ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘ফ্যাসিস্ট নয়, বাংলাদেশের আর্টিস্ট শেখ হাসিনা’
এমপিওভুক্তদের সুখবর দিল মাউশি
ঢাবি শিক্ষক সুদীপকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি
প্রাথমিক-মাধ্যমিকে উপবৃত্তি বাতিল করেনি সরকার
ঢাবি ছাত্রীর লাশ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা শিক্ষকের নাম
ঢাবি ছাত্রীর লাশ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা শিক্ষকের নাম
ঢাবিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ২ তদন্ত কমিটি গঠন
কুবি শিক্ষকককে অপহরণের পর নির্যাতন চালিয়ে বিকাশ-এটিএমের টাকা উত্তোলন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক সোহেলকে অপহরণ করে চরম নির্যাতন শেষে তার টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিয়েছে ছিনতাইকারীরা।
গত বুধবার বুধবার ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক সোহেল বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় শুক্রবার মামলা করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সলিম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দুপুরে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় যান আব্দুর রাজ্জাক সোহেল। সেখানে সাদা রঙের একটি প্রাইভেটকারের চালক তাকে ডাক দেন। কাছে গেলে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেয়। গাড়িতে ওঠার পর তাকে মারধর করা হয় এবং চোখ ও হাত বেঁধে
ফেলা হয়। অপহরণকারীরা তার মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ থেকে নগদ টাকা নিয়ে নেয়। পাশাপাশি বিকাশ অ্যাকাউন্টের পিন নম্বর জানতে চাইলে ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা বিকাশ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা তুলে নেয় এবং মানিব্যাগে থাকা প্রায় ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ছাড়াও তার নামে থাকা ট্রাস্ট ব্যাংকের একটি এটিএম কার্ড ব্যবহার করে চার দফায় ২০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। পরে অপহরণকারীরা তাকে দাউদকান্দি উপজেলার একটি নির্জন স্থানে ফেলে রেখে যায় এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক সোহেল বলেন, অপহরণকারীরা তার কাছ থেকে মোট ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে গেছে। এ সময় তারা
তাকে গুলি ও স্প্রে করার হুমকি দিয়ে আতঙ্কিত করে রাখে। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে এখনো তিনি মানসিকভাবে গভীর ট্রমার মধ্যে রয়েছেন। তাকে ফেলে যাওয়ার পর তিনি বাসে করে ঢাকায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। এরপর কুমিল্লায় ফিরে এসে থানায় মামলা করেন। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ওসি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফেলা হয়। অপহরণকারীরা তার মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ থেকে নগদ টাকা নিয়ে নেয়। পাশাপাশি বিকাশ অ্যাকাউন্টের পিন নম্বর জানতে চাইলে ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা বিকাশ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা তুলে নেয় এবং মানিব্যাগে থাকা প্রায় ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ছাড়াও তার নামে থাকা ট্রাস্ট ব্যাংকের একটি এটিএম কার্ড ব্যবহার করে চার দফায় ২০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। পরে অপহরণকারীরা তাকে দাউদকান্দি উপজেলার একটি নির্জন স্থানে ফেলে রেখে যায় এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক সোহেল বলেন, অপহরণকারীরা তার কাছ থেকে মোট ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে গেছে। এ সময় তারা
তাকে গুলি ও স্প্রে করার হুমকি দিয়ে আতঙ্কিত করে রাখে। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে এখনো তিনি মানসিকভাবে গভীর ট্রমার মধ্যে রয়েছেন। তাকে ফেলে যাওয়ার পর তিনি বাসে করে ঢাকায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। এরপর কুমিল্লায় ফিরে এসে থানায় মামলা করেন। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ওসি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



