ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাত খুন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী বিএনপি নেতা সাখাওয়াত হলেন নারায়ণগঞ্জ সিটির প্রশাসক
বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে যেভাবে চলেছে ভোট চুরির মহোৎসব
টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ
ক্ষমতার দাপটে মানবিকতাও আজ বন্দি – মনে রেখো বাংলাদেশ, মিথ্যা মামলাই এই সরকারের রাজনীতি
জামাত-বিএনপির দ্বন্দ্বে মসজিদে তালা, বাইরেই নামজ পড়লো মুসল্লিরা
ক্সবাজারের রামু মায়ের পর এবার বাবাকেও হারালেন কারাবন্দী সেই দুই ভাই
৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো
আগ্রাবাদে রমজানের চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে হকার ও বিএনপি-যুবদল কর্মীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: গুলি ও আহত ৩
পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদে ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকে জোরপূর্বক চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাতে ঘটা এই সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া ও ফাঁকা গুলির শব্দে পুরো এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় হকার্স ইউনিয়নের এক নেতাসহ অন্তত ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত স্থানীয় ২৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান এবং ডবলমুরিং থানা যুবদল নেতা খলিলুর রহমান বাপ্পীর নেতৃত্বে এই সশস্ত্র হামলা চালানো হয়।
সরেজমিনে অনুসন্ধান ও হকারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আগ্রাবাদ এলাকায়
ফুডকার্ট, তৈরি পোশাক ও জুতার প্রায় ৩০০টি স্থায়ী ফুটপাত দোকান রয়েছে। রমজান উপলক্ষে সেখানে আরও ৭০টি অস্থায়ী দোকান বসেছে। হকারদের অভিযোগ, গত ৫ই আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই বিশাল ছাতা মার্কেটের (ইউনিট ১, ২ ও ৩) নিয়ন্ত্রণ নেন বিএনপি নেতা জিয়া ও যুবদল নেতা বাপ্পী। রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই এই ৩৭০টি দোকান থেকে দৈনিক ১০০ টাকা হারে চাঁদা দাবি করে আসছিল এই গ্রুপটি। সে হিসেবে মাসে চাঁদার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। হকার্স নেতারা এই বিপুল অঙ্কের চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা বাড়ছিল। মঙ্গলবার রাতে চাঁদা নিয়ে হকার্স নেতাদের সাথে জিয়া ও বাপ্পীর অনুসারীদের
বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা একপর্যায়ে চরম আকার ধারণ করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনানুযায়ী, বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে বিএনপি ও যুবদলের কর্মীরা লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও কিরিচ নিয়ে হকারদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছোঁড়া হয় বলে হকাররা অভিযোগ করেন। হামলায় ৩ নং ছাতা মার্কেট হকার্স ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনসহ ৩ জন হকার মারাত্মকভাবে আহত হন। প্রাপ্ত ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আহতদের নাক ও মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং সেখানে ব্যান্ডেজ করা অবস্থায় তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া হামলায় তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে বুকে ও পিঠে ভোঁতা অস্ত্রের মারাত্মক জখম ও রক্তজমাট বাঁধা কালশিটে দাগ স্পষ্ট,
যা হামলার ভয়াবহতা প্রমাণ করে। হকারদের পক্ষ থেকে একটি গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, এই ফুটপাত থেকে আদায়কৃত চাঁদার একটি বড় অংশ ডবলমুরিং মডেল থানার ওসি এবং আগ্রাবাদ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের পকেটেও যায়। এ কারণেই পুলিশ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে নীরব ভূমিকা পালন করছে। তবে মঙ্গলবার রাতের হামলায় হকাররা পিছু হটেনি। রক্তাক্ত সহকর্মীদের দেখে বিক্ষুব্ধ হকাররা সংঘবদ্ধ হয়ে বিশাল একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করলে হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে রাত ১২টার দিকে ডবলমুরিং থানার ওসি এবং ২৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জসীম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আশ্বাস দিলে হকাররা শান্ত হয়। চাঁদাবাজি ও হামলার বিষয়ে জানতে
