ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনা সরকার উৎখাতে সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের গোপন ভূমিকা: নর্থ ইস্ট নিউজের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের “কালো আইন” এর প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়
ডিজেলের পর এবার ভারত থেকে এলো ১১৬ টন গম, আসবে আরও অনেক পণ্য
‘শিরীন শারমিনের জামিন’ খবরটি নিয়ে যা জানা গেল
সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমে দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে ৫০১ প্রকৌশলীর বিবৃতি
দুই দিন ১০ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকবে না
বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন দিয়ে ভারত থেকে এলো প্রায় ১ কোটি লিটার ডিজেল
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৬ সালে স্বাক্ষরিত ভারতের সাথে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন বা ৯৬ লাখ লিটার ডিজেল ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে পৌঁছেছে।
আগামী ১৭ই এপ্রিল এই পাইপলাইনের মাধ্যমেই আরও ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনার প্রক্রিয়া চলছে।
১০ই এপ্রিল, শুক্রবার মধ্যরাতে এই চালান গ্রহণের কার্যক্রম সম্পন্ন হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তারা আরও জানান, চলতি এপ্রিল মাসে মোট ৪০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ম্যানেজার (অপারেশনস) কাজী মো. রবিউল আলম বলেন, শুক্রবার
মধ্যরাতে ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সফলভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং ১৭ই এপ্রিল আরও ৫ হাজার মেট্রিক টনের একটি চালান আসার কথা রয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে করা এই চুক্তির অধীনে ইউনূস সরকারের সময় গত বছরের ডিসেম্বরের শুরুতে ২ লাখ টন ডিজেল আনা হয়েছিল। বর্তমান জ্বালানি সংকটে আবারও নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে আসছে ডিজেল। জ্বালানি তেলের মজুদ স্বাভাবিক রাখা এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জরুরিভিত্তিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে এই আমদানির ফলে পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে মোট চারটি চালানের মাধ্যমে ভারত থেকে এই ৪০ হাজার মেট্রিক
টন ডিজেল আনা হবে। এর মধ্যে প্রথম চালান হিসেবে ৮ হাজার মেট্রিক টন ইতোমধ্যে পৌঁছেছে। এর আগে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে চারটি চালানের মাধ্যমে পাইপলাইনে মোট ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বাংলাদেশে এসেছে। শেখ হাসিনার সরকার এবং নরেন্দ্র মোদির সরকারের যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত পাইপলাইনটি ২০২৩ সালের মার্চে উদ্বোধন হয়েছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ১৩১.৫৭ কিলোমিটার (ভারতে ৫ কি.মি এবং বাংলাদেশে ১২৬.৫৭ কি.মি) এবং ক্ষমতা বার্ষিক ১ মিলিয়ন মেট্রিক টন (এমএমটিপিএ)। উল্লেখ্য, ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত রিসিপ্ট টার্মিনালে এসব জ্বালানি পৌঁছায়। পরবর্তীতে সেখান থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা—এই তিনটি তেল বিপণন কোম্পানির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। আগে
রেলপথে সরবরাহ হতো, কিন্তু পাইপলাইন চালু হওয়ায় পরিবহন খরচ কমেছে এবং সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন হয়েছে। ভারতের ৮০ ভাগ অর্থায়নে পাইপলাইনটি নির্মিত হয়েছে। চুক্তির তথ্য বলছে, দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে বার্ষিক আমদানি পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে: প্রথম তিন বছর ২.৫ লাখ টন, পরবর্তীতে ৩ লাখ, ৩.৫ লাখ এবং শেষে ৪ লাখ টন। এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা (বার্ষিক প্রায় ৭৪ লাখ টন রিফাইন্ড ফুয়েল, যার ৮০ শতাংশ আমদানি) মেটাতে সহায়ক।
মধ্যরাতে ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সফলভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং ১৭ই এপ্রিল আরও ৫ হাজার মেট্রিক টনের একটি চালান আসার কথা রয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে করা এই চুক্তির অধীনে ইউনূস সরকারের সময় গত বছরের ডিসেম্বরের শুরুতে ২ লাখ টন ডিজেল আনা হয়েছিল। বর্তমান জ্বালানি সংকটে আবারও নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে আসছে ডিজেল। জ্বালানি তেলের মজুদ স্বাভাবিক রাখা এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জরুরিভিত্তিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে এই আমদানির ফলে পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে মোট চারটি চালানের মাধ্যমে ভারত থেকে এই ৪০ হাজার মেট্রিক
টন ডিজেল আনা হবে। এর মধ্যে প্রথম চালান হিসেবে ৮ হাজার মেট্রিক টন ইতোমধ্যে পৌঁছেছে। এর আগে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে চারটি চালানের মাধ্যমে পাইপলাইনে মোট ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বাংলাদেশে এসেছে। শেখ হাসিনার সরকার এবং নরেন্দ্র মোদির সরকারের যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত পাইপলাইনটি ২০২৩ সালের মার্চে উদ্বোধন হয়েছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ১৩১.৫৭ কিলোমিটার (ভারতে ৫ কি.মি এবং বাংলাদেশে ১২৬.৫৭ কি.মি) এবং ক্ষমতা বার্ষিক ১ মিলিয়ন মেট্রিক টন (এমএমটিপিএ)। উল্লেখ্য, ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত রিসিপ্ট টার্মিনালে এসব জ্বালানি পৌঁছায়। পরবর্তীতে সেখান থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা—এই তিনটি তেল বিপণন কোম্পানির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। আগে
রেলপথে সরবরাহ হতো, কিন্তু পাইপলাইন চালু হওয়ায় পরিবহন খরচ কমেছে এবং সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন হয়েছে। ভারতের ৮০ ভাগ অর্থায়নে পাইপলাইনটি নির্মিত হয়েছে। চুক্তির তথ্য বলছে, দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে বার্ষিক আমদানি পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে: প্রথম তিন বছর ২.৫ লাখ টন, পরবর্তীতে ৩ লাখ, ৩.৫ লাখ এবং শেষে ৪ লাখ টন। এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা (বার্ষিক প্রায় ৭৪ লাখ টন রিফাইন্ড ফুয়েল, যার ৮০ শতাংশ আমদানি) মেটাতে সহায়ক।



