অতীতে মামলা-হামলার ঝুঁকির কারনে গুপ্ত রাখা নারী সদস্যদের নাম প্রকাশ করলো জামায়াতে ইসলামী! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

অতীতে মামলা-হামলার ঝুঁকির কারনে গুপ্ত রাখা নারী সদস্যদের নাম প্রকাশ করলো জামায়াতে ইসলামী!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্প্রতি তাদের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে প্রথমবারের মতো নারী সদস্যদের নাম প্রকাশ্যে এনেছে, যা দলের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের একটি লোক দেখানো প্রচেষ্টা বলে রাজনৈতিক মহলে সমালোচিত হচ্ছে। নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে আল জাজিরায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সাক্ষাৎকারে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে, ইসলামে নারী নেতৃত্ব হারাম, তাই জামায়াতের শীর্ষপদে নারীদের আসার সুযোগ নেই। নির্বাচনী প্রচারণার সময়ও দলের নেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কর্মজীবী নারীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নারী-বিদ্বেষী বক্তব্য দিয়েছেন, যা সারাদেশে জামায়াতের নারীবিরোধী মনোভাবকে স্পষ্ট করে তুলেছিল। ভোটাররা এর জবাব দিয়েছেন নির্বাচনে জামায়াতকে পরাজিত করে। কিন্তু নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ পরেই জামায়াত প্রথমবারের মতো তাদের

৮৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে ২১ জন নারীকে অন্তর্ভুক্ত করেছে (৬৭ জন পুরুষ সদস্যের সাথে)। এই নারী সদস্যদের অধিকাংশই পদপদবী ছাড়াই জামায়াতের মহিলা বিভাগের সঙ্গে যুক্ত এবং ছাত্রজীবনে ইসলামী ছাত্রী সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া দলের আমিরসহ শীর্ষ নেতাদের স্ত্রী ও কন্যারাও এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন। নারী সদস্যদের নামের মধ্যে রয়েছে নূরুন্নিসা সিদ্দীকা (মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি), ডা. হাবিবা আখতার চৌধুরী (পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি), সাবিকুন্নাহার মুন্নী, সাঈদা রুম্মান, মারজিয়া বেগম, খোন্দকার আয়েশা খাতুন, উম্মে নওরিন প্রমুখ। জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, অতীতে মামলা-হামলার ঝুঁকি থাকায় নাম প্রকাশ করা হয়নি। অথচ গত ১৮ মাসেও প্রকাশ না করা

নারী সদস্যদের নাম এবারই প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে ইউনুসের অন্তর্বর্তী শাসনামলে কেন জামায়াতের নারী সদস্যরা “মামলা-হামলার” ঝুকিতে ছিলেন যে, তাদের গুপ্ত রাখতে হয়েছে? কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম জানান, শরিয়াহভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে নারী ও পুরুষের সাংগঠনিক কাঠামো আলাদা রাখা হয়েছে। মহিলা বিভাগ স্বতন্ত্রভাবে পরিচালিত হয় এবং আমির বা তাঁর মনোনীত নেতার তত্ত্বাবধানে কাজ করে, যদিও তারা একে অপরের পরিপূরক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি জামায়াতের আরেকটি “আই ওয়াশ” বা প্ররোচণার কৌশল। নির্বাচনের আগে নারী নেতৃত্বকে হারাম বলে ঘোষণা এবং নারী-বিদ্বেষী মন্তব্য করে দলের আসল মানসিকতা প্রকাশ পাওয়ার পর জনগণের কাছে হারানো ইমেজ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা এটি। নারীদের এই কর্মপরিষদে যুক্ত করা

হলেও আদতে তাদের কোনো সক্রিয় ভূমিকা নেই, দলীয় কর্মকাণ্ডে যুক্ত নন—শুধু লোক দেখানোর উদ্দেশ্যেই তাদের সংগঠনে যুক্ত করা হচ্ছে “শো-পিস” হিসাবে । এরা সংগঠনে কাঠের পুতুল ছাড়া আর কিছুই নয়। এক মাস আগেও যে দল ইসলামী শরিয়াহ মতে নারী নেতৃত্ব হারাম বলে দাবি করেছে, তারা হঠাৎ করে এত নারীকে সংগঠনে সম্পৃক্ত করার পেছনে রয়েছে নির্বাচনী পরাজয়ের ধাক্কা এবং জনমতের চাপ। এই ঘটনা জামায়াতের সুবিধাবাদী রাজনীতির আরেক উদাহরণ, যেখানে ধর্মীয় দাবি ও বাস্তব কর্মকাণ্ডের মধ্যে স্পষ্ট অসঙ্গতি দেখা যায়—জনগণকে প্রতারিত করার জন্যই এমন লোক দেখানো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নববর্ষ কবে থেকে শুরু ও বাংলা মাসের নামকরণ কীভাবে হলো দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু জেট ফুয়েল নিয়ে চট্টগ্রামে ভিড়ল জাহাজ, আসছে আরও দুই ডিজেলের চালান নববর্ষে মুমিনের আনন্দ, প্রত্যয় ও পরিকল্পনা বৈশাখের শোভাযাত্রা ৫ বিভাগে বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা ১৫ মিনিট বন্ধ থাকার পর ফের চালু মেট্রো রেল যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি দক্ষিণ লেবাননে বহু ইসরায়েলি সেনা হতাহত পত্রিকাটি ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ ও ‘ভুয়া খবর’ পরিবেশনকারী: ট্রাম্প ‘ খেলা’ কমিয়ে দিলো দুই দেশের বৈরি সম্পর্ক কুষ্টিয়ায় ‘পীর’ শামীম হত্যার ঘটনায় মামলা পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার! সাবেক আইনমন্ত্রী ও প্রবীণ আইনজীবী শফিক আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে ভেনিসে সমাবেশ অনুষ্ঠিত অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে? Attack on Humanitarian Physician Professor Dr. Kamrul Islam by BNP Leader — Has the Country Become a Safe Haven for Thugs? একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১ ‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’