ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
একসময়ের পানির উৎস, এখন মরণফাঁদ: সাড়ে ৩০০ বছরের ইতিহাস এখন ময়লার ভাগাড়
ছয় দেশের ৭০ জন চিহ্নিত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আতিউরসহ ১০ কর্মকর্তা
২১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
বেনজীরকে দেশে আনতে সামনে যেসব বাধা
হাসিনাসহ গুরুত্বপূর্ণ কল রেকর্ডের ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতি
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের গুরুত্বপূর্ণ কল রেকর্ডের ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন ।
প্রসিকিউশনের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া শেখ হাসিনাসহ জড়িতদের গুরুত্বপূর্ণ কল রেকর্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতি দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
পরে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রসিকিউটর এবিএম সুলতান মাহমুদ জানান, ‘শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য যাদের অডিও রেকর্ডগুলো ফাঁস হয়ে গেছে, সেগুলোর সত্যতা প্রমাণ করার জন্য আমরা ট্রাইব্যুনালের অনুমতি চেয়েছিলাম। সিআইডিসহ যারা আছে, সবার প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
বাংলাদেশের এই ট্রাইব্যুনাল ছাড়াও অন্যান্য আন্তর্জাতিক আদালতেও যাতে এসব
তথ্য প্রমাণ গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য অকাট্য করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানায় প্রসিকিউশন। এই হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে জড়িত যত এভিডেন্স (প্রমাণ) ছিল, সেগুলো লুকিয়ে ফেলতে সব ধরনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এসব তথ্য প্রমাণ যোগাড় করতে তারা যেসব সংস্থায় গেছেন, সেখানে অসহযোগিতাও করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল ভিডিও-অডিও কন্টেন্ট আমাদের হাতে এসেছে। যাচাই বাছাই চলছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে ফরেনসিক পরীক্ষা করে তারপর জানা যাবে।
তথ্য প্রমাণ গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য অকাট্য করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানায় প্রসিকিউশন। এই হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে জড়িত যত এভিডেন্স (প্রমাণ) ছিল, সেগুলো লুকিয়ে ফেলতে সব ধরনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এসব তথ্য প্রমাণ যোগাড় করতে তারা যেসব সংস্থায় গেছেন, সেখানে অসহযোগিতাও করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল ভিডিও-অডিও কন্টেন্ট আমাদের হাতে এসেছে। যাচাই বাছাই চলছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে ফরেনসিক পরীক্ষা করে তারপর জানা যাবে।



