ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনা: সংকট ও দুর্যোগ মোকাবিলায় চ্যাম্পিয়ন রাষ্ট্রনায়ক
সব চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল
সিলেট-ঢাকা রুটে স্পেশাল ট্রেন
ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠানোর তথ্য ‘গুরুতর অসত্য’ : বিয়াম
জুলাই ২৪-এর ১৯ মাস পরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে আস্থা ফেরেনি: সোনারগাঁয়ে রণক্ষেত্র
আইনি লড়াইয়ে জয়: ১৪ মাস পর বারখাইন ইউপির সিংহাসনে ফিরলেন শাকিল
‘ড. ইউনূসের আমলে আমরা এক পাও এগুইনি’, ক্ষোভ ঝাড়লেন রপ্তানি শিল্পের উদ্যোক্তারা
গণভোটের প্রচারে ইউএনডিপির দেওয়া অর্থ লোপাটের অভিযোগ বদিউলের ‘সুজন ট্রাস্ট’-এর বিরুদ্ধে
গণভোটের পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)র অর্থায়নে পরিচালিত ‘ব্যালট’ নামের একটি প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ট্রাস্ট।
সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতিবিরোধী বক্তৃতা ও সুশাসনের দাবি করে আসছেন।
ইউএনডিপি (UNDP) কর্তৃক পরিচালিত ‘ব্যালট’ (BALLOT – Bangladesh Electoral Assistance to Lead Long-term Operating Tools) প্রকল্পটি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একটি অন্যতম প্রধান উদ্যোগ। ৩ বছর মেয়াদী (২০২৫–২০২৭) এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা। ব্যালট প্রকল্পে জাপান ৪.৮ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
দিয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮.৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অস্ট্রেলিয়া একই প্রকল্পে ২ মিলিয়ন ডলার সহায়তা ও কানাডা অনুরুপ ২ মিলিয়ন ডলার সহয়তা দেয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অডিট রিপোর্ট অনুসারে, প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে আড়াই কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রমে। প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় একজন করে ‘ইয়ুথ অ্যাম্বাসেডর’ নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রত্যেক অ্যাম্বাসেডরকে আড়াই মাসের জন্য প্রায় দেড় লাখ টাকা করে দেওয়া হয়। তাদের দায়িত্ব ছিল প্রতি জেলায় অন্তত ৫ হাজার তরুণ ভোটারকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে উদ্বুদ্ধ করা। অডিটে ভয়াবহ অনিয়মপ্রকল্প শেষে ইউএনডিপি নিজস্ব অডিটে বড় ধরনের অনিয়ম
ধরা পড়ে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রকল্পের প্রায় ৮০ শতাংশ বিল ও ভাউচার জালিয়াতির মাধ্যমে দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের প্রাপ্য ভ্যাট ও ট্যাক্স পরিশোধ করা হয়নি। বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার পর ইউএনডিপি সুজন ট্রাস্টের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। অভিযোগের পর বদিউল আলম মজুমদার তড়িঘড়ি প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একরামুল হককে পদত্যাগ করানোর ব্যবস্থা করেন। একরামুল হক একসময় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও সনাকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি গত ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে পদত্যাগ করেন। তবে ইউএনডিপি এই পদত্যাগকে দুর্নীতির ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করছে। পদত্যাগের পর সুজন ট্রাস্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন দিলীপ কুমার নামের আরেক কর্মকর্তা। বদিউল আলম মজুমদারের ভূমিকা বদিউল আলম
মজুমদার বর্তমান অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথাকথিত সংস্কার কমিশনের একজন সদস্য। তিনি নিয়মিত সংস্কার, সুশাসন ও দুর্নীতিবিরোধী বক্তব্য দিয়ে আসছেন। অথচ তার নিজের সংগঠনের প্রকল্পে এমন বড় অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় এনজিও সেক্টরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সূত্র জানায়, বদিউল আলম মজুমদার ইউএনডিপিকে ‘ম্যানেজ’ করতে তার বিভিন্ন কানেকশন কাজে লাগাচ্ছেন। তবে ইউএনডিপি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে এবং আরও বিস্তারিত তদন্তের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটে সাংবিধানিক সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। ‘ব্যালট’ প্রকল্প ছিল এরই একটি অংশ, যা তরুণদের মধ্যে গণভোটের পক্ষে জনমত
