ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধর্মকার্ড খেলে মামলা খেলেন ইসলামী বক্তা থেকে সংসদ সদস্য বনে যাওয়া আমির হামজা
আমির হামজাকে ‘পাগলা গারদে’ ভর্তির দাবি
রুমিন ফারহানা: আমার এলাকায় ওয়াজ যেমন হবে, কীর্তন-বাউল গানও হবে
দল থেকে বহিষ্কার নিয়ে মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
১৭ বছর লড়াইয়ের পরও কেন বহিষ্কার, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
আ.লীগ ছাড়া সংসদ, যা বললেন রুমিন ফারহানা
ফেনী-৩ আসনের সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আটক করেছে ডিবি
আওয়ামী লীগ সরকারের জনবান্ধব কমিউনিটি ক্লিনিক: ওষুধ সংকটে সেবা বঞ্চিত তৃণমূলের দরিদ্র মানুষ
শেখ হাসিনার সরকার ১৯৯৬ সালে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা দোড়ড়োয় পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্যোগ চালুর নেন। ১৯৯৮-২০০১ সালে নির্মাণ হয় ক্লিনিক।
আওয়ামী লীগ সরকারের এই জনবান্ধব ক্লিনিকগুলো ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বন্ধ করে দেয় বিএনপি। পরে আবার আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে এটি চালু করে। সুফল পেতে থাকে দেশের কোটি মানুষ। দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এটি।
গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা বদলে দেওয়ার এই ক্লিনিকগুলো এখন ওষুধ সংকটে ধুকছে। দেশের ১৪ হাজার কমিউনিটিক্লিনিকে ওষুধ নেই। ইউনূস সরকারের পাশাপাশি বিএনপি সরকারও এই ক্লিনিকের প্রতি উদাসীন বলে জানা গেছে। এতে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা ভেঙ্গেপড়ার উপক্রম তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে বগুড়া, সিলেট, রাজশাহী, রংপুরসহ সারাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ নেই
অন্তত সাত মাস ধরে। ওষুধ সরবরাহে উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে। বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার দিঘলকান্দি কমিউনিটি ক্লিনিকে জ্বর ও সর্দি চিকিৎসা নিতে এসে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে মরিয়ম বেগমকে। দায়িত্বরত স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান, ক্লিনিকে কোনো ওষুধ নেই। ফলে রোগীদের বাইরে থেকে কিনতে বা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে চলে যান। মরিয়মের মতো প্রতিদিন সারাদেশের শত শত নারী, পুরুষ ও শিশু প্রাথমিক চিকিৎসার আশায় কমিউনিটি ক্লিনিকে এসে ওষুধ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া জেলার ১২টি উপজেলায় স্থাপিত ৩৭৪টি কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়ম অনুযায়ী ২২ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও গত সেপ্টেম্বর থেকে সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ
রয়েছে। এতে জেলার ১১০টি ইউনিয়নের প্রায় ১৭ লাখ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে কার্যত বঞ্চিত হচ্ছেন। সিলেটের বেশিরভাগ কমিউনিটি ক্লিনিকেও ওষুধ নেই। কিশোরগঞ্জেরও একই অবস্থা। কিশোরগঞ্জের মনোহরপুর কমিউনিটিক্লিনিকে গিয়ে ওষুধ পাননি মনোহরপুর গ্রামের রাজিয়া বেগম। তিনি বলেন, ২ বছর আগে সব ওষুধ নিয়মিত পেতাম। এখন কোনও ওষুধই নাই। এই ক্লিনিক আমাদের স্বাস্থ্যসেবা বদলে দিয়েছিল। বগুড়ার দিঘলকান্দি কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ প্রোভাইডার মামুনুর রশিদ জানান, আগে প্রতিদিন গড়ে ৬০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসতেন, কিন্তু ওষুধের অভাবে এখন সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১০ থেকে ১২ জনে। একই পরিস্থিতি দেখা গেছে বগুড়া সদর উপজেলার মধুমাঝিড়া ও হরিগাড়ী কমিউনিটি ক্লিনিকেও। স্বাস্থ্যকর্মী সোহেল রানা ও হাবিবা খাতুন জানান, বর্তমানে ক্লিনিকগুলোতে
