ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
একসময়ের পানির উৎস, এখন মরণফাঁদ: সাড়ে ৩০০ বছরের ইতিহাস এখন ময়লার ভাগাড়
ছয় দেশের ৭০ জন চিহ্নিত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আতিউরসহ ১০ কর্মকর্তা
২১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
বেনজীরকে দেশে আনতে সামনে যেসব বাধা
আওয়ামী লীগের বিবৃতি: সীমান্ত সংকট সৃষ্টি করে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করছে ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকার
আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অবৈধ ও অসাংবিধানিক দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকার শুধুমাত্র কয়েক মাসে জনগণের স্বস্তির নিঃশ্বাস কেড়ে নিয়েছে। সরকারের অত্যাচার, নির্যাতন এবং শাসন-শোষণে দেশের মানুষ হাঁসফাঁস করছে। এই সরকারের একমাত্র লক্ষ্য জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা, আর এজন্য সীমান্তে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ভারতবিরোধী প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে: জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সম্প্রতি মিথ্যাচার করে বলছেন, “অতীতে সীমান্ত নিয়ে কোনো পদক্ষেপ ছিল না” এবং সীমান্তের সমস্যাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আওয়ামী লীগ দাবি করেছে, সীমান্তে সমস্যা তৈরি করার ঘটনা একটি অসুস্থ মানসিকতা ও অকূটনৈতিক আচরণ, এবং
বর্তমান সরকারের উচিত ছিল প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে সীমান্তে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা। আওয়ামী লীগের মতে, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বোঝাপড়ার মাধ্যমে সীমান্তে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছিল। সরকারের গত ৫৩ বছরের সাফল্য তুলে ধরে আওয়ামী লীগ বলে, “শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বের ফলে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে সমুদ্র বিজয় করেছে এবং সীমান্ত সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করেছে।” এছাড়া, আওয়ামী লীগ আরও দাবি করে, বর্তমান সরকারের আমলে সীমান্তে উত্তেজনা এবং সংকট সৃষ্টি হয়নি। সীমান্তের ছোটখাটো সমস্যাগুলোও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমাধান করা হয়েছে, যার একটি উদাহরণ হিসেবে সাবেক বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.)
আ ল ম ফজলুর রহমানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ দাবি করেছে, টেকনাফ সীমান্তে বর্তমানে কীভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনের জনগণ কীভাবে অনিরাপদ হয়ে পড়েছে, তা স্পষ্টভাবে দেশের জনগণ দেখছে। সরকারের অদক্ষ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে বাগাড়ম্বর করছেন বলে তাদের অভিযোগ। এছাড়া, আওয়ামী লীগ অভিযোগ করে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একসময় বিজিবি’র মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রায় ৪০০ আসামীকে মুক্তি দিয়েছেন। তাদের প্রশ্ন, “সেনা অফিসার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের প্রতি তার পক্ষপাতিত্বের কারণ কী?” তারা দাবি করেছে, “বিডিআর হত্যাকাণ্ডের নীলনকশার সঙ্গে বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহের উর্ধ্বে নয়।” এ
বিষয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, “অসাংবিধানিক সরকার বাংলাদেশকে সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত করছে।”
বর্তমান সরকারের উচিত ছিল প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে সীমান্তে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা। আওয়ামী লীগের মতে, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বোঝাপড়ার মাধ্যমে সীমান্তে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছিল। সরকারের গত ৫৩ বছরের সাফল্য তুলে ধরে আওয়ামী লীগ বলে, “শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বের ফলে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে সমুদ্র বিজয় করেছে এবং সীমান্ত সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করেছে।” এছাড়া, আওয়ামী লীগ আরও দাবি করে, বর্তমান সরকারের আমলে সীমান্তে উত্তেজনা এবং সংকট সৃষ্টি হয়নি। সীমান্তের ছোটখাটো সমস্যাগুলোও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমাধান করা হয়েছে, যার একটি উদাহরণ হিসেবে সাবেক বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.)
আ ল ম ফজলুর রহমানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ দাবি করেছে, টেকনাফ সীমান্তে বর্তমানে কীভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনের জনগণ কীভাবে অনিরাপদ হয়ে পড়েছে, তা স্পষ্টভাবে দেশের জনগণ দেখছে। সরকারের অদক্ষ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে বাগাড়ম্বর করছেন বলে তাদের অভিযোগ। এছাড়া, আওয়ামী লীগ অভিযোগ করে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একসময় বিজিবি’র মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রায় ৪০০ আসামীকে মুক্তি দিয়েছেন। তাদের প্রশ্ন, “সেনা অফিসার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের প্রতি তার পক্ষপাতিত্বের কারণ কী?” তারা দাবি করেছে, “বিডিআর হত্যাকাণ্ডের নীলনকশার সঙ্গে বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহের উর্ধ্বে নয়।” এ
বিষয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, “অসাংবিধানিক সরকার বাংলাদেশকে সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত করছে।”



