ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক আইনমন্ত্রী ও প্রবীণ আইনজীবী শফিক আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা
কুষ্টিয়ায় পীর হত্যায় নিন্দা, জড়িতদের বিচারের দাবি ‘মাকাম’-এর
মব সংস্কৃতির জন্মদাতা ও পৃষ্ঠপোষক মবের বিরুদ্ধেই সোচ্চার!
মঙ্গার আগমন ধ্বনি? জ্বালানি সংকটে রংপুরে সেচ বন্ধ, জমি ফেটে চৌচির
শাহবাগে ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামী সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর মৌলবাদীদের হামলা
এক দশকের হামের ভয়াবহ প্রকোপে ২৬ দিনে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১৪ হাজার
কুষ্টিয়ার সেই কথিত পীর গণপিটুনিতে নিহত
শরীয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন একতরফা নির্বাচনে ১৫ পদের সব কটিতেই জয়ী বিএনপিপন্থীরা
শরীয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির (২০২৬-২০২৭) নির্বাচনে ১৫টি পদের সব কটিতেই জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম (বিএনপি-সমর্থিত) সমর্থিত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। তবে এই নির্বাচন ঘিরে একতরফা প্রভাব খাটানো এবং অন্য পক্ষের প্রার্থীদের মনোনয়ন তুলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ১৫ জন প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ কামরুল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মৃধা নজরুল কবির বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে ২০২৫ সালেও বিএনপি-সমর্থিত প্যানেল প্রায় একইভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছিল]।
যাঁরা বিজয়ী হলেন
নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কার্যনির্বাহী
কমিটির অন্যান্য পদে যাঁরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁরা হলেন—সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান স্বপন, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জাফর ইকবাল (মাসুদ), যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট সেলিম আহমদ, সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ এম লোকমান হোসাইন, অর্থ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন হাওলাদার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুনিরা আক্তার, লাইব্রেরি সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জয়নাল আবেদীন এবং অডিটর অ্যাডভোকেট এনামুল হক এনাম। এ ছাড়া সদস্য পদে নির্বাচিত পাঁচজন হলেন অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন খান, মো. লুৎফর রহমান ঢালী, মো. মনোয়ার হোসেন, মো. জাকির হোসেন তালুকদার এবং তৌহিদুল ইসলাম। মনোনয়ন তুলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আইনজীবীদের একটি পক্ষের অভিযোগ, নির্বাচনকে একতরফা করার জন্য পরিকল্পিতভাবে বিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শের ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহে বাধা দেওয়া হয়েছে। গতবারের নির্বাচনের মতো এবারও সম্মেলনকক্ষের প্রবেশপথে অবস্থান নিয়েছিলেন একটি পক্ষের আইনজীবীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক আইনজীবী আজকের কন্ঠকে বলেন, যাঁরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন, তাঁদের কাউকেই মনোনয়ন ফরম তুলতে দেওয়া হয়নি। কাউকে কাউকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা এবং চেম্বারে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনাও ঘটেছে। এ কারণে বাধ্য হয়ে অনেকেই সরে দাঁড়ান, যার ফলে পুরো প্যানেলটি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভের সুযোগ পায়। কী বলছে বিজয়ীরা ও কমিশন বাধা দেওয়া ও একতরফা নির্বাচনের অভিযোগ অবশ্য পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী নেতারা। নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃধা নজরুল কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘কাউকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। যাঁরা নির্বাচন
করতে চেয়েছেন, তাঁরা সবাই উৎসবমুখর পরিবেশেই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। অন্য পক্ষ নিশ্চিত পরাজয় জেনে প্রার্থী দেয়নি, এখন নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে মিথ্যা অভিযোগ করছে।’ এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে জানান, নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়ন ফরম বিতরণ ও জমা নেওয়া হয়েছে। ১৫টি পদের বিপরীতে কেবল ১৫ জন প্রার্থীই তাঁদের মনোনয়ন দাখিল করেন। অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় বিধি মোতাবেক তাঁদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। কাউকে বাধা দেওয়া বা অপ্রীতিকর কোনো অভিযোগ কেউ কমিশনের কাছে করেনি।
কমিটির অন্যান্য পদে যাঁরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁরা হলেন—সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান স্বপন, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জাফর ইকবাল (মাসুদ), যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট সেলিম আহমদ, সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ এম লোকমান হোসাইন, অর্থ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন হাওলাদার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুনিরা আক্তার, লাইব্রেরি সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জয়নাল আবেদীন এবং অডিটর অ্যাডভোকেট এনামুল হক এনাম। এ ছাড়া সদস্য পদে নির্বাচিত পাঁচজন হলেন অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন খান, মো. লুৎফর রহমান ঢালী, মো. মনোয়ার হোসেন, মো. জাকির হোসেন তালুকদার এবং তৌহিদুল ইসলাম। মনোনয়ন তুলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আইনজীবীদের একটি পক্ষের অভিযোগ, নির্বাচনকে একতরফা করার জন্য পরিকল্পিতভাবে বিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শের ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহে বাধা দেওয়া হয়েছে। গতবারের নির্বাচনের মতো এবারও সম্মেলনকক্ষের প্রবেশপথে অবস্থান নিয়েছিলেন একটি পক্ষের আইনজীবীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক আইনজীবী আজকের কন্ঠকে বলেন, যাঁরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন, তাঁদের কাউকেই মনোনয়ন ফরম তুলতে দেওয়া হয়নি। কাউকে কাউকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা এবং চেম্বারে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনাও ঘটেছে। এ কারণে বাধ্য হয়ে অনেকেই সরে দাঁড়ান, যার ফলে পুরো প্যানেলটি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভের সুযোগ পায়। কী বলছে বিজয়ীরা ও কমিশন বাধা দেওয়া ও একতরফা নির্বাচনের অভিযোগ অবশ্য পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী নেতারা। নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃধা নজরুল কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘কাউকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। যাঁরা নির্বাচন
করতে চেয়েছেন, তাঁরা সবাই উৎসবমুখর পরিবেশেই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। অন্য পক্ষ নিশ্চিত পরাজয় জেনে প্রার্থী দেয়নি, এখন নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে মিথ্যা অভিযোগ করছে।’ এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে জানান, নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়ন ফরম বিতরণ ও জমা নেওয়া হয়েছে। ১৫টি পদের বিপরীতে কেবল ১৫ জন প্রার্থীই তাঁদের মনোনয়ন দাখিল করেন। অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় বিধি মোতাবেক তাঁদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। কাউকে বাধা দেওয়া বা অপ্রীতিকর কোনো অভিযোগ কেউ কমিশনের কাছে করেনি।