জন্মনিয়ন্ত্রণ সেবা ও শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম ছাড়া কার্যত আর কোনো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ওষুধ না থাকায় রোগীদের বিকল্প উপায়ে সুস্থ থাকার পরামর্শ দিতে হচ্ছে। হরিগাড়ী গ্রামের কৃষক হযরত আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আগে ক্লিনিকে গেলে ওষুধ পাওয়া যেত, এখন কিছুই পাওয়া যায় না। ফাঁপোড় ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু রায়হান দ্রুত এ সংকট সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে বগুড়ার সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ আলম বলেন, আগে বৈদেশিক অর্থায়নের মাধ্যমে ওষুধ সরবরাহ করা হতো। তবে অন্তর্র্বতী সরকারের সময়ে সেই অর্থায়ন বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য বিভাগের নিজস্ব রাজস্ব খাত থেকে ওষুধ ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান। সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য
পরিচালক নূরে আলম বলেন, অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকেই ওষুধ নাই। আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বাস্তব অবস্থা জানিয়েছি।
অন্তত সাত মাস ধরে। ওষুধ সরবরাহে উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে। বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার দিঘলকান্দি কমিউনিটি ক্লিনিকে জ্বর ও সর্দি চিকিৎসা নিতে এসে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে মরিয়ম বেগমকে। দায়িত্বরত স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান, ক্লিনিকে কোনো ওষুধ নেই। ফলে রোগীদের বাইরে থেকে কিনতে বা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে চলে যান। মরিয়মের মতো প্রতিদিন সারাদেশের শত শত নারী, পুরুষ ও শিশু প্রাথমিক চিকিৎসার আশায় কমিউনিটি ক্লিনিকে এসে ওষুধ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া জেলার ১২টি উপজেলায় স্থাপিত ৩৭৪টি কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়ম অনুযায়ী ২২ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও গত সেপ্টেম্বর থেকে সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ
রয়েছে। এতে জেলার ১১০টি ইউনিয়নের প্রায় ১৭ লাখ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে কার্যত বঞ্চিত হচ্ছেন। সিলেটের বেশিরভাগ কমিউনিটি ক্লিনিকেও ওষুধ নেই। কিশোরগঞ্জেরও একই অবস্থা। কিশোরগঞ্জের মনোহরপুর কমিউনিটিক্লিনিকে গিয়ে ওষুধ পাননি মনোহরপুর গ্রামের রাজিয়া বেগম। তিনি বলেন, ২ বছর আগে সব ওষুধ নিয়মিত পেতাম। এখন কোনও ওষুধই নাই। এই ক্লিনিক আমাদের স্বাস্থ্যসেবা বদলে দিয়েছিল। বগুড়ার দিঘলকান্দি কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ প্রোভাইডার মামুনুর রশিদ জানান, আগে প্রতিদিন গড়ে ৬০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসতেন, কিন্তু ওষুধের অভাবে এখন সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১০ থেকে ১২ জনে। একই পরিস্থিতি দেখা গেছে বগুড়া সদর উপজেলার মধুমাঝিড়া ও হরিগাড়ী কমিউনিটি ক্লিনিকেও। স্বাস্থ্যকর্মী সোহেল রানা ও হাবিবা খাতুন জানান, বর্তমানে ক্লিনিকগুলোতে
জন্মনিয়ন্ত্রণ সেবা ও শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম ছাড়া কার্যত আর কোনো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ওষুধ না থাকায় রোগীদের বিকল্প উপায়ে সুস্থ থাকার পরামর্শ দিতে হচ্ছে। হরিগাড়ী গ্রামের কৃষক হযরত আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আগে ক্লিনিকে গেলে ওষুধ পাওয়া যেত, এখন কিছুই পাওয়া যায় না। ফাঁপোড় ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু রায়হান দ্রুত এ সংকট সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে বগুড়ার সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ আলম বলেন, আগে বৈদেশিক অর্থায়নের মাধ্যমে ওষুধ সরবরাহ করা হতো। তবে অন্তর্র্বতী সরকারের সময়ে সেই অর্থায়ন বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য বিভাগের নিজস্ব রাজস্ব খাত থেকে ওষুধ ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান। সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য
পরিচালক নূরে আলম বলেন, অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকেই ওষুধ নাই। আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বাস্তব অবস্থা জানিয়েছি।



