আজ ঐতিহাসিক পলাশী ট্র্যাজেডি দিবস – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৮ জুন, ২০২৫

আজ ঐতিহাসিক পলাশী ট্র্যাজেডি দিবস

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৮ জুন, ২০২৫ |
আজ ২৩ জুন ‘ঐতিহাসিক পলাশী ট্র্যাজেডি দিবস’। ২৬৩ বছর আগে এ দিনে পলাশীর আমবাগানে ইংরেজদের সাথে এক যুদ্ধে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে অস্তমিত হয় বাংলার স্বাধীনতার শেষ সূর্য। পরাজয়ের পর নবাবের বেদনাদায়ক মৃত্যু হলেও উপমহাদেশের মানুষ নবাবকে আজও শ্রদ্ধা জানায়। ইতিহাস থেকে জানা যায়, নবাবের সেনাবাহিনীর তুলনায় ইংরেজদের সেনা সংখ্যা ছিল অনেক কম। সেখানে বিশ্বাসঘাতকতা না হলে নবাবের বিজয় ছিল সুনিশ্চিত। নবাব ষড়যন্ত্রকারীদের গোপন ষড়যন্ত্রের কথা জানার পর যদি মীর জাফরকে বন্দী করতেন, তবে অন্যান্য ষড়যন্ত্রকারী ভয় পেয়ে যেত এবং ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হলে পলাশীর যুদ্ধ হতো না। ইতিহাসবিদ মোবাশ্বের আলী তার ‘বাংলাদেশের সন্ধানে’ গ্রন্থে লিখেছেন, নবাব সিরাজউদ্দৌলা প্রায় এক

লাখ সেনা নিয়ে ক্লাইভের স্বল্পসংখ্যক সেনার কাছে পরাজিত হন মীর জাফরের মোনাফেকিতে। অতি ঘৃণ্য মীর জাফরের কুষ্ঠরোগে মত্যু হয়। বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব আলিবর্দী খাঁ মৃত্যুর আগে দৌহিত্র সিরাজউদ্দৌলাকে নবাবের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী করে যান। নবাব আলিবর্দী খাঁর মৃত্যুর পর ১৭৫৬ সালের এপ্রিল মাসে সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে বসেন। নবাবের খালা ঘোষেটি বেগম ইংরেজদের সাথে হাত মেলান। সেনাপতি মীর জাফর আলী খান, ধনকুবের জগৎ শেঠ, রাজা রায় দুর্লভ, উমিচাঁদ, ইয়ার লতিফ প্রমুখ ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠেন। ধূর্ত ইংরেজরা সন্ধির চুক্তি ভঙ্গ করে চন্দন নগরের ফরাসিদের দুর্গ দখল করে নেয়। এরপর ১৭৫৭ সালের ১৭ জুন ক্লাইভ কাটোয়ায় অবস্থান নেয়। নবাব ২২ জুন ইংরেজদের আগেই পলাশী

পৌঁছে শিবির স্থাপন করেন। ২৩ জুন সকাল ৮টায় যুদ্ধ শুরু হয়। কিন্তু প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় নবাবের পরাজয় ঘটে। পলাশী দিবস উদযাপনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন অন্যান্য বছর কর্মসূচি পালন করে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
খুলনায় ডিউটিরত অবস্থায় নিজের মাথায় এসএমজি ঠেকিয়ে গুলি কনস্টেবলের সুনামগঞ্জে হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে ৩ কৃষকের মৃত্যু, আহত ২ সড়ক ছেড়ে তেলের পাম্পের লাইন সামলাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ, জ্বালানি সংকটে নতুন চাপে দায়িত্বশীলরা হামের টিকা সংকটে শতাধিক শিশুমৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি হামের টিকা অব্যবস্থাপনা: অন্তর্বর্তী সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী সরকারের ঘাড়েও দায় চাপালেন তারেক রহমান লোডশেডিংয়ে আঁধারে ডুবেছে চট্টগ্রাম: ১০ কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ, নাকাল জনজীবন ড. ইউনূসের ‘সর্বনাশা’ বাণিজ্য চুক্তি: দেশের সার্বভৌমত্ব কি হুমকির মুখে? একে একে মার্কিন বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু, নিযুক্ত ছিলেন বিভিন্ন স্পর্শকাতর প্রকল্পে বিস্ফোরক তাপস বৈশ্য: বিসিবিতে কি চলতো ‘রাজা-প্রজা’ শাসন? জোরপূর্বক চাপিয়ে দেয়া কালচারাল হেজিমনি আসলে কোনটা? রেকর্ড লোডশেডিং: গরমে বিপর্যস্ত দেশবাসী গোলাম মোর্শেদের কথায় তরুণ মুন্সীর কণ্ঠে লাকী আখান্দের গান সন্ধ্যার মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকলে ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি ইরানের এনসিপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা শান্তি ফোরামে যোগ দিতে সেনেগালে গেলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শিশু আতিকা হত্যায় প্রধান অভিযুক্ত নাঈম গ্রেপ্তার চলছে রিহ্যাব নির্বাচন, পরিচালক পদের কেন্দ্রবিন্দুতে তাসনোভা মাহবুব সালাম ঢাকা আসছেন মার্কিন বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার আবেদন খতিয়ে দেখছে ভারত: জয়সওয়াল