ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মিরপুরে শাহ আলী মাজারে জঙ্গি হামলা: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
সুলতানুল আউলিয়া শাহ আলী বোগদাদী (রহ.) মাজারে হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে সুন্নিপন্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
হামে শিশু মৃত্যু ও মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে উত্তাল রাজপথ: ইউনূস-নূরজাহানের বিচারসহ ১০ দফা দাবি
ট্রাকসহ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্ক্র্যাপ মালামাল লুট করা এনসিপির ২ শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার
দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে উদ্ধার মা–মেয়ের লাশ
রাজধানীতে বিকালেই রাতের অন্ধকার
মায়ানমার সীমান্তে নতুন অস্বস্তি: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, আরাকান নেতার বিতর্কিত মানচিত্র ঘিরে উদ্বেগ
৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো
গত ৫ আগস্ট সংঘটিত সহিংস ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, ওই সময়টাতে সংগঠিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া উগ্র আন্দোলনকারীরা উত্তেজক মাদক Captagon সেবন করেছিল। আমাদের হাতে আশা তথ্য-উপাত্ত ও ভিডিওচিত্রে এমন কিছু আচরণগত ও পরিস্থিতিগত প্রমাণ রয়েছে যা থেকে বোঝা যায়, অংশগ্রহণকারীদের একটি অংশ অস্বাভাবিক উদ্দীপনা, দীর্ঘ সময় ক্লান্তিহীনভাবে রাজপথে অবস্থান, ভয়ডরহীন সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া এবং সহমর্মিতাহীন আগ্রাসী আচরণ প্রদর্শন করেছে যা অ্যামফিটামিন-জাতীয় উত্তেজকের প্রভাব বলে বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেন। ক্যাপ্টাগন মূলত ফেনেথাইলিন-ভিত্তিক একটি উত্তেজক ট্যাবলেট, যা অতীতে চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও অপব্যবহার ও আসক্তির ঝুঁকির কারণে বহু দেশেই নিষিদ্ধ হয় এবং পরবর্তীতে অবৈধ উৎপাদন
ও পাচারের মাধ্যমে বিশেষ করে Syria ও Iraq–এর মতো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে; আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে এমনকি ISIL–এর যোদ্ধাদের মধ্যেও এর কথিত ব্যবহারের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে, যদিও এসব দাবির অনেকাংশই যুদ্ধকালীন প্রচারণা ও বাস্তবতার মিশ্রণ হতে পারে বলে গবেষকেরা সতর্ক করেছেন। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, যদি সংঘবদ্ধ সহিংসতায় উত্তেজক মাদক ব্যবহারের প্রমাণ সত্যিই পাওয়া যায়, তবে তা জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় হবে এবং সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে নিরপেক্ষ ফরেনসিক পরীক্ষা, ওইসব আন্দোলনকারীদেরর ডোপ টেস্ট ও পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, এত গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ-ভিত্তিক ও দায়িত্বশীল অনুসন্ধানই একমাত্র পথ কারণ গুজব
বা যাচাইহীন তথ্য যেমন সামাজিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে, তেমনি প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হলে তা ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতার নেপথ্য কারণ বোঝা ও প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ও পাচারের মাধ্যমে বিশেষ করে Syria ও Iraq–এর মতো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে; আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে এমনকি ISIL–এর যোদ্ধাদের মধ্যেও এর কথিত ব্যবহারের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে, যদিও এসব দাবির অনেকাংশই যুদ্ধকালীন প্রচারণা ও বাস্তবতার মিশ্রণ হতে পারে বলে গবেষকেরা সতর্ক করেছেন। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, যদি সংঘবদ্ধ সহিংসতায় উত্তেজক মাদক ব্যবহারের প্রমাণ সত্যিই পাওয়া যায়, তবে তা জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় হবে এবং সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে নিরপেক্ষ ফরেনসিক পরীক্ষা, ওইসব আন্দোলনকারীদেরর ডোপ টেস্ট ও পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, এত গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ-ভিত্তিক ও দায়িত্বশীল অনুসন্ধানই একমাত্র পথ কারণ গুজব
বা যাচাইহীন তথ্য যেমন সামাজিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে, তেমনি প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হলে তা ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতার নেপথ্য কারণ বোঝা ও প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



