট্রোকেমিক্যালের প্রধান
নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণব কুমার সাহা ১৬ই এপ্রিল বিপিসির চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ৫ই এপ্রিলের বৈঠকে এপ্রিল মাসে ৩৭ হাজার টন পেট্রোল-অকটেন এবং ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া হয়। কিন্তু ৮ই এপ্রিল থেকে বিতরণ কোম্পানিগুলো তেল নেওয়া বন্ধ করে দেয়। প্রণব কুমার সাহা আরও বলেন, ফেব্রুয়ারিতে একটি জাহাজ আসার পরও বিপিসি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তেল গ্রহণ করেনি, যার ফলে মার্চ মাসে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছিল। আগামী ২০শে এপ্রিল কাঁচামাল নিয়ে আরেকটি জাহাজ আসার কথা, কিন্তু ট্যাংক খালি না হলে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। অন্যদিকে, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহীরুল হাসান বলেন,
অকটেন সংরক্ষণের আর জায়গা নেই। তাই বেসরকারি কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে অল্প অল্প করে তেল নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা—এই তিনটি বিতরণ কোম্পানি দৈনিক গড়ে ১২ হাজার ৭৭৭ টন ডিজেল, ১ হাজার ৪৯৬ টন পেট্রোল এবং ১ হাজার ১৯৩ টন অকটেন সরবরাহ করছে। তবে ২৮শে ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর ৮ মার্চ থেকে সরকার তেল সরবরাহে রেশনিং চালু করে। ঈদের আগে রেশনিং তুলে নেওয়া হলেও সরবরাহ সীমিত রাখার নির্দেশনা এখনও বহাল রয়েছে।



