ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ: ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, শান্তি প্রচেষ্টায় তেহরানে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান
‘আমাকে বোকা বলবেন না, বরং একজন মেধাবী স্বৈরশাসক বলুন’: ট্রাম্প
ইসরাইলি হামলায় ধূলিসাৎ দক্ষিণ লেবাননের পুরো জনপদ
শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, গাজা যুদ্ধে ইসরাইলকে যেভাবে অস্ত্র জুগিয়েছে ভারতসহ ৫১ দেশ
মিনা-মুজদালিফায় বাড়ছে তাপমাত্রা, সতর্কবার্তা সৌদির
ইরানের হামলায় মার্কিন ‘রিপার’ ড্রোনের ২০ শতাংশ ধ্বংস
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইহুদিদের আল-আকসায় প্রবেশের চেষ্টা
নিজের লিভার দিয়ে সতীনকে বাঁচালেন সৌদি নারী
নিজের সতীন ও স্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিজের লিভার দান করে বাঁচিয়েছেন এক সৌদি নারী। সফল অস্ত্রোপচারের পর এখন তারা দু’জনই সুস্থ্য রয়েছেন।
সৌদি গ্যাজেটের খবরে বলা হয়, মাজেদ বালদাহ আল-রোকি নামে এক ব্যক্তির দ্বিতীয় স্ত্রী কয়েক বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। তাকে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করতে হতো। উন্নত চিকিৎসার জন্য স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রেও নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে এতে কাজ হয়নি।
দ্বিতীয় স্ত্রী তাগরিদ আওয়াদ আল-সাদির কষ্ট লাঘবে তিনি তার নিজের একটি কিডনি দিয়ে তাকে বাঁচানোর সিদ্ধান্ত নেন।
ওই সময় তাকে চমকে দিয়ে তার প্রথম স্ত্রী নৌরা সালেম আল-সামারি জানান, সতীনের জীবন বাঁচানোর জন্য তিনি তার লিভারের ৮০ শতাংশ দান করবেন।
মাজেদ বলেন, যখন দ্বিতীয়
স্ত্রীকে কিডনি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই, তখন প্রথম স্ত্রীকে বলি… যদি অস্ত্রোপচারের সময় আমার কিছু হয় তখন তুমি আমাদের পাঁচ সন্তানকে দেখবে। কিন্তু আমি তখন অবাক হই, যখন সে জানায় তাগরিদকে বাঁচাতে সে তার লিভারের ৮০ শতাংশ দান করবে। শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য জন্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। মেডিকেল পরীক্ষায় টিস্যুর সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর অঙ্গ প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচার করা হয়। যা সফলও হয়। সতীনের জন্য নৌরার এমন স্বার্থহীন কাজের প্রসংশা করেছেন স্থানীয় মানুষ।
স্ত্রীকে কিডনি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই, তখন প্রথম স্ত্রীকে বলি… যদি অস্ত্রোপচারের সময় আমার কিছু হয় তখন তুমি আমাদের পাঁচ সন্তানকে দেখবে। কিন্তু আমি তখন অবাক হই, যখন সে জানায় তাগরিদকে বাঁচাতে সে তার লিভারের ৮০ শতাংশ দান করবে। শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য জন্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। মেডিকেল পরীক্ষায় টিস্যুর সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর অঙ্গ প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচার করা হয়। যা সফলও হয়। সতীনের জন্য নৌরার এমন স্বার্থহীন কাজের প্রসংশা করেছেন স্থানীয় মানুষ।



