ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা
তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের সম্পর্ক নেই
জ্বালানি তেলের সংকট: দেশীয় কোম্পানির ট্যাংকারে উপচে পড়ছে পেট্রোল-অকটেন, নিচ্ছে না সরকার
দুই সপ্তাহ ব্যবধানে নজিরবিহীন দুই দফা দাম বৃদ্ধি: ১২ কেজির এলপিজি এখন ১৯৪০
এবার বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম
বাড়ল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
চলছে রিহ্যাব নির্বাচন, পরিচালক পদের কেন্দ্রবিন্দুতে তাসনোভা মাহবুব সালাম
তেলের দামে নাভিশ্বাস জনজীবন
রাজধানীর পাম্পগুলোতে দীর্ঘ অপেক্ষার মাঝেই কার্যকর হয়েছে জ্বালানি তেলের নতুন নির্ধারিত মূল্য। শনিবার দিবাগত রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন দামে তেল বিক্রি শুরু করে বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনসহ দেশের অন্যান্য পাম্প। তেলের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে উপস্থিত বাইকার ও ড্রাইভারদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
অনেকেই হতাশা ব্যক্ত করে বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে তাদের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে গেলো। এখন সব ধরনের দ্রব্যের মূল্য বাড়বে।
পাম্পে তেল নিতে আসা আনোয়ার হোসেন নামের এক বাইকার ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “দামই যদি বাড়াবে, তবে তেলের এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মানুষকে কেন কষ্ট দিলো? আমাদের আরও বিপদের মধ্যে ফেলে দিলো। সরকারের কাছে
অনেক আশা ছিল, কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি তৈরি হলো, তাতে সামনে আরও ভয়াবহ দিন আসছে।” সানোয়ার হোসেন নামের এক চালক এই মূল্যবৃদ্ধিকে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “আমাদের মতো লোকজনের এখন শহরে টিকাই দায় হবে। সবকিছুর দাম তো এখন আরও বাড়বে।” একই সুরে মনিরুল ইসলাম নামের অন্য এক চালক বলেন, “বড়লোকদের কোনও সমস্যা নাই। সমস্যা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের। চাল, ডাল থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বাড়বে এখন। আমরা শহরে কেমন করে বাঁচবো?” সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করা হয়েছে। আর
পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। ডিজেলের দাম লিটার প্রতি বাড়ানো হয়েছে ১৫ টাকা। নতুন দামে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রি হবে ১১৫ টাকা করে। আর কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করা হয়েছে। পাম্পে উপস্থিত গ্রাহকরা মনে করছেন, তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন ভাড়া থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষার পর বর্ধিত মূল্যের এই ধাক্কা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও সংকটের মুখে ঠেলে দিলো। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের জন্য শহরে টিকে থাকা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
অনেক আশা ছিল, কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি তৈরি হলো, তাতে সামনে আরও ভয়াবহ দিন আসছে।” সানোয়ার হোসেন নামের এক চালক এই মূল্যবৃদ্ধিকে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “আমাদের মতো লোকজনের এখন শহরে টিকাই দায় হবে। সবকিছুর দাম তো এখন আরও বাড়বে।” একই সুরে মনিরুল ইসলাম নামের অন্য এক চালক বলেন, “বড়লোকদের কোনও সমস্যা নাই। সমস্যা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের। চাল, ডাল থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বাড়বে এখন। আমরা শহরে কেমন করে বাঁচবো?” সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করা হয়েছে। আর
পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। ডিজেলের দাম লিটার প্রতি বাড়ানো হয়েছে ১৫ টাকা। নতুন দামে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রি হবে ১১৫ টাকা করে। আর কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করা হয়েছে। পাম্পে উপস্থিত গ্রাহকরা মনে করছেন, তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন ভাড়া থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষার পর বর্ধিত মূল্যের এই ধাক্কা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও সংকটের মুখে ঠেলে দিলো। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের জন্য শহরে টিকে থাকা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।



