ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
সন্ত্রাসবিরোধী যৌথ অভিযানের মধ্যেই খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা
খুলনা নগরীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে রফিক গাজী নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর লবণচরা থানার মাথাভাঙ্গা কাজীপাড়া এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড হয়।
লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
রফিকুল ইসলামের বাড়ি বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নে। তার বাবার নাম রতন গাজী। তবে তিনি মাথাভাঙ্গা এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, দুপুরে রফিক তার বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি দোকানে বসে ছিলেন। সে সময় এক যুবক মোটরসাইকেলে এসে তাকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এর মধ্যে একটি গুলি তার পেটে বিদ্ধ হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ওই যুবক হেলমেট
পরে ছিলেন। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে পথেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সন্ত্রাস দমনে নগরীতে যৌথ অভিযান চললেও অস্ত্রধারীরা প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে মানুষ হত্যা করছে। বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আসাবুর রহমান হাওলাদার জানান, রফিক উপজেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন। মোশারেফ হোসেন ডেইলি স্টারকে বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মোটরসাইকেলে আসা এক ব্যক্তি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যান। ‘সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে,’ বলেন তিনি। এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে
অভিযান চলছে। খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) অপরাধ শাখার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত নগরীতে ৮৯টি হত্যাকাণ্ড হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪টি ঘটনায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
পরে ছিলেন। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে পথেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সন্ত্রাস দমনে নগরীতে যৌথ অভিযান চললেও অস্ত্রধারীরা প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে মানুষ হত্যা করছে। বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আসাবুর রহমান হাওলাদার জানান, রফিক উপজেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন। মোশারেফ হোসেন ডেইলি স্টারকে বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মোটরসাইকেলে আসা এক ব্যক্তি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যান। ‘সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে,’ বলেন তিনি। এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে
অভিযান চলছে। খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) অপরাধ শাখার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত নগরীতে ৮৯টি হত্যাকাণ্ড হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪টি ঘটনায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে পুলিশ।