চাইলে অভিযুক্ত রাজনৈতিক নেতারা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই পরিকল্পিত ও সাজানো নাটকের অবতারণা করেছে। এদিকে, এই ঘটনার পর বুধবার সকাল থেকে আগ্রাবাদ ব্যাংকপাড়াসহ সংলগ্ন এলাকায় একধরনের থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনেক দোকানপাট সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। মধ্যবিত্তের পছন্দের এই বিশাল মার্কেটে রমজানের শুরুতে এমন অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন। ডবলমুরিং থানা পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। চাঁদাবাজি ও সংঘর্ষের ঘটনার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ফুডকার্ট, তৈরি পোশাক ও জুতার প্রায় ৩০০টি স্থায়ী ফুটপাত দোকান রয়েছে। রমজান উপলক্ষে সেখানে আরও ৭০টি অস্থায়ী দোকান বসেছে। হকারদের অভিযোগ, গত ৫ই আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই বিশাল ছাতা মার্কেটের (ইউনিট ১, ২ ও ৩) নিয়ন্ত্রণ নেন বিএনপি নেতা জিয়া ও যুবদল নেতা বাপ্পী। রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই এই ৩৭০টি দোকান থেকে দৈনিক ১০০ টাকা হারে চাঁদা দাবি করে আসছিল এই গ্রুপটি। সে হিসেবে মাসে চাঁদার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। হকার্স নেতারা এই বিপুল অঙ্কের চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা বাড়ছিল। মঙ্গলবার রাতে চাঁদা নিয়ে হকার্স নেতাদের সাথে জিয়া ও বাপ্পীর অনুসারীদের
বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা একপর্যায়ে চরম আকার ধারণ করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনানুযায়ী, বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে বিএনপি ও যুবদলের কর্মীরা লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও কিরিচ নিয়ে হকারদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছোঁড়া হয় বলে হকাররা অভিযোগ করেন। হামলায় ৩ নং ছাতা মার্কেট হকার্স ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনসহ ৩ জন হকার মারাত্মকভাবে আহত হন। প্রাপ্ত ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আহতদের নাক ও মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং সেখানে ব্যান্ডেজ করা অবস্থায় তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া হামলায় তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে বুকে ও পিঠে ভোঁতা অস্ত্রের মারাত্মক জখম ও রক্তজমাট বাঁধা কালশিটে দাগ স্পষ্ট,
যা হামলার ভয়াবহতা প্রমাণ করে। হকারদের পক্ষ থেকে একটি গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, এই ফুটপাত থেকে আদায়কৃত চাঁদার একটি বড় অংশ ডবলমুরিং মডেল থানার ওসি এবং আগ্রাবাদ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের পকেটেও যায়। এ কারণেই পুলিশ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে নীরব ভূমিকা পালন করছে। তবে মঙ্গলবার রাতের হামলায় হকাররা পিছু হটেনি। রক্তাক্ত সহকর্মীদের দেখে বিক্ষুব্ধ হকাররা সংঘবদ্ধ হয়ে বিশাল একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করলে হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে রাত ১২টার দিকে ডবলমুরিং থানার ওসি এবং ২৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জসীম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আশ্বাস দিলে হকাররা শান্ত হয়। চাঁদাবাজি ও হামলার বিষয়ে জানতে
চাইলে অভিযুক্ত রাজনৈতিক নেতারা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই পরিকল্পিত ও সাজানো নাটকের অবতারণা করেছে। এদিকে, এই ঘটনার পর বুধবার সকাল থেকে আগ্রাবাদ ব্যাংকপাড়াসহ সংলগ্ন এলাকায় একধরনের থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনেক দোকানপাট সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। মধ্যবিত্তের পছন্দের এই বিশাল মার্কেটে রমজানের শুরুতে এমন অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন। ডবলমুরিং থানা পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। চাঁদাবাজি ও সংঘর্ষের ঘটনার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