তৈরির লক্ষ্যে চালু করা হয়। এনজিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার অর্থায়িত প্রকল্পে এ ধরনের জালিয়াতি ও অর্থ লোপাট শুধু সুজন ট্রাস্টের সুনামই নয়, বাংলাদেশের এনজিও খাতের সামগ্রিক বিশ্বাসযোগ্যতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ইউএনডিপি যদি কঠোর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে অনুরূপ প্রকল্পে অর্থায়ন কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য: সুজন ট্রাস্ট ও বদিউল আলম মজুমদারের কাছে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ইউএনডিপির ঢাকা অফিস থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় আরও বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে প্রকাশিত হতে পারে।
দিয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮.৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অস্ট্রেলিয়া একই প্রকল্পে ২ মিলিয়ন ডলার সহায়তা ও কানাডা অনুরুপ ২ মিলিয়ন ডলার সহয়তা দেয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অডিট রিপোর্ট অনুসারে, প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে আড়াই কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রমে। প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় একজন করে ‘ইয়ুথ অ্যাম্বাসেডর’ নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রত্যেক অ্যাম্বাসেডরকে আড়াই মাসের জন্য প্রায় দেড় লাখ টাকা করে দেওয়া হয়। তাদের দায়িত্ব ছিল প্রতি জেলায় অন্তত ৫ হাজার তরুণ ভোটারকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে উদ্বুদ্ধ করা। অডিটে ভয়াবহ অনিয়মপ্রকল্প শেষে ইউএনডিপি নিজস্ব অডিটে বড় ধরনের অনিয়ম
ধরা পড়ে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রকল্পের প্রায় ৮০ শতাংশ বিল ও ভাউচার জালিয়াতির মাধ্যমে দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের প্রাপ্য ভ্যাট ও ট্যাক্স পরিশোধ করা হয়নি। বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার পর ইউএনডিপি সুজন ট্রাস্টের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। অভিযোগের পর বদিউল আলম মজুমদার তড়িঘড়ি প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একরামুল হককে পদত্যাগ করানোর ব্যবস্থা করেন। একরামুল হক একসময় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও সনাকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি গত ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে পদত্যাগ করেন। তবে ইউএনডিপি এই পদত্যাগকে দুর্নীতির ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করছে। পদত্যাগের পর সুজন ট্রাস্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন দিলীপ কুমার নামের আরেক কর্মকর্তা। বদিউল আলম মজুমদারের ভূমিকা বদিউল আলম
মজুমদার বর্তমান অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথাকথিত সংস্কার কমিশনের একজন সদস্য। তিনি নিয়মিত সংস্কার, সুশাসন ও দুর্নীতিবিরোধী বক্তব্য দিয়ে আসছেন। অথচ তার নিজের সংগঠনের প্রকল্পে এমন বড় অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় এনজিও সেক্টরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সূত্র জানায়, বদিউল আলম মজুমদার ইউএনডিপিকে ‘ম্যানেজ’ করতে তার বিভিন্ন কানেকশন কাজে লাগাচ্ছেন। তবে ইউএনডিপি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে এবং আরও বিস্তারিত তদন্তের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটে সাংবিধানিক সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। ‘ব্যালট’ প্রকল্প ছিল এরই একটি অংশ, যা তরুণদের মধ্যে গণভোটের পক্ষে জনমত
তৈরির লক্ষ্যে চালু করা হয়। এনজিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার অর্থায়িত প্রকল্পে এ ধরনের জালিয়াতি ও অর্থ লোপাট শুধু সুজন ট্রাস্টের সুনামই নয়, বাংলাদেশের এনজিও খাতের সামগ্রিক বিশ্বাসযোগ্যতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ইউএনডিপি যদি কঠোর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে অনুরূপ প্রকল্পে অর্থায়ন কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য: সুজন ট্রাস্ট ও বদিউল আলম মজুমদারের কাছে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ইউএনডিপির ঢাকা অফিস থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় আরও বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে প্রকাশিত হতে পারে।



