ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফিক্সিংকাণ্ডে ৪ জনকে সাময়িক বহিষ্কার
জোড়াতালি দিয়ে বিপিএলের মতো টুর্নামেন্ট করব না: তামিম
বেঙ্গালুরু নয়, আইপিএল ফাইনাল এবার আহমেদাবাদে
বিশ্বকাপ ঘনিয়ে এলেও সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে এশিয়ার ফুটবল ভক্তদের দুশ্চিন্তা
২০ বছরের অপেক্ষার অবসান, সাকার গোলে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে আর্সেনাল
টাইগারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন হামজা
হঠাৎ ঢাকা সফরে হামজা চৌধুরী
চারশ পেরিয়ে অলআউট বাংলাদেশ
মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনে প্রথম সেশন শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৮০ রানে পৌঁছেছিল বাংলাদেশ। এরপর আর বেশি লম্বা হলো না টাইগারদের ইনিংস। দলীয় ৪১৩ রানেই সবকটি উইকেট হারাল স্বাগতিকরা।
দিনের শুরুটা মুশফিকুর রহিমের জন্য আজ ছিল বিশেষ। কারণ ৩৯তম জন্মদিন পালন করছেন তিনি। দিনের খেলা শুরুর আগে দলের সঙ্গে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেন তিনি। তারপর মাঠে নেমে ৪৮ রান থেকে এগিয়ে গিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম ফিফটি তুলে নেন।
মুশফিক ও লিটন দাস পঞ্চম উইকেটে ৬২ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু ৯৭তম ওভারে আব্বাসের বাউন্সারে ক্যাচ দিয়ে ৩৩ রানে ফেরেন লিটন।
এরপর সাতে নামা মিরাজ মাত্র ১২ বলে ১০ রান করে আব্বাসের বলে আউট
হন। ৬৯ রানে থাকা মুশফিকের কাছে সেঞ্চুরির জন্য ভালো সঙ্গী দরকার ছিল। কিন্তু তাইজুল ইসলামও টিকতে পারেননি। আব্বাসের বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে ২৩ বলে ১৭ রানে রিজওয়ানকে ক্যাচ দেন তিনি। এটি আব্বাসের চতুর্থ উইকেট। এরপরই ব্যক্তিগত ৭১ রানেই থামে মুশফিকের ইনিংস, শাহিন আফ্রিদির ওভারে বোল্ড হন তিনি। সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়েই সাজঘরের পথ ধরেই এই অভিজ্ঞ টাইগার ব্যাটার। রানের খাতা খোলার আগেই মোহাম্মদ আব্বাসের ওভারে কাটা পড়েন এবাদত হোসেন, আব্বাসও দেখা পান ফাইফারের। শেষে তাসকিন আহমেদের ১৯ বলে ২৮ রানের ক্যামিও ইনিংসে ভর করেই চারশর ঘরে পৌঁছায় বাংলাদেশ। এর আগে প্রথম দিনে বাংলাদেশের ভিত গড়েছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। শান্ত ১০১
ও মুমিনুল ৯১ রান করেন। তৃতীয় উইকেটে তাঁরা মিলে গড়েছিলেন ১৭০ রানের জুটি। প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশ ছিল ৪ উইকেটে ৩০১। সংক্ষিপ্ত স্কোর বাংলাদেশঃ ৪১৩ (১১৭.১ ওভার); শান্ত ১০১, মুমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১; আব্বাস ৫-৯২, শাহিন ৩-১১৩
হন। ৬৯ রানে থাকা মুশফিকের কাছে সেঞ্চুরির জন্য ভালো সঙ্গী দরকার ছিল। কিন্তু তাইজুল ইসলামও টিকতে পারেননি। আব্বাসের বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে ২৩ বলে ১৭ রানে রিজওয়ানকে ক্যাচ দেন তিনি। এটি আব্বাসের চতুর্থ উইকেট। এরপরই ব্যক্তিগত ৭১ রানেই থামে মুশফিকের ইনিংস, শাহিন আফ্রিদির ওভারে বোল্ড হন তিনি। সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়েই সাজঘরের পথ ধরেই এই অভিজ্ঞ টাইগার ব্যাটার। রানের খাতা খোলার আগেই মোহাম্মদ আব্বাসের ওভারে কাটা পড়েন এবাদত হোসেন, আব্বাসও দেখা পান ফাইফারের। শেষে তাসকিন আহমেদের ১৯ বলে ২৮ রানের ক্যামিও ইনিংসে ভর করেই চারশর ঘরে পৌঁছায় বাংলাদেশ। এর আগে প্রথম দিনে বাংলাদেশের ভিত গড়েছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। শান্ত ১০১
ও মুমিনুল ৯১ রান করেন। তৃতীয় উইকেটে তাঁরা মিলে গড়েছিলেন ১৭০ রানের জুটি। প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশ ছিল ৪ উইকেটে ৩০১। সংক্ষিপ্ত স্কোর বাংলাদেশঃ ৪১৩ (১১৭.১ ওভার); শান্ত ১০১, মুমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১; আব্বাস ৫-৯২, শাহিন ৩-১১৩



