তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৬:০০ পূর্বাহ্ণ

তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৬:০০ 8 ভিউ
দেশের ক্রীড়াঙ্গন আজ এক চরম বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে। চোখের সামনেই যেন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটসহ জনপ্রিয় সব খেলাধুলা। মাঠের বাইরের প্রশাসনিক দুর্বলতা, অযোগ্য নেতৃত্ব এবং স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর নানামুখী ষড়যন্ত্রের কারণে সম্প্রতি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে টাইগারদের বিদায় নিতে হয়েছে, যা দেশের কোটি ভক্তকে হতাশ করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এক সুগভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ক্রীড়াঙ্গনকে পঙ্গু করে দেওয়া হচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই—তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলা থেকে বিমুখ করে তাদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের অন্ধকার পথে ঠেলে দেওয়া। অভিযোগ উঠেছে যে, ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো ও দীর্ঘদিনের সাফল্যকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে তৎপর হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের

ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামল ছিল এক সোনালি ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। তাঁর ব্যক্তিগত ক্রীড়াপ্রেম এবং অকৃত্রিম খেলোয়াড়বান্ধব উদ্যোগের ফলে গত দেড় দশকে দেশের ক্রীড়া খাত অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছিল। তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলা পৌঁছে দিতে তিনি সারাদেশে ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণের সাহসী প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন এবং পূর্বাচলে নির্মাণ শুরু করেছিলেন বিশ্বমানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ক্রিকেটের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পরাশক্তি হিসেবে উত্থানের পেছনে তাঁর নিয়মিত পৃষ্ঠপোষকতা ও বিসিবি-কে দেওয়া বরাদ্দ ছিল অনস্বীকার্য। ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয় থেকে শুরু করে টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন—সবক্ষেত্রেই তাঁর উৎসাহ ছিল অনুপ্রেরণার উৎস। শুধু পুরুষ ক্রিকেট নয়, তাঁর হাত ধরেই জেগে উঠেছিল বাংলাদেশের নারী ফুটবল। বঙ্গমাতা

গোল্ডকাপের মতো টুর্নামেন্ট আয়োজন করে তিনি গ্রামগঞ্জ থেকে সাবিনা-মারিয়াদের মতো প্রতিভা তুলে এনেছিলেন, যার ফলশ্রুতিতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের মেয়েরা দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে। একজন ‘ক্রীড়াবান্ধব মা’ হিসেবে পরিচিত শেখ হাসিনা বিপদে-আপদে সবসময় খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কোনো খেলোয়াড় অসুস্থ হলে বা আর্থিক সংকটে পড়লে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহায়তা নিশ্চিত করতেন। বিকেএসপি-র মান উন্নয়ন এবং অ্যাথলেটদের জন্য উন্নত আবাসন ও বোনাস নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁর সিদ্ধান্ত ছিল দ্রুত ও কার্যকর। ক্রিকেট ও ফুটবলের পাশাপাশি শুটিং, আর্চারি এবং এসএ গেমসে বাংলাদেশের সাফল্যের পেছনেও ছিল তাঁর বলিষ্ঠ সরকারি সমর্থন। রোমান সানা বা সিদ্দিকুর রহমানদের মতো অ্যাথলেটরা বিশ্বমঞ্চে যে লড়াই করেছিলেন, তার পেছনে প্রয়োজনীয়

ফান্ডিং নিশ্চিত করেছিলেন তিনিই। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তিত হলেও বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসের পরিসংখ্যানে শেখ হাসিনার সময়কাল অবকাঠামো উন্নয়ন ও ক্রীড়াবিদদের অগ্রগতির জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমানের এই অচলাবস্থা থেকে ক্রীড়াঙ্গনকে রক্ষা করতে না পারলে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এক অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিদেশে যেখানে তরুণদের বাজেট দেওয়া হয়েছে, স্কুলে স্কুলে ফুটবল খেলায়। আর বাংলাদেশে তরুণদের জঙ্গিবাদ, মাদক ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গনকে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নতুন গভর্নর কি ঋণখেলাপি! দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রির চূড়ান্ত পর্যায়ে খলিল, পেলেন আরাকান আর্মির অভিনন্দন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গেলেন, প্রশ্নগুলো রয়ে গেল লুটেরা চরিত্র কি কখনো ঢাকা যায় নোবেলের আড়ালে? সম্পদের পাহাড় গড়েছেন উপদেষ্টারা ভুয়া মামলার ফাঁদে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ‘উপরওয়ালা’ এখন আমি: মুফতি আমির হামজার বক্তব্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ বিএনপি: ক্ষুধাকে পুঁজি করে ধর্ষণ করে যে দলের নেতাকর্মীরা ক্ষমতায় আসতে না আসতেই এই অবস্থা, সামনে কী অপেক্ষা করছে? বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ বাদ – ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে গেলো তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন লুটেরা চরিত্র কি কখনো ঢাকা যায় নোবেলের আড়ালে? ইউনুস পারেনি, বিএনপি কি পারবে, নাকি মনোরেলের স্বপ্ন দেখিয়েই দায় সারবে? আন্তর্জাতিক বাজারে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ, উৎপত্তিস্থল যেখানে যে কারণে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা মসজিদের টাকা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষ আফগানিস্তান-পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছেন জাতিসংঘ মহাসচিব চুক্তি ছাড়াই শেষ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পারমাণবিক আলোচনা, যুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত নিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিক্রিয়া