ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শুনেছি আমি আর নেই : আহসান এইচ মনসুর
“এ দেশে যতদিন একটা বাঙালি থাকবে, ততদিন আওয়ামী লীগ থাকবে”
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিনম্র চিত্তে স্মরণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
আদালত দখলের রাজনীতি! এজলাসে ভাঙচুর
অফিসিয়ালি বিএনপির চাঁদাবাজি যুগের সূচনা চাঁদাবাজির নতুন নাম “সমঝোতা”
ইউনূস-জাহাঙ্গীরের জোর করে দেয়া সেই ইউনিফর্ম পরতে চায় না পুলিশ
ইউনূস আমলের ভয়াবহ দুর্নীতি-চাঁদাবাজির হিসাব সামনে আনল ডিসিসিআই
আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্ত আদালতের চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্ত আদালতের চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। অবৈধ ইউনুস সরকার কর্তৃক অসাংবিধানিক উপায়ে অধ্যাদেশ জারি করে আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে আইসিটি ট্রাইব্যুনালে জুলাই স*ন্ত্রাসের কথিত গ*ণহত্যার বিচার শুরু করা হয় মূলত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশোধ হিসেবে। এই তাজুল ছিলো এর অন্যতম মাস্টারমাইন্ড।
বিচারের নামে আইসিটি ট্রাইব্যুনালে যে ক্যাঙ্গারু ট্রায়াল গত ১৬ মাসের বেশি সময় ধরে চলে আসছে সেটা কেবলমাত্র ন্যায়বিচারের পরিপন্থীই না, বরং বিচারের নামে রাষ্ট্র কর্তৃক মানাবাধিকার লঙ্ঘনের এক ঘৃণ্য নজির হয়ে থাকবে। এই প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত সকলকেই একদিন বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তাজুল ইসলামকে পূনর্গঠিত আইসিটির চীফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো।
তাজুল তার ঘনিষ্ঠদের এই ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয়, যার সবাই জামাত শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত। লোক দেখানো সাজানো বিচারের পাশাপাশি যে কাজটি তারা করেছে সেটা হলো, ট্রাইব্যুনালকে ব্যবহার করে শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি এবং চাঁদাবাজি। গ*ণহত্যার মামলায় নাম ঢুকিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্য, এমনকি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই তাজুল গং। তাজুলের ডান হাত হিসেবে পরিচিত প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম কাজ করেছে মূল ক্যাশিয়ার হিসেবে। খোদ ট্রাইব্যুনালেরই আরেক প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ প্রকাশ্যে এই নিয়ে অভিযোগ করেছে, যদিও এটা করেছে ভাগাভাগি সংক্রান্ত দ্বন্দ থেকে। বেশিরভাগ
টাকার লেনদেন হয়েছে ক্যাশে এবং দেশের বাইরে। চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ২০২৪ এর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ২১ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় গিয়েছিলো। লেনদেনের একটা বড় অংশ হয়েছে সেখানে। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সর্বাত্মক সমর্থনে এই তাজুল গং এতোটাই বেপরোয়া এবং ক্ষমতাবান হয়ে উঠেছিলো যে, দেশেও বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি টাকা জমা নিয়েছে। এমন তিনটা একাউন্টের তথ্য নিচে দেয়া হলো। ১। মোঃ আবুল হোসেন একাউন্ট নং- ৩১৩৩২১৭০০৭৫২৮ প্রাইম ব্যাংক, আইবিবি মিরপুর ব্রাঞ্চ। ২। মোঃ সাইফুল ইসলাম একাউন্ট নং- ১১০১০০৬৬৬৭৬৮৮ যমুনা ব্যাংক, মতিঝিল ব্রাঞ্চ। ৩। মোঃ জাহিদ হাসান নয়ন একাউন্ট নং- ১৮৭০২১০১৪০১ স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, গুলশান ব্রাঞ্চ। আইসিটির মামলা থেকে নাম বাদ দেয়ার কথা বলে একজনের থেকে
এই একাউন্টগুলোতে ২৫ লক্ষ টাকা নিয়েছে তাজুল গং। টাকা জমা দেয়ার রশিদ যুক্ত করা হলো। এটা জাস্ট ছোট্ট একটা স্যাম্পল। রাষ্ট্র চাইলে সহজেই এই একাউন্ট গুলোর ডিটেইলস বের করে দেখতে পারে এগুলো কাদের একাউন্ট, এগুলোতে কত টাকা কখন ঢুকেছে এবং পরবর্তীতে কারা সেই টাকা তুলে নিয়েছে। ছোট্ট একটা ক্লু দিলাম, চাইলে এটা থেকেই তাজুল গং এর দুর্নীতির অকাট্য প্রমাণ বের করা সম্ভব। আর তাজুল গং এর উদ্দেশ্যে একটাই কথা, ট্রাইব্যুনালে বিচারের নামে যে প্রহসন তোমরা করেছে, সেটার বিচার এই বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। আর যে শত শত কোটি টাকা তোমরা নিরীহ নিরপরাধ মানুষদের জিম্মি করে আদায় করেছো, সেগুলো খুব বেশিদিন ভোগ
করার সুযোগ হবে না।
তাজুল তার ঘনিষ্ঠদের এই ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয়, যার সবাই জামাত শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত। লোক দেখানো সাজানো বিচারের পাশাপাশি যে কাজটি তারা করেছে সেটা হলো, ট্রাইব্যুনালকে ব্যবহার করে শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি এবং চাঁদাবাজি। গ*ণহত্যার মামলায় নাম ঢুকিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্য, এমনকি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই তাজুল গং। তাজুলের ডান হাত হিসেবে পরিচিত প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম কাজ করেছে মূল ক্যাশিয়ার হিসেবে। খোদ ট্রাইব্যুনালেরই আরেক প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ প্রকাশ্যে এই নিয়ে অভিযোগ করেছে, যদিও এটা করেছে ভাগাভাগি সংক্রান্ত দ্বন্দ থেকে। বেশিরভাগ
টাকার লেনদেন হয়েছে ক্যাশে এবং দেশের বাইরে। চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ২০২৪ এর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ২১ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় গিয়েছিলো। লেনদেনের একটা বড় অংশ হয়েছে সেখানে। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সর্বাত্মক সমর্থনে এই তাজুল গং এতোটাই বেপরোয়া এবং ক্ষমতাবান হয়ে উঠেছিলো যে, দেশেও বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি টাকা জমা নিয়েছে। এমন তিনটা একাউন্টের তথ্য নিচে দেয়া হলো। ১। মোঃ আবুল হোসেন একাউন্ট নং- ৩১৩৩২১৭০০৭৫২৮ প্রাইম ব্যাংক, আইবিবি মিরপুর ব্রাঞ্চ। ২। মোঃ সাইফুল ইসলাম একাউন্ট নং- ১১০১০০৬৬৬৭৬৮৮ যমুনা ব্যাংক, মতিঝিল ব্রাঞ্চ। ৩। মোঃ জাহিদ হাসান নয়ন একাউন্ট নং- ১৮৭০২১০১৪০১ স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, গুলশান ব্রাঞ্চ। আইসিটির মামলা থেকে নাম বাদ দেয়ার কথা বলে একজনের থেকে
এই একাউন্টগুলোতে ২৫ লক্ষ টাকা নিয়েছে তাজুল গং। টাকা জমা দেয়ার রশিদ যুক্ত করা হলো। এটা জাস্ট ছোট্ট একটা স্যাম্পল। রাষ্ট্র চাইলে সহজেই এই একাউন্ট গুলোর ডিটেইলস বের করে দেখতে পারে এগুলো কাদের একাউন্ট, এগুলোতে কত টাকা কখন ঢুকেছে এবং পরবর্তীতে কারা সেই টাকা তুলে নিয়েছে। ছোট্ট একটা ক্লু দিলাম, চাইলে এটা থেকেই তাজুল গং এর দুর্নীতির অকাট্য প্রমাণ বের করা সম্ভব। আর তাজুল গং এর উদ্দেশ্যে একটাই কথা, ট্রাইব্যুনালে বিচারের নামে যে প্রহসন তোমরা করেছে, সেটার বিচার এই বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। আর যে শত শত কোটি টাকা তোমরা নিরীহ নিরপরাধ মানুষদের জিম্মি করে আদায় করেছো, সেগুলো খুব বেশিদিন ভোগ
করার সুযোগ হবে না।



