ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো
গত ৫ আগস্ট সংঘটিত সহিংস ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, ওই সময়টাতে সংগঠিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া উগ্র আন্দোলনকারীরা উত্তেজক মাদক Captagon সেবন করেছিল। আমাদের হাতে আশা তথ্য-উপাত্ত ও ভিডিওচিত্রে এমন কিছু আচরণগত ও পরিস্থিতিগত প্রমাণ রয়েছে যা থেকে বোঝা যায়, অংশগ্রহণকারীদের একটি অংশ অস্বাভাবিক উদ্দীপনা, দীর্ঘ সময় ক্লান্তিহীনভাবে রাজপথে অবস্থান, ভয়ডরহীন সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া এবং সহমর্মিতাহীন আগ্রাসী আচরণ প্রদর্শন করেছে যা অ্যামফিটামিন-জাতীয় উত্তেজকের প্রভাব বলে বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেন। ক্যাপ্টাগন মূলত ফেনেথাইলিন-ভিত্তিক একটি উত্তেজক ট্যাবলেট, যা অতীতে চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও অপব্যবহার ও আসক্তির ঝুঁকির কারণে বহু দেশেই নিষিদ্ধ হয় এবং পরবর্তীতে অবৈধ উৎপাদন
ও পাচারের মাধ্যমে বিশেষ করে Syria ও Iraq–এর মতো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে; আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে এমনকি ISIL–এর যোদ্ধাদের মধ্যেও এর কথিত ব্যবহারের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে, যদিও এসব দাবির অনেকাংশই যুদ্ধকালীন প্রচারণা ও বাস্তবতার মিশ্রণ হতে পারে বলে গবেষকেরা সতর্ক করেছেন। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, যদি সংঘবদ্ধ সহিংসতায় উত্তেজক মাদক ব্যবহারের প্রমাণ সত্যিই পাওয়া যায়, তবে তা জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় হবে এবং সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে নিরপেক্ষ ফরেনসিক পরীক্ষা, ওইসব আন্দোলনকারীদেরর ডোপ টেস্ট ও পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, এত গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ-ভিত্তিক ও দায়িত্বশীল অনুসন্ধানই একমাত্র পথ কারণ গুজব
বা যাচাইহীন তথ্য যেমন সামাজিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে, তেমনি প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হলে তা ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতার নেপথ্য কারণ বোঝা ও প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ও পাচারের মাধ্যমে বিশেষ করে Syria ও Iraq–এর মতো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে; আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে এমনকি ISIL–এর যোদ্ধাদের মধ্যেও এর কথিত ব্যবহারের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে, যদিও এসব দাবির অনেকাংশই যুদ্ধকালীন প্রচারণা ও বাস্তবতার মিশ্রণ হতে পারে বলে গবেষকেরা সতর্ক করেছেন। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, যদি সংঘবদ্ধ সহিংসতায় উত্তেজক মাদক ব্যবহারের প্রমাণ সত্যিই পাওয়া যায়, তবে তা জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় হবে এবং সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে নিরপেক্ষ ফরেনসিক পরীক্ষা, ওইসব আন্দোলনকারীদেরর ডোপ টেস্ট ও পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, এত গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ-ভিত্তিক ও দায়িত্বশীল অনুসন্ধানই একমাত্র পথ কারণ গুজব
বা যাচাইহীন তথ্য যেমন সামাজিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে, তেমনি প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হলে তা ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতার নেপথ্য কারণ বোঝা ও প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



