ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘গুম’ থাকা আয়েশা ৭ বছর পর ফিরলেন জীবিত!
নীরবতাও অপরাধ: ইউনূসের অরাজকতা আর দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রে নীরব থাকা আনু মুহাম্মদ গংও অপরাধী
১৯৬৫-র যুদ্ধ থেকে তারেক রহমানের বর্তমান নীতি: জিয়া-ভারত সম্পর্কের ঐতিহাসিক ব্যবচ্ছেদ
হাম থেকে বেঁচে ফিরলেও শিশুদের মস্তিষ্কের ভয়ঙ্কর ঝুঁকি, আসছে বছরগুলোয় এসএসপিই’র শঙ্কা
‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: হাম-রুবেলার হাত ধরে ফিরে এলো চার দশক আগে বিলুপ্ত গুটি বসন্ত, শিক্ষকের মৃত্যু
দেশের জন্য সতর্কবার্তা
৪ লাখ ৬৮ হাজার পদ শূন্য, নিয়োগ হচ্ছে না যেসব কারণে
নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের
মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতার হওয়া সাবেক সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নিজামউদ্দিন নদভীসহ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ। দ্রুত এসব নেতাকর্মীকে মুক্তি দিয়ে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত না করলে প্রত্যক্ষ কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ 'দখলদার ইউনূস সরকারের' রোষানলের শিকার হয়ে কারাবন্দি নেতাদের নাম উল্লেখ করেন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন— সাবেক সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ
নিজামউদ্দিন নদভী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাশ, শ্রম সম্পাদক ও বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক গোলাম ফারুক ডলার, লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও লোহাগড়া উপজেলা চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম, পটিয়া পৌরসভার মেয়র আয়ুব বাবুল এবং পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল আলম। এছাড়াও, কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইনজামুল হক জসীম, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন মিঠু, পটিয়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হাসানউল্লাহ চৌধুরী, জেলা যুবলীগ নেতা শাহরিয়ার, আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিজ, বোয়ালখালী কানুনগোপাড়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জয় ভঞ্জ, বোয়ালখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি একরামুল হক মুন্না, দক্ষিণ
জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ফারুকুল ইসলাম এবং আনোয়ারা উপজেলা যুবলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম সুজনসহ গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীর অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয় বিবৃতিতে। বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ নেতারা অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ২০২৪ সালের আগস্টে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ষড়যন্ত্রকারীদের পুতুল হিসেবে ড. ইউনূস দেশের ক্ষমতা দখল করেছিলেন। এরপর মব ভায়োলেন্স এবং পুলিশ প্রশাসনের যথেচ্ছ অপব্যবহার করে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের নির্বিচারে গণগ্রেফতারের মাধ্যমে পুরো দেশকে কারাগারে রূপান্তরিত করা হয়েছিল। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, "যেনতেন প্রকারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মতো বৃহৎ একটি সংগঠনকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। তবে ইউনূসের বিদায়ের মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক সরকার আনুষ্ঠানিক
যাত্রা শুরু করেছে। কিন্তু নতুন সরকারের কাছ থেকে প্রত্যাশিত রাজনৈতিক আচরণের বদলে পুরানো প্রতিহিংসাপরায়ণ কায়দায় দমনপীড়ন অব্যাহত থাকতে দেখে আমরা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ।" নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দক্ষিণ চট্টগ্রামের অসংখ্য নেতাকর্মী কোনো মামলার আসামি না হয়েও কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জামিন পেয়েও কারাফটকে 'শোন অ্যারেস্ট' (Shown arrest) প্রক্রিয়ায় পুনরায় গ্রেফতার করা হচ্ছে, যা সুস্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। এছাড়া মব ভায়োলেন্স ও গ্রেফতার আতঙ্কে মামলার আসামি না হওয়া সত্ত্বেও অসংখ্য নেতাকর্মী মাসের পর মাস আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন, যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক চরিত্রের পরিপন্থী। এমতাবস্থায় দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার স্বার্থে জামিন প্রক্রিয়া সহজতর করে সরকারি দল ও বিরোধী দলের
শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার আহ্বান জানান নেতারা। কারাবন্দি নেতাকর্মীদের দ্রুত মুক্তির মাধ্যমে নতুন সরকার তাদের সদিচ্ছার প্রতিফলন না ঘটালে, এসব অন্যায়ের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ প্রত্যক্ষ আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলে বিবৃতিতে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।
নিজামউদ্দিন নদভী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাশ, শ্রম সম্পাদক ও বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক গোলাম ফারুক ডলার, লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও লোহাগড়া উপজেলা চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম, পটিয়া পৌরসভার মেয়র আয়ুব বাবুল এবং পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল আলম। এছাড়াও, কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইনজামুল হক জসীম, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন মিঠু, পটিয়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হাসানউল্লাহ চৌধুরী, জেলা যুবলীগ নেতা শাহরিয়ার, আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিজ, বোয়ালখালী কানুনগোপাড়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জয় ভঞ্জ, বোয়ালখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি একরামুল হক মুন্না, দক্ষিণ
জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ফারুকুল ইসলাম এবং আনোয়ারা উপজেলা যুবলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম সুজনসহ গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীর অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয় বিবৃতিতে। বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ নেতারা অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ২০২৪ সালের আগস্টে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ষড়যন্ত্রকারীদের পুতুল হিসেবে ড. ইউনূস দেশের ক্ষমতা দখল করেছিলেন। এরপর মব ভায়োলেন্স এবং পুলিশ প্রশাসনের যথেচ্ছ অপব্যবহার করে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের নির্বিচারে গণগ্রেফতারের মাধ্যমে পুরো দেশকে কারাগারে রূপান্তরিত করা হয়েছিল। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, "যেনতেন প্রকারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মতো বৃহৎ একটি সংগঠনকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। তবে ইউনূসের বিদায়ের মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক সরকার আনুষ্ঠানিক
যাত্রা শুরু করেছে। কিন্তু নতুন সরকারের কাছ থেকে প্রত্যাশিত রাজনৈতিক আচরণের বদলে পুরানো প্রতিহিংসাপরায়ণ কায়দায় দমনপীড়ন অব্যাহত থাকতে দেখে আমরা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ।" নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দক্ষিণ চট্টগ্রামের অসংখ্য নেতাকর্মী কোনো মামলার আসামি না হয়েও কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জামিন পেয়েও কারাফটকে 'শোন অ্যারেস্ট' (Shown arrest) প্রক্রিয়ায় পুনরায় গ্রেফতার করা হচ্ছে, যা সুস্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। এছাড়া মব ভায়োলেন্স ও গ্রেফতার আতঙ্কে মামলার আসামি না হওয়া সত্ত্বেও অসংখ্য নেতাকর্মী মাসের পর মাস আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন, যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক চরিত্রের পরিপন্থী। এমতাবস্থায় দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার স্বার্থে জামিন প্রক্রিয়া সহজতর করে সরকারি দল ও বিরোধী দলের
শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার আহ্বান জানান নেতারা। কারাবন্দি নেতাকর্মীদের দ্রুত মুক্তির মাধ্যমে নতুন সরকার তাদের সদিচ্ছার প্রতিফলন না ঘটালে, এসব অন্যায়ের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ প্রত্যক্ষ আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলে বিবৃতিতে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।



