ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ড সক্রিয় দুই প্রজন্মের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকা এবং ইতিহাস: শেষ পর্ব
বিদেশে পলাতক শিবিরের শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের নির্দেশে পুলিশি পাহারায় থাকা চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়ী-আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করে সন্ত্রাসীরা।
মসজিদের টাকা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষ
খোলা টয়লেটের পাশে চলছে সেমাই উৎপাদন
দুই লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মাদ্রাসার কাজ বন্ধ করে দিলেন বিএনপি নেতা!
ছাত্রকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন শিক্ষক
নিজের মামীকে নিয়ে সংসার, বাংলামোটরে ধর্ষণ ও হাতিরঝিলে রড চুরি: ‘মাওরা সায়মন’-এর অন্ধকার জগত!
৩৮ কেজি গাঁজা, কাভার্ড ভ্যানসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
রাজধানী ঢাকার মুগদা এলাকা থেকে ৩৮ কেজি গাঁজা ও গাঁজা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যানসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি-মতিঝিল বিভাগ।
সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মো. সোহেল রানা ও মো. বাপ্পারাজ। পুলিশ জানায়, রোববার সকাল সাড়ে দশটার দিকে মুগদা থানার সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ তাদের গ্রেপ্তার করে ডিবি মতিঝিল বিভাগের একটি টিম।
ডিবি-মতিঝিল বিভাগ সূত্র জানায়, মাদক কারবারি কুমিল্লা জেলা থেকে মাদকের একটি চালান ঢাকা নিয়ে আসছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে সায়েদাবাদ খিলগাঁও সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে কমলাপুর ফুট ওভার
ব্রিজ সংলগ্ন এসি বাস কাউন্টারের সামনে রাস্তা থেকে মাদক কারবারি সোহেল রানা ও বাপ্পারাজকে ৩৮ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায় উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজার মূল্য সাত লাখ ৬০ হাজার টাকা। গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করতো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। পুলিশ জানায়, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ব্রিজ সংলগ্ন এসি বাস কাউন্টারের সামনে রাস্তা থেকে মাদক কারবারি সোহেল রানা ও বাপ্পারাজকে ৩৮ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায় উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজার মূল্য সাত লাখ ৬০ হাজার টাকা। গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করতো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। পুলিশ জানায়, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।



