ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পর এবার বিএনপি সরকারের ৩ দিনের ‘ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট’!
দেশের উন্নয়ন-আগ্রগতিতে মূখ্য ভূমিকা রাখা এনার্জি সেক্টরে ধস: ইউনূস সরকারের প্রতিহিংসা নাকি অদক্ষতা?
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে ছাত্রলীগের হুঁশিয়ারি :বিএনপি সংসদে গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘোষণা করেছে
খালেদা জিয়াকে পূর্ণ মুক্তিযোদ্ধা, তারেক-কোকোকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির দাবি মহান সংসদে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং না থাকা ‘গোড়ায় গলদ’: সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান
সংকট থেকে ফিনিক্স পাখির মতো উত্থান: আওয়ামী লীগের পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস
না খেয়ে থাকা ৬ হাজার শ্রমিকের হাহাকার: কুমিল্লায় রাজপথ অবরোধে ফুঁসে উঠেছে জনতা।
সুষ্ঠু ভোট হলে ৫৩ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিত: শেখ হাসিনা
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি করেছেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে দেশের ৫৩ শতাংশ ভোটার আওয়ামী লীগকে ভোট দিত। এই বিপুল জনসমর্থনের ভয়েই দেশি-বিদেশি চক্রান্তের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী তাঁর দীর্ঘ বক্তব্যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ও তাঁর ক্ষমতাচ্যুতির নেপথ্যের কারণগুলো নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন।
এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
ভোটের পরিসংখ্যান: শেখ হাসিনা দাবি করেন, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার জরিপ অনুযায়ী আওয়ামী লীগ ৫৩%, বিএনপি ২৪% এবং জামায়াত ১১% ভোট পেত।
বিদেশি
চক্রান্ত: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন সরকার ও সিআইএ-র হস্তক্ষেপে তাঁর সরকারের পতন হয়েছে বলে সরাসরি অভিযোগ। হত্যাকাণ্ড নিয়ে দাবি: জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থার ১৪০০ মানুষ হত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে পাল্টা পুলিশের ওপর হামলার দাবি। মামলার নির্দেশ: নেতা-কর্মীদের প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে অনলাইনে বা রেজিস্ট্রির মাধ্যমে মামলা করার আহ্বান। নির্বাচনী কৌশল: দলগতভাবে বাধা থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশগ্রহণের ঘোষণা। ভিডিও বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, “ওদের ওই গোয়েন্দা সংস্থা বলেছে—আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচন করে তবে ৫৩ শতাংশ ভোটার ভোট দেবে। বিএনপি পাবে ২৪ শতাংশ আর জামায়াত পাবে ১১ শতাংশ। এই চক্রান্ত করেই আওয়ামী লীগকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হয়েছে।” তিনি অভিযোগ করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
‘ডিপ স্টেট’ চক্রান্তের মাধ্যমে এবং বিশাল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে তাঁর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার, নির্দিষ্ট কিছু মিডিয়া এবং বিভিন্ন স্তরের মানুষকে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। নেতা-কর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রতিবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার কোনো অধিকার এই অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীদের নেই। যারা নির্যাতিত হয়েছেন, তারা ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে অনলাইনে বা রেজিস্ট্রি করে মামলা করুন। প্রতিটি অন্যায়ের বিচার আইনি পথেই নিশ্চিত করতে হবে।” দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্যের হার বর্তমানে ৪০ শতাংশে উঠে গেছে এবং প্রায় ৬ কোটি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। তিনি অভিযোগ
করেন, দেশে এখন কোনো আইনের শাসন নেই এবং প্রতিনিয়ত সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। রাজনৈতিক কৌশল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আসন্ন সব স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তারা যেকোনো উপায়ে অংশগ্রহণ করবে। দলগতভাবে সম্ভব না হলে নেতা-কর্মীদের স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। বক্তব্যের শেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ইনশাল্লাহ বাঙালি জাতি বিশ্বের বুকে আবারও মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে এবং সকল বাধা কাটিয়ে আওয়ামী লীগ আবারও জনসেবায় ফিরবে।
চক্রান্ত: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন সরকার ও সিআইএ-র হস্তক্ষেপে তাঁর সরকারের পতন হয়েছে বলে সরাসরি অভিযোগ। হত্যাকাণ্ড নিয়ে দাবি: জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থার ১৪০০ মানুষ হত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে পাল্টা পুলিশের ওপর হামলার দাবি। মামলার নির্দেশ: নেতা-কর্মীদের প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে অনলাইনে বা রেজিস্ট্রির মাধ্যমে মামলা করার আহ্বান। নির্বাচনী কৌশল: দলগতভাবে বাধা থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশগ্রহণের ঘোষণা। ভিডিও বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, “ওদের ওই গোয়েন্দা সংস্থা বলেছে—আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচন করে তবে ৫৩ শতাংশ ভোটার ভোট দেবে। বিএনপি পাবে ২৪ শতাংশ আর জামায়াত পাবে ১১ শতাংশ। এই চক্রান্ত করেই আওয়ামী লীগকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হয়েছে।” তিনি অভিযোগ করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
‘ডিপ স্টেট’ চক্রান্তের মাধ্যমে এবং বিশাল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে তাঁর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার, নির্দিষ্ট কিছু মিডিয়া এবং বিভিন্ন স্তরের মানুষকে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। নেতা-কর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রতিবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার কোনো অধিকার এই অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীদের নেই। যারা নির্যাতিত হয়েছেন, তারা ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে অনলাইনে বা রেজিস্ট্রি করে মামলা করুন। প্রতিটি অন্যায়ের বিচার আইনি পথেই নিশ্চিত করতে হবে।” দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্যের হার বর্তমানে ৪০ শতাংশে উঠে গেছে এবং প্রায় ৬ কোটি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। তিনি অভিযোগ
করেন, দেশে এখন কোনো আইনের শাসন নেই এবং প্রতিনিয়ত সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। রাজনৈতিক কৌশল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আসন্ন সব স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তারা যেকোনো উপায়ে অংশগ্রহণ করবে। দলগতভাবে সম্ভব না হলে নেতা-কর্মীদের স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। বক্তব্যের শেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ইনশাল্লাহ বাঙালি জাতি বিশ্বের বুকে আবারও মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে এবং সকল বাধা কাটিয়ে আওয়ামী লীগ আবারও জনসেবায় ফিরবে।



