ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পর এবার বিএনপি সরকারের ৩ দিনের ‘ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট’!
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে ছাত্রলীগের হুঁশিয়ারি :বিএনপি সংসদে গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘোষণা করেছে
খালেদা জিয়াকে পূর্ণ মুক্তিযোদ্ধা, তারেক-কোকোকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির দাবি মহান সংসদে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং না থাকা ‘গোড়ায় গলদ’: সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান
সুষ্ঠু ভোট হলে ৫৩ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিত: শেখ হাসিনা
সংকট থেকে ফিনিক্স পাখির মতো উত্থান: আওয়ামী লীগের পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস
না খেয়ে থাকা ৬ হাজার শ্রমিকের হাহাকার: কুমিল্লায় রাজপথ অবরোধে ফুঁসে উঠেছে জনতা।
দেশের উন্নয়ন-আগ্রগতিতে মূখ্য ভূমিকা রাখা এনার্জি সেক্টরে ধস: ইউনূস সরকারের প্রতিহিংসা নাকি অদক্ষতা?
তীব্র গরমের শুরুতেই বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে দেখা দিয়েছে চরম সংকট। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের ঘাটতি দুই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে, যা আগামী দিনগুলোতে আরও বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকটের মূলে রয়েছে ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক ও অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত—আওয়ামী লীগ আমলে নেওয়া নবায়নযোগ্য শক্তির ৩৭টি সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বেশ কয়েকটি কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করা।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অনুমোদিত এই ৩৭টি সৌর প্রকল্প থেকে ২০২৭ সাল নাগাদ প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা ছিল। এছাড়া উচ্চমূল্যের কুইক রেন্টাল প্ল্যান্টগুলোর সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিও বাতিল করে দেয় ইউনূস সরকার। ফলে আমদানিনির্ভর তেল, গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক
বিদ্যুতের অনিশ্চয়তার মধ্যে নাগরিকদের বিদ্যুৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হাতছাড়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই বাতিলের পেছনে কোনো সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বা ভিশন ছিল না। শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ আমলের প্রকল্প বলে প্রতিহিংসাপরায়ণভাবে এগুলো বাতিল করা হয়েছে। আর বরাদ্দের সেই সকল অর্থ কোন বিকল্পের সংস্থান না করে খরচ হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের বিলাসবহুল সরকার পরিচালনায়। আওয়ামী লীগ সরকার কৃষি ও শিল্প উৎপাদন নিশ্চিত করতে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনে ভর্তুকি দিয়ে নাগরিকদের কাছে সরবরাহ করেছে এবং একইসঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য স্বল্পমূল্যের নবায়নযোগ্য শক্তির পরিকল্পনা নিয়েছিল। শতভাগ বিদ্যুতায়নের যে সুন্দর কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছিল, ইউনূস সরকারের এই অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত ও অদক্ষতায় তা আজ ধ্বংসের মুখে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের
কারণে তেল, গ্যাস ও কয়লার আমদানি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো তীব্র গ্রীষ্মে নাগরিক জীবনে বিদ্যুতের নিশ্চয়তা দিতে পারত। কিন্তু সেই সুযোগ হারিয়ে এখন দেশবাসীকে ভোগ করতে হচ্ছে লোডশেডিংয়ের দুর্ভোগ। এপ্রিলের শুরুতেই ২০০০ মেগাওয়াটের বেশি ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যা গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও তীব্র হতে পারে। একইসঙ্গে আগস্ট ২০২৪-এর পর হাজার হাজার মিল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা কমেছে। তবু বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় সরকার হিমশিম খাচ্ছে। আওয়ামী লীগ আমলে শিল্পের পাশাপাশি নাগরিক চাহিদা পূরণে যে ভর্তুকিমূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো, সেই কাঠামো আজ ভেঙে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ইউনূস সরকারের এই প্রতিহিংসামূলক সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের উন্নয়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
নিয়ামক—এনার্জি সেক্টর—ধ্বসে পড়েছে। নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে অগ্রসর হওয়ার পরিবর্তে দেশ আবার আমদানিনির্ভর জ্বালানির অনিশ্চয়তায় আটকে গেছে। ফলে গ্রীষ্মকালীন দুর্ভোগ চরমে উঠবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সংকট থেকে উত্তরণে সরকারের কাছে বিশেষজ্ঞদের দাবি—বাতিলকৃত প্রকল্পগুলো পুনর্বিবেচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের পথ খুলে দেওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা। অন্যথায়, প্রতিহিংসার রাজনীতির বলি হয়ে দেশের অর্থনীতি ও নাগরিক জীবন আরও গভীর অন্ধকারে তলিয়ে যাবে।
বিদ্যুতের অনিশ্চয়তার মধ্যে নাগরিকদের বিদ্যুৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হাতছাড়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই বাতিলের পেছনে কোনো সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বা ভিশন ছিল না। শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ আমলের প্রকল্প বলে প্রতিহিংসাপরায়ণভাবে এগুলো বাতিল করা হয়েছে। আর বরাদ্দের সেই সকল অর্থ কোন বিকল্পের সংস্থান না করে খরচ হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের বিলাসবহুল সরকার পরিচালনায়। আওয়ামী লীগ সরকার কৃষি ও শিল্প উৎপাদন নিশ্চিত করতে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনে ভর্তুকি দিয়ে নাগরিকদের কাছে সরবরাহ করেছে এবং একইসঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য স্বল্পমূল্যের নবায়নযোগ্য শক্তির পরিকল্পনা নিয়েছিল। শতভাগ বিদ্যুতায়নের যে সুন্দর কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছিল, ইউনূস সরকারের এই অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত ও অদক্ষতায় তা আজ ধ্বংসের মুখে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের
কারণে তেল, গ্যাস ও কয়লার আমদানি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো তীব্র গ্রীষ্মে নাগরিক জীবনে বিদ্যুতের নিশ্চয়তা দিতে পারত। কিন্তু সেই সুযোগ হারিয়ে এখন দেশবাসীকে ভোগ করতে হচ্ছে লোডশেডিংয়ের দুর্ভোগ। এপ্রিলের শুরুতেই ২০০০ মেগাওয়াটের বেশি ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যা গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও তীব্র হতে পারে। একইসঙ্গে আগস্ট ২০২৪-এর পর হাজার হাজার মিল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা কমেছে। তবু বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় সরকার হিমশিম খাচ্ছে। আওয়ামী লীগ আমলে শিল্পের পাশাপাশি নাগরিক চাহিদা পূরণে যে ভর্তুকিমূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো, সেই কাঠামো আজ ভেঙে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ইউনূস সরকারের এই প্রতিহিংসামূলক সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের উন্নয়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
নিয়ামক—এনার্জি সেক্টর—ধ্বসে পড়েছে। নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে অগ্রসর হওয়ার পরিবর্তে দেশ আবার আমদানিনির্ভর জ্বালানির অনিশ্চয়তায় আটকে গেছে। ফলে গ্রীষ্মকালীন দুর্ভোগ চরমে উঠবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সংকট থেকে উত্তরণে সরকারের কাছে বিশেষজ্ঞদের দাবি—বাতিলকৃত প্রকল্পগুলো পুনর্বিবেচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের পথ খুলে দেওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা। অন্যথায়, প্রতিহিংসার রাজনীতির বলি হয়ে দেশের অর্থনীতি ও নাগরিক জীবন আরও গভীর অন্ধকারে তলিয়ে যাবে।



