ন্যাটো ইস্যুতে ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান জার্মানির – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ জানুয়ারি, ২০২৫
     ১১:১২ অপরাহ্ণ

ন্যাটো ইস্যুতে ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান জার্মানির

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ | ১১:১২ 97 ভিউ
সম্প্রতি ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার আহ্বান জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নব-নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস। জার্মান চ্যান্সেলর বলেছেন, ৫ শতাংশ জিডিপি একটি বড় পরিমাণ অর্থ। তাছাড়া ন্যাটোর মধ্যে একটি স্পষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া রয়েছে। বর্তমানে ন্যাটো সদস্যদের জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। জার্মান অর্থনীতি: জার্মানকে মূলত ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। তবুও দেশটির জন্য ৫ শতাংশ জিডিপি ধার্যের অর্থ বার্ষিক প্রায় ২০০ বিলিয়ন ইউরো (প্রায় ২০৬ বিলিয়ন ডলার)। অথচ জার্মানির মোট ফেডারেল বাজেটই প্রায় ৪৯০ বিলিয়ন ইউরো। সেক্ষেত্রে ট্রাম্পের দাবি মেনে নিতে হলে

প্রতি বছর অতিরিক্ত ১৫০ বিলিয়ন ইউরো সঞ্চয় বা ঋণ করতে হবে জার্মানিকে। ট্রাম্পের দাবি: নব-নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি ন্যাটো সদস্যদের প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার জন্য চাপ দিয়েছেন। যা বর্তমানে লক্ষ্য মাত্রার দ্বিগুণেরও বেশি। ইউরোপের দেশগুলোর জন্য তার এই দাবিকে বাস্তবসম্মত মনে করা হয় না এবং অনেকেই এর বিরোধিতা করছেন। অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্সের জন্য বাজেট ঘাটতির কারণে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আর যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে ২.৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা ব্যয় লক্ষ্য অর্জনেরই কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। এদিকে চেক প্রজাতন্ত্র এ বছর প্রথমবারের মতো প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করেছে। ট্রাম্পের দাবি প্রসঙ্গে দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেট্র ফিয়ালা বলেছেন, কয়েক বছরের

মধ্যে ৩ শতাংশ অর্জন নিয়ে আলোচনা করা বাস্তবসম্মত। অন্যদিকে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস জোর দিয়ে বলেছেন, ন্যাটোর দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্য অনুযায়ী ২ শতাংশের পথে অগ্রসর হওয়াই অধিকতর যৌক্তিক। সূত্র: ইরনা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
স্বাধিকার আন্দোলনের অগ্নিঝরা মার্চঃ ৫ মার্চ ১৯৭১- টঙ্গীতে শ্রমিক হত্যাকাণ্ড ও বিক্ষোভ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী ফলের বাজারে নেই লাগাম, বিক্রেতারা যে যার ইচ্ছেমত হাঁকছেন দাম ‘হেয়ার কাট’ বাতিলের দাবিতে পাঁচ একীভূত ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ, বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও বাংলাদেশের মতো অস্ট্রেলিয়াতেও উগ্রবাদী ইসলামপন্থী হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ফাইনালে ‘আরও একটি’ বড় ইনিংস খেলতে মুখিয়ে স্যামসন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ এবং একজন হতদরিদ্র পঙ্গু ‘মনোয়ারা বিবি’ নেপালের ‘অভ্যুত্থানকারী’ যুবকরা ক্ষমতার কাছাকাছি, বাংলাদেশী আন্দোলনকারীরা কেন ব্যর্থ? কুবি শিক্ষকককে অপহরণের পর নির্যাতন চালিয়ে বিকাশ-এটিএমের টাকা উত্তোলন নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর খাল থেকে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, ‘অদৃশ্য শক্তির ডাক’- দাবি বেতন ৪৯ হাজার টাকা, নিজের ও স্ত্রীর নামে গড়েছেন অর্ধশত কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে সিলেটে সরকারি রাস্তার বিপুল পরিমাণ ইট লুটপাট: ৬ জন আটক বনমোরগ উদ্ধারের পর বনে ‘দেশি মোরগ’ অবমুক্ত করলেন বন কর্মকর্তা, খেয়ে ফেলার অভিযোগ রাষ্ট্রপতি: হাজারো প্রাণের বিনিময়ে আবার গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে এসেছে বাংলাদেশ স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারা যুবকের আত্মহননের চেষ্টার ভুয়া গল্প অন্তর্জালে, প্রকৃত ঘটনা যা জানা গেল বাধা ও শর্ত উপেক্ষা করেই জোয়াহেরুল ইসলামের জানাজায় মানুষের ঢল আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে! যশোরে পৈশাচিকতা: ছাত্রলীগ নেতা জাহিদের ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা মায়ের পায়ের রগ কাটল দুর্বৃত্তরা নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের