ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো
গত ৫ আগস্ট সংঘটিত সহিংস ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, ওই সময়টাতে সংগঠিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া উগ্র আন্দোলনকারীরা উত্তেজক মাদক Captagon সেবন করেছিল। আমাদের হাতে আশা তথ্য-উপাত্ত ও ভিডিওচিত্রে এমন কিছু আচরণগত ও পরিস্থিতিগত প্রমাণ রয়েছে যা থেকে বোঝা যায়, অংশগ্রহণকারীদের একটি অংশ অস্বাভাবিক উদ্দীপনা, দীর্ঘ সময় ক্লান্তিহীনভাবে রাজপথে অবস্থান, ভয়ডরহীন সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া এবং সহমর্মিতাহীন আগ্রাসী আচরণ প্রদর্শন করেছে যা অ্যামফিটামিন-জাতীয় উত্তেজকের প্রভাব বলে বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেন। ক্যাপ্টাগন মূলত ফেনেথাইলিন-ভিত্তিক একটি উত্তেজক ট্যাবলেট, যা অতীতে চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও অপব্যবহার ও আসক্তির ঝুঁকির কারণে বহু দেশেই নিষিদ্ধ হয় এবং পরবর্তীতে অবৈধ উৎপাদন
ও পাচারের মাধ্যমে বিশেষ করে Syria ও Iraq–এর মতো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে; আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে এমনকি ISIL–এর যোদ্ধাদের মধ্যেও এর কথিত ব্যবহারের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে, যদিও এসব দাবির অনেকাংশই যুদ্ধকালীন প্রচারণা ও বাস্তবতার মিশ্রণ হতে পারে বলে গবেষকেরা সতর্ক করেছেন। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, যদি সংঘবদ্ধ সহিংসতায় উত্তেজক মাদক ব্যবহারের প্রমাণ সত্যিই পাওয়া যায়, তবে তা জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় হবে এবং সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে নিরপেক্ষ ফরেনসিক পরীক্ষা, ওইসব আন্দোলনকারীদেরর ডোপ টেস্ট ও পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, এত গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ-ভিত্তিক ও দায়িত্বশীল অনুসন্ধানই একমাত্র পথ কারণ গুজব
বা যাচাইহীন তথ্য যেমন সামাজিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে, তেমনি প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হলে তা ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতার নেপথ্য কারণ বোঝা ও প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ও পাচারের মাধ্যমে বিশেষ করে Syria ও Iraq–এর মতো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে; আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে এমনকি ISIL–এর যোদ্ধাদের মধ্যেও এর কথিত ব্যবহারের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে, যদিও এসব দাবির অনেকাংশই যুদ্ধকালীন প্রচারণা ও বাস্তবতার মিশ্রণ হতে পারে বলে গবেষকেরা সতর্ক করেছেন। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, যদি সংঘবদ্ধ সহিংসতায় উত্তেজক মাদক ব্যবহারের প্রমাণ সত্যিই পাওয়া যায়, তবে তা জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় হবে এবং সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে নিরপেক্ষ ফরেনসিক পরীক্ষা, ওইসব আন্দোলনকারীদেরর ডোপ টেস্ট ও পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, এত গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ-ভিত্তিক ও দায়িত্বশীল অনুসন্ধানই একমাত্র পথ কারণ গুজব
বা যাচাইহীন তথ্য যেমন সামাজিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে, তেমনি প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হলে তা ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতার নেপথ্য কারণ বোঝা ও প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



