ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে ফ্রান্স
আসন্ন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে ফ্রান্স স্বীকৃতি দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির ইমানুয়েল মাখোঁ। এর মধ্য দিয়ে জি-সেভেন দেশগুলোর মধ্যে তারাই প্রথম ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিচ্ছে। খবর: বিবিসির।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে মাখোঁ লেখেন, এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি গাজায় যুদ্ধের সমাপ্তি ও সেখানকার নিরস্ত্র মানুষের জীবন রক্ষা করা। শান্তি ফেরানো সম্ভব।
আমাদের এখনই যুদ্ধবিরতি, সব বন্দির মুক্তি এবং গাজার জনগণের জন্য বিপুল মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
ফরাসি প্রেসিডেন্টের এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিন সরকার। তবে এর বিরোধীতা করেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এ পদক্ষেপকে 'সন্ত্রাসকে পুরস্কৃত' করার সঙ্গে তুলনা করেছেন।
ইসরায়েলের মতো একই পথে হেঁটেছে
যুক্তরাষ্ট্রও। ফ্রান্সের এ সিদ্ধান্তকে 'দায়িত্বজ্ঞানহীন' বলে উল্লেখ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব মার্কো রুবিও। ওই পোস্টে মাখোঁ আরো লেখেন, মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়সংগত ও স্থায়ী শান্তির প্রতি ফ্রান্সের ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতির প্রতি বিশ্বস্ত থেকে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে। আমাদের অবশ্যই হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও গাজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং অঞ্চলটিকে পুনর্গঠন করতে হবে। তিনি লেখেন, পরিশেষে, আমাদের ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন করতে হবে, এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে হবে, এবং এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে রাষ্ট্রটি নিরস্ত্রীকরণ মেনে নিয়ে ও ইসরায়েলকে সম্পূর্ণ স্বীকৃতি দিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যের সবার নিরাপত্তায় অবদান রাখে। এর কোনো বিকল্প নেই।
যুক্তরাষ্ট্রও। ফ্রান্সের এ সিদ্ধান্তকে 'দায়িত্বজ্ঞানহীন' বলে উল্লেখ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব মার্কো রুবিও। ওই পোস্টে মাখোঁ আরো লেখেন, মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়সংগত ও স্থায়ী শান্তির প্রতি ফ্রান্সের ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতির প্রতি বিশ্বস্ত থেকে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে। আমাদের অবশ্যই হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও গাজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং অঞ্চলটিকে পুনর্গঠন করতে হবে। তিনি লেখেন, পরিশেষে, আমাদের ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন করতে হবে, এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে হবে, এবং এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে রাষ্ট্রটি নিরস্ত্রীকরণ মেনে নিয়ে ও ইসরায়েলকে সম্পূর্ণ স্বীকৃতি দিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যের সবার নিরাপত্তায় অবদান রাখে। এর কোনো বিকল্প নেই।



